
শিল্পী শাহাবুদ্দিন এর অ্যালবাম থেকে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ গুরুতর একটি বিষয়ের সুচনা করেছেন । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হবার পরে বাকশালের নেতারা কি করেছিলেন । ওইদিন সকালবেলা আমি হতভম্ব হয়ে উঠে বাজতে থাকা রেডিও শুনে অবাক হয়ে গেলাম। রাস্তায় লোকজন কম । সামনের দোকানে একটা ছোট রেডিওতে দুতিন জন মানুষ শুনছে ঠিক আমার মতই । বেরিয়ে পড়লাম , গেলাম বন্ধুর বাড়ির সামনে । ওখানে দাড়িয়ে আমরা একধরনের নিরব আড্ডায় মেতে উঠলাম । বন্ধুর ছোট ভাই আর গোষ্ঠীর আত্মীয়স্বজন মিষ্টি বিলাচ্ছে । হতবাক আমি , দ্রুত বাসায় চলে এলাম । সেই ভাইটি গত বছর করোনায় মারা গেছে । মারা যাবার আগে সে ওই জেলা যুব লীগের সভাপতি ছিল । আমি দীর্ঘ সময়ে এরকম অদলবদলের খেলা অনেক দেখেছি । পেপারে ওর মৃত্যু সংবাদ পড়ে প্রশ্ন জাগল কেউ কি ওর মৃত্যুতে মিষ্টি বিলিয়েছিল ?
বাকশালের নেতারা বঙ্গবন্ধুর লাশ ডিঙ্গিয়ে বঙ্গভবনে হালুয়া রুটির ভাগা নিতে গিয়েছিল । তারা ওভাবেই ওই স্বভাবে গড়ে ওঠা মানুষ তাদের কাছে কি কাদের সিদ্দিকি মার্কা বিদ্রোহ আশা করেন । কাদের সিদ্দিকি তার বঙ্গবন্ধুর প্রতি অতিপ্রেমের পুরস্কার পেয়েছিলেন ।
কাকতালীয়ভাবে একই দিনে জিয়ার কবরে জিয়া নেই তর্ক আর গুম হয়ে যাওয়া মানুষদের স্ত্রী , সন্তানদের আহাজারি বেশ ভাবুক করে তুলল আমায় ।
প্রধানমন্ত্রী কি ভেবে চিন্তে এমন বিষয় এমন সময়ে হাতে তুলে নিলেন ?? আমি দ্বিধাগ্রস্ত !!
এই আলোচনাটি সবার জন্য উন্মুক্ত।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


