somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিহরণ জাগুক আরও একবার

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান থেকে ’৯০ এর গণঅভ্যুত্থান ; বাঙালির সেই তেজোদ্দীপ্ত চেতনা আজ আর বোধকরি নেই। চেতনা আজ শুধু রক্তগরম বক্তৃতাতেই আটকে আছে। রঙবেরঙের জামাকাপড় পরে মিডিয়ার সামনে দেশপ্রেমের বুলি আওড়ানো টুকুর মধ্যেই দেশের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আটকে আছে।
আসলে আমরা অনেক বেশি পরনির্ভরশীল হয়ে গেছি। আজকাল আমরা নতুন কিছু করতে যাওয়ার আগে ভাবি, আরও অনেকেই তো আছে তারা আগে শুরু করুক; তারা হোঁচট খাক ভুল করুক যদি সফল হতে পারে তবে ওপথে পা বাড়াবো, আর ব্যর্থ হলে; বাব্বা, ওইদিকে আর যেতেও চাইবনা। একারণেই আমরা আজ খুব অল্প কিছুতেই হতাশ হয়ে যাই। পড়াশোনা শেষ করে মাস তিনেকের মধ্যে চাকরি না পেলেই হতাশা এসে ভর করে চারিদিক থেকে। একবারও ভাবি না, চাকরি না করে আরও অনেক কিছু করেও আমি সুখে থাকতে পারি। নাহ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে আমার এই পোস্টটি নয়। সে ব্যাপারে অন্য কোন সময় বলব।
দেশের এই দুরূহ অবস্থায় আমরা সকলেই চাই এমন কিছু হোক যেন, সবকিছু শান্ত হয়ে যায়। আমরা আবার সুস্থ। স্বাভাবিক জীবনে নিয়মিত হতে পারি। কিন্তু এই ‘কিছু’ জিনিসটা করার জন্য কেউ এগিয়ে আসছে না। সবাই ভাবছে, ‘কেউ’ হয়তো এগিয়ে আসবে। কিন্তু এই ‘কেউ’ টা যে কে হবে টা কেউই জানে না। আপনি কেন এগোচ্ছেন না। আপনি কেন শুধুমাত্র ভার্চুয়াল জগতে বাহবা দিয়ে আর আক্ষেপ ঝেড়েই নিজেকে ধন্য মনে করছেন? একবার সেই ‘কেউ’ হয়েই দেখুন না। হতেও তো পারে, আপনিই বাংলাদেশের আব্রাহাম লিংকন কিংবা জন এফ কেনেডি হয়ে উঠলেন।
অপার সম্ভাবনার আমাদের মধ্যে অনেক কিছুই আছে যা হয়তো আমরা উপলব্ধি করলেও পাছে লোকে কি বলবে এই ভয়েই বলতে পারি না। সময় তো অনেক গড়াল; আজ বাদে কাল যখন পুড়ে কাবাব হবেন অথবা রক্তের সাগরে শামিল হবেন তখন হয়তো আপ্নিও এই আক্ষেপটা নিয়েই যাবেন যে হয়তো আপনি পারতেন কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনটা আনতে, হয়তো আপনার ওই সুচিন্তার বাস্তবায়নে বেঁচে যেত কয়েকশত প্রাণ। ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর’ কথাটি ওই সময়ে রক্তে যে শিহরণ বইয়ে দিয়েছিল, সেই শিহরণ নাহয় আরেকবার বয়ে যাক আপনার ভেতরে। সোনার বাংলায় আমরা আরেকবার যেন বলতে পারি, ‘আমরা সত্যিই আজ স্বাধীন হয়েছি’।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গার্মেন্টসের ভিতরে লুকানো বাস্তবতা—যা আমরা কখনো দেখি না

লিখেছেন Sujon Mahmud, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৫২



সকাল ৬টা। ঘুম ভাঙার আগেই যেন জীবন তাকে টেনে তোলে। রহিমা চোখ খুলেই কিছুক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়—
আরেকটা দিন, আবার সেই একই লড়াই।

রহিমা একজন গার্মেন্টস কর্মী। বয়স মাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×