ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জেতা কখনোই সম্ভব হবেনা। এই দ্রুত ধাবমান রোগটির বিবর্তন সম্পূর্ণ রুপে সারিয়ে তোলার সম্ভাবনাকে স্তিমিত করে ফেলেছে। জার্মান ও ক্রোয়েশিয়ার ক্যান্সার গবেষকরা যতটা না ভাবতেন এটি তার থেকেও মারাত্মক ভয়ঙ্কর রুপে আবির্ভূত হয়েছে । তারা একটি স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে এই ঘাতক ব্যাধি নির্মূল অসম্ভব। তাদের গবেষণাকর্মে প্রথম স্তরের প্রামান্য চিত্রটি উঠে এসেছে হাইড্রা নামের বহুমুখী সাপ সদৃশ মাইক্রো জীবাণু থেকে যা মিষ্টি পানিতে বসবাস করে তাদের শরীরের টিউমার নিয়ে গবেষণায় তারা এক অভূতপূর্ব তত্ত্ব আবিস্কার করেছেন। তারা বলছেন এটি একটি মানব জীবন চক্রের বহুমুখী অসুখ যার অস্তিত্ব মিলিয়ন বছর ধরে বংশগতিতে প্রবাহিত।তবে এটির সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব । প্রফেসর থমাস বস বলছেন শত্রুর উৎসকে জানাটা জরুরি এবং প্রাথমিক পর্যায়েই এর প্রতিরোধে সচেষ্ট হওয়া ও যুদ্ধে জয়লাভ করা। আমাদের শরীরের সহজাত প্রবৃত্তি ক্যান্সারকে ধারন/বিবর্ধন করছে লক্ষ বছর ধরে। জার্মানির কিয়েল বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্রোয়েশিয়ার ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন “শত্রুকে চিহ্নিত করা” বিজ্ঞানীদের এনে দেবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সুযোগ। হাইড্রা নামের বহুকোষী দুটি প্রানির দেহে ক্যান্সার শনাক্ত করার পর তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছেন যে এই অসুখ প্রানিদেহ থেকে মানব শরীরে সংক্রামিত হয়েছে লক্ষ বছর আগে এবং বংশগতি বা বংশঝাড়ে ক্রমবিকাশ করে চলেছে।এটি একটি বহুকোষী জীবানু যার একেবারে বিলুপ্তি অসম্ভব।হাইড্রার শরীরে যে টিউমার আছে তা তারা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন । তবে দলটি মনে করছেন তারা একটি যুগান্তকারী আবিস্কার করেছেন যে ক্যান্সার মানব শরীরে কিভাবে প্রবাহিত বা সংক্রামিত হল।
ক্যান্সারের মুল শেকড় অত্যন্ত গভীরে অবস্থান করে । এটা আদিকাল থেকেই বহুকোষী এবং সে তার নিজের বংশগতি বজায় রাখতে সক্ষম । আপনি জন্মের সময়েই হয়ত একটি লুকানো টাইম বোমা শরীরে নিয়ে জন্মাচ্ছেন বা জন্মগ্রহন করছেন। সারা পৃথিবীতেই ক্যান্সারকে শনাক্তকরন, প্রতিষেধক ও চিকিৎসার ব্যাপারে বিজ্ঞান অসাধারন উন্নতি করেছে। কিন্তু এই রোগটি ঠিক কখন আপনার শরীরে প্রকাশ পাবে হোননা আপনি শিশু , যুবক অথবা বৃদ্ধ ,তার কোন পরিমাপ নেই। সঠিক সময়ে এই ঘাতক কে শনাক্ত করতে পারলে তাকে দমন করা যায় বলে কিছু চিকিৎসা বিজ্ঞানীর অভিমত। আবার এটি দেরিতে ধরা পড়লে তাদের ভোগান্তির সীমা থাকেনা । এটি এখন প্রথম সারির বিপজ্জনক রোগ যা হার্ট অ্যাটাককে ছাড়িয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। হটাৎ কেন ক্যান্সার দ্রুত বিকশিত হল তার কোন জবাব বিজ্ঞানীরা দিতে পারেননি ।ঢাকাতে একজন ডাক্তার বলছিলেন জন্মনিরোধক ওষুধ মেয়েদের ক্যান্সার ঝুকি বাড়িয়ে চলে। আমি বলছিলাম তাবৎ রাসায়নিকের অবাধ ব্যাবহার কি এর জন্য দায়ী নয়? তিনি বললেন অবশ্যই, কারন এসব খাদ্য আপনার ইমিউন শক্তিকে কমিয়ে ঘাপটি মেরে থাকা ক্যান্সারের সেলগুলোকে দ্রুত বিকশিত করে। একই পরিবারে কারো ক্যান্সার হচ্ছে আবার বাকিরা ক্যান্সার মুক্ত থাকছে তাও ব্যাপক গবেষণার বিষয়।আমরা যেসব মিঠা পানির মাছ খাই তাতে কি হাইড্রার উপস্থিতি নেই?এই লেখার তথ্য সংগ্রহ হয়েছে journalNatureCommunications.
থেকে । আমি চেষ্টা করব বিষয়টির আপগ্রেড করার জন্য ।
যেসব পরিবারে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে বা স্বজন হারিয়েছেন তাদের মহিলা ও পুরুষ উভয়েই স্ক্রিনিংএ যাবেন আর্থিক ক্ষমতা অনুযায়ী । ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যায়বহুল এবং তা অনেক পরিবারকে নিঃস্ব করেছে ।


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




