এরমধ্যে কিভাবে যেন ওনারা টের পেয়ে গেলেন জন্মদিনের ব্যাপারে। আব্বাকে আংকেল সাথে নিয়ে মার্কেটে গেলেন, বললেন কি যেন কাজ আছে। তারপর নিজেই কেক, মোমবাতি আর একটা গিফট (লাল টুকটকে একটা টেলিফোন) আনলেন। আন্টি ঘর থেকে কয়েক গজ সুতি কাপর গিফট দিলেন (সৌদিতে বাচ্চা হলে দেয়, মশারীর মতোন করে শরীর ঢাকার জন্য, ওখানে মাছির খুব উৎপাত)।
আম্মা আমাকে হালকা বকা দিলেন, তুমি বলে দিলে কেন? আমি অবাক হয়ে গেলাম, আমি কি করে বলব?
যাই হোক, কেক কাটা হলো, খাওয়া দাওয়া হলো, কিন্তু শেখা কোন কিছুতে মন দিলোনা, সারাক্ষন ঔ টেলিফোন নিয়ে পড়ে রইলো। এক হাতে ধরে আব্বা কেক কাটালেন, সে অন্য হাতে টেলিফোনের রিসিভার ধরে রইলো, ওকে কেক খাওয়া নো হচ্ছে, সে 2 হাতে টেলিফোন ধরে খেলছে।
এটা এখনও ওর প্রিয় খেলনা। আমার ছোট ভাই খেলতে গিয়ে অনেক খানি ভেংগে ফেলেছে। তারপরোও ও রেখেছে, সেই প্রথম জন্মদিনের সৃতি হিসাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


