
একজন মসজিদের ইমাম যিনি একজন শিশু ও তার তরুন পিতাকে কোরান শিক্ষা দিতেন । জড়িয়ে পড়েন পরকিয়ায় ওই শিশুর মা আসমা আক্তারএর (২২) সাথে ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান(৫৬) স্থানীয় মসজিদের ইমাম । আসমার স্বামী আজহার গার্মেন্টস কর্মী ছিল। আজহারকে মসজিদের দোতালায় ইমামের রুমে নিয়ে হত্যা করে তার শরীর ৬ টুকরা করে নিচে সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে সিমেন্টের প্রলেপ দিয়ে আটকে দেয় ইমাম আব্দুর রহমান । ৭ দিন পরে এলাকাবাসী দুর্গন্ধে টিকতে না পেরে সেপটিক ট্যাংক খুলে গলে যাওয়া মরদেহের টুকরা উদ্ধার করে
র্যাব এই অপারেশনে খুব দ্রুত আসামি দুজনকে গ্রেফতার করে। র্যাবের দাবি, আজহারের স্ত্রী আসমা আক্তারই ছিলেন এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। তার নির্দেশেই স্বামী আজহারকে কুপিয়ে হত্যা করেন দক্ষিণখানের সরদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান। ইমামের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
পাঠক , আমরা এখন ওয়াজ্জেজান আর ইমামদের পাল্লায় পড়েছি । এরা এতিম বাচ্চা বলৎকার আর স্ত্রী ফুসলিয়ে স্বামীকে টুকরা করার জ্বিহাদে লিপ্ত ।
আপনার সরব উপস্থিতি চাইছি এই পোস্টে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১০:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


