মানুষ প্রতিনিয়ত স্বপ্ন বুনে চলে। প্রতিদিন, প্রতিটা ক্ষনে একটা একটা করে স্বপ্ন বোনে সে। কিছু স্বপ্ন বড় আবার কিছু স্বপ্ন ছোট। নানা রঙের স্বপ্ন।এর মধ্যে কিছু স্বপ্ন জীবনে সত্য হয়ে ধরা দেয়। আবার কিছু স্বপ্ন মরে যায় সময় ও বাস্তবতার সাথে সাথে।
মরে যাওয়া স্বপ্নগুলো পচে-গলে ছড়াতে থাকে দূর্গন্ধ। বিষিয়ে তোলে জন্মগতভাবে পাওয়া সচ্ছ মনটাকে। তবুও এই বিষাক্ত মনের স্বপ্ন দেখার সাধ মেটেনা। সে আবার স্বপ্ন দেখে। বড় স্বপ্ন,ছোট স্বপ্ন, নানা রঙের স্বপ্ন।
স্বপ্ন দেখার নিয়মে সম্ভব অসম্ভবের বিবেচনার সুযোগ নাই। স্বপ্ন স্বাধীন। তার বিস্তৃতি পাতাল থেকে আসমান পর্যন্ত, ইহকাল থেকে পরকালের সীমানায়। স্বপ্নের রংও তেমনি শিল্পীর মর্জি। মানুষ তার মনের মত রঙে স্বপ্ন আকে। স্বপ্ন হতে পারে লাল-নীল, হতে পারে তা বাতাসের রঙ, বৃষ্টির রং অথবা অনুভূতির রং। স্বপ্নের রাষ্ট্রে প্রতিটা মানুষে পূর্ণাঙ একনায়ক।
স্বপ্ন দেখা মনের কাজ। এখানে মস্তিষ্কের অনুপ্রবেশ সংরক্ষিত। যদি সেখানে মস্তিষ্ক প্রবেশ করে তবে তা আর স্বপ্ন থাকেনা, হয়ে যায় পরিকল্পনা। বিলুপ্ত হয় স্বপ্নের স্বাদ।
স্বপ্নের এত এত অস্থিরতা এবং অপূর্ণতা সত্ত্বেও মানুষ বেচে থাকে তার স্বপ্নের উপর ভর করেই। যদি মানুষ স্বপ্ন দেখতে না পারতো তবে তার দেহ হয়তো বেচে থাকতো কিন্তু মন মারা যেত। কেননা, মন তখন হয়ে পড়ত কর্মশূন্য। আর কর্মশূন্য মানেই জীবনমৃত।
মানুষ যতদিন বাচবে ততদিন সে স্বপ্ন দেখতেই থাকবে। যেদিন ভুলে যাবে সেদিন তার দেহ হবে প্রাণ শূন্য।
স্বপ্ন, সে হোকনা যতই অবাস্তব, স্বপ্ন দেখতেতো বাধা নেই। আর বাধা থাকবেইবা কেন? স্বপ্ন জিনিসটা ছাড়াতো আর কিছুই পুরোপুরি মনের মত হয়না। স্বপ্নের বিলাসিতা অসীম।
মোদ্দাকথা, জীবনের চাপে নিষ্পেষিত মানুষগুলো স্বপ্নের মাঝেই তার পূর্ণতা খুজে পায়।
তাই বাচতে হলে স্বপ্ন দেখ। বড় স্বপ্ন, ছোট স্বপ্ন, নানা রঙের সপ্ন। বাস্তবে খুজে না পেলেও মন ঠিকই খুজে নেবে স্বপ্নের সুখ। সুখের অভাবের দুনিয়ায় এইবা কম কী।
বড় সুখ, ছোট সুখ,নানা রঙের সুখ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




