বিশ্বে যে দিকে তাকাই-দেখি, মুসলিমরা মার খাচ্ছে, আর না হয় নিজেরা হানা-হানিতে লিপ্ত। কিছুটা পিছনে ফিরে দেখি- সাদ্দাম হোসেন, যদিও স্বৈরাশাসক তবুও তুমুল জনপ্রিয় এক নেতা ছিলেন। তাঁকে কি দোষে, কিভাবে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ফাঁসি দিল তা আমরা সবাই কম-বেশি জানি, সাদ্দাম হোসেনের অপরাধ ছিল-সে নাকি " পরমানু অস্ত্র" তৈরি করেছে গোপনে, অথচ পরে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। মূলত সেই শুরু।
আজ উত্তর কোরিয়া প্রকাশ্যে পরমানু অস্ত্র তৈরি করছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা দাঁত কেলিয়ে আমেরিকার বার বার হুমকি দিচ্ছে, কিন্তু আমেরিকা শুধু "ন্যাড়ি কুত্তার" মত লেজ নাড়িয়ে যাচ্ছে, কারণ উত্তর কোরিয়া মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট রাষ্ট্র নয়।
চীন। আমরা সবাই শান্ত রাষ্ট্র বলে জানি কিন্তু তারা ভিতরে বড় মাপের মুসলিম বিরোধী। উইঘুর মুসলিমদের নির্বিচারে হত্যা, গ্রেপ্তার করে চলেছে কথিত শান্তরুপী চীন। সেখানে মুসলিমদের নাম রাখার উপরও বিধি-নিষেদ দেওয়া হয়েছে।
ভারত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ নামে পরিচিত। কিন্তু তাঁরা কাশ্মিরে কি গণতান্ত্রিক ব্যাবহার না করছে। মুসলিমরা কুরবানি দিবে এটা তাদের ধর্মীয় অধিকার কিন্তু তাতেও বিধি-নিষেদ, গরু কুরবানি দেওয়া যাবে না কারণ গরু তাদের "মা"। কিন্তু আমরা সবাই জানি ভারত ধর্ম নিরোপক্ষ দেশ এখানে সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে পারবে, কিন্তু মুসলিমদের জন্য স্বাধীন নয়।
এভাবে দেখলে, দেখব মুসলিমরা সর্বত্র অাজ অধিকার হননের শিকার, কিন্তু মুসলিমদের এই অবস্থা জন্য কি শুধু মুসলিম বিরোধীরা দায়ী?
হয়তো উত্তর হবে না, কারণ আজ মুসলিমরা নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে লিপ্ত, তাঁরা তাদের ঐতিহ্য ভুলে- ক্ষমতার লোভে মত্ত, তবুও যেন আমার মনে হয়-
বিশ্বে মুসলিমদের প্রতি বড় অবিচার করা হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



