ভারতের একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসককে পেলাম এক আড্ডায় যিনি বাংলাদেশ ভ্রমন করছেন । ওর খুব নজর পাহাড়ি এলাকায় গাছ গাছড়ার দিকে। আমায় বলল হিমালয়ের পাদদেশে মাঝে মধ্যেই যায় গাছ গাছড়ার খোজে। প্রকৃতিতে সকল নিরাময় রয়েছে। আমার সমস্যার কথা বললে তিনি কিছু উপায় বলে দিলেন যা পান করে আমি উপকার পেয়েছি । এ সময় আমার স্ত্রী ফোনে জানাল ছেলের ক্রমাগত হাচির কথা । ডাক্তার আমায় বলল ওর ইমিউন কমে গেছে তাই নাসারন্ধ্রে সর্দি ও কাশি জমছে , তাই হাচি আসছে। তাহলে উপায়? বয়স ১৮+ ,পড়াশুনা করছে, ধুলাবালির আস্তরনেই যেতে হয়। ওর জন্য এক চামচ খাটি কাচা হলুদ বাটা ও এক চামচ মধু ভোর বেলা খাইয়ে দেবে খালি পেটে। আমি জানি এ বয়েসের ছেলে মেয়েরা সকালে ওঠে দেরিতে,ওখানেই সুবিধা কারন ওই ঔষধি এক ঘণ্টা সময়েই রক্তে মিশে ওর রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াবে, ২১ দিন কোন ব্রেক ছাড়া খাওয়াবে।শীতের আগে ঠাণ্ডা লাগে , খুব ঝামেলা হয়। ওই একি ব্যাপার করবে, দেখবে সুস্থ হয়ে গেছে এবং সুস্থ আছে। ছোটদের জন্য পরিমান অল্প করে দেখতে হবে পেট নরম হচ্ছে কিনা।ওদের সহনশীল ডোজ দিতে হবে গরম পানি মিলিয়ে। হলুদ খুব কম এবং মধু পরিমান মতো। আমার ছেলে ইতিমধ্যে দারুন উপকার পেয়েছে এবং সে খুব খুশি। তবে হলুদ বেশী দিন খাওয়াবেননা কারন প্রতিটি জিনিসেরই একটি নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে আর তাই তাকে কিছুদিন বিরতি দিয়ে আবার খাওয়াবেন। মধু সবসময় খাওয়ানো যায়। অস্ট্রেলিয়ান মধু সবচে খাটি আর সব মধুতে মিশ্রন দেয়া আছে। ধানমণ্ডির বড় দোকানে আর গুলশান বনানিতে পাওয়া যাবে । সিল প্যাক দেখে নেবেন।
পোস্ট চলবে একমাত্র যেসব উপায়ে উপকার আমরা পাচ্ছি তা নিয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



