somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাস্তিক হলে ঠিকমত হন, নইলে বলুন আপনি ইসলামবিদ্বেষী

০১ লা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নাস্তিকতাবাদের বিপক্ষে বলতে গেলেই যে আমি জামায়াত-শিবিরের পক্ষে হয়ে যাব, এই ভুল ধারণার কারণেই তথাকথিত নাস্তিকগণ সবসময় ধর্ম সম্পর্কিত যুক্তিতর্ক এড়িয়ে চলেন। আর বাংলাদেশের নাস্তিকতাবাদ মূলত ঈশ্বরে অবিশ্বাসের উপর কেন্দ্রীভূত নয়, এখানে পুরো কনসেপ্টটাই ইসলামের প্রতি বিদ্বেষমূলক। কোন ধরমের আবরণে থেকে ইসলাম সম্পর্কে বিষোদগার করলে সেই ধর্মের অনুসারী অন্য লোকজন অসুবিধায় পড়তে পারেন, তাই মুকচিন্তার আদলে মূলত ইসলামকে আক্রমণ করার জন্যই এইসব ভণ্ড নাস্তিকদের আবির্ভাব।পাশ্চাত্য সমাজ ব্যবস্থার দিকে তাকালে আমরা দেখতে পারি, সেখানে নাস্তিকগণ মূলত স্বাধীন জীবনযাপন করার লক্ষ্যেই এই কনসেপ্টে আসক্ত হন। অন্য কোন ধর্মকে আক্রমণ কিংবা কুৎসা রটনা করার চিন্তা তাদের আচরণে কখনো প্রকাশও পায়না। আর আমাদের দেশের দিকে তাকালে দেখা যায় আমাদের বুদ্ধিজীবী কিংবা সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা নাস্তিক হতে চান শুধুমাত্র ইসলামের বিরোধিতা করার জন্য। নিজেকে নাস্তিক দাবি করার আগে একটাবার নাস্তিকের সংজ্ঞাটুকু পড়ে আসুন। শুধু শুধু নিজেকে এলিট প্রমাণিত করার জন্য নাস্তিক শব্দটা ব্যবহার করবেন না। আসলে দোষটা আমাদের নিজেদেরই, ৮৮% মুসলিমের দেশে বাকি ১২%কে আমরা এত সহিষ্ণুতা দেখিয়েছি যে, ৪২ বছর ধরে সম্প্রীতির নাম করে আমাদের মুল শিকড় থেকে আর দূরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নাস্তিক হওয়াতে দোষের কিছু নেই, আপনি মুসলিম নাম নিয়েও নাস্তিক হয়ে বাকিটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারেন, তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। কিন্তু মনে রাখবেন, দিনের শেষে নাস্তিকতাও কিন্তু একটা ধর্ম যার কিছু নিয়মনীতি আছে। যদি সেগুলো সঠিকভাবে পালন করতে না পারেন, তবে নাস্তিক না বলে নিজেকে ইসলামবিদ্বেষী বলুন। তাহলে হয়তো আপনার নোংরা থাবা থেকে কিছুটা হলেও মুসলিমগণ বাঁচতে পারবেন।
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গার্মেন্টসের ভিতরে লুকানো বাস্তবতা—যা আমরা কখনো দেখি না

লিখেছেন Sujon Mahmud, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৫২



সকাল ৬টা। ঘুম ভাঙার আগেই যেন জীবন তাকে টেনে তোলে। রহিমা চোখ খুলেই কিছুক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়—
আরেকটা দিন, আবার সেই একই লড়াই।

রহিমা একজন গার্মেন্টস কর্মী। বয়স মাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×