রমনার বটমূলে প্রভাত সঙ্গীত
শোনে দুলিয়ে মাথা অন্ধ বাংলাদেশ
ঘাসে বসে আশেপাশে
অগনিত মানুষের সমাগম দেয় আশা
বোমায় ভীত নয় শিশু থেকে বৃদ্ধ
তাবৎ নাগরিকেরা ।
দীপালি তার কানে কানে বলে চলে
বাহারি সাজের তরুণীদের কথা
নতুন কাপড়ে অসাম্প্রদায়িক
লক্ষ জনের উজ্জ্বল মুখ জাগায় আশা
আহা কি মাদকময় কণ্ঠ ওদের
খোল করতাল আর বাঁশীর সুর
কবিতার গমগম উচ্চারন ভঙ্গীতে
মুগ্ধ বাংলাদেশ, চুয়াল্লিশ বছরের তাগড়া জোয়ান
হারিয়েছে দৃষ্টি বাসের ভিতরে
ঢেলে দেওয়া পেট্রলের আগুনের তাপে
বাঘ হাতি ঘোড়া নিয়ে শাশ্বত মঙ্গল যাত্রা
দীপালির হাত ধরে শুনে চলে টকটকে রঙ্গিন বর্ণনা ।
দীপালি তার দাইমাতার পৌত্রী
তারা ভোরের আলো দেখেছিলো
একই চোখে শহীদমিনারের পাদদেশে
১৬ই ডিসেম্বরে ১৯৭১ সালে ।
সন্ধ্যা নেমেছে এপারের শহরের কোনে
ক্লান্ত বাংলাদেশ ফিরে চলে মিনারের ডেরাতে
তার কাঁধে জমে থাকা জঞ্জালের ভার
দেবে কে ভরসা সরিয়ে দেবার
আছে শুধু খাই খাই ,নাই নাই
মিছে ক্ষুধার হাহাকার
আছে যার ঢের বেশী সেই সাজে খাটি দেশী
ছদ্মবেশী সেই তার লাগাতার ভড়ং চিৎকার ।।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



