গত তিনদিন ধরে পাকিস্তানের রাজনীতির হালচাল দেখলাম, দেখলাম ব্যার্থ একটি রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ক্ষমতা। যে রাষ্ট্রের প্রতিটি রন্দ্রে রন্দ্রে দুর্নীতি, অনিয়ম সেই রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করতে হল বিচার বিভাগের রায় মেনে, অথচ গণতন্ত্রের নামে ডুব দেওয়া আমাদের দেশের দুই মন্ত্রীর আদলতের রায়ে শাস্তি পাওয়ার পরেও বহাল তরিকতে মন্ত্রী সভায় বসে আছে।
অনেক বলছেন পাকিস্তানের এটি সেনা-বাহিনীর হস্তক্ষেপে হয়েছে। ধরে নিলাম সেনা-বাহিনীর হস্তক্ষেপ ছিল, কিন্তু রায়তো আর ভুল ছিল না,
সেনা হস্তক্ষেপ যদি গণতন্ত্রের চেয়ে জনকল্যান বা রাষ্ট্রের কল্যান হয়, আমি ব্যাক্তিগতভাবে সেনা হস্তক্ষেপ মেনে নিব।
এইবার পাকিস্তানের এই রায়ে সেনা-বাহিনীর হস্তক্ষেপ ছিল বলে আমার মনে হয় না কারণ গত পিপিপি সরকারের আমলে যখন গিলানী সাহেবকে আদলতের রায়ে সরে যেতে হয়েছিল তখন সবাই বলেছিল সেনা-বাহিনী ক্ষমতা নিতে আদলতের মাধ্যমে এই রায় দিয়েছে কিন্তু পরে তা মিথ্যা প্রমাণিত করে পিপিপি সরকার ঠিকই পাঁচ বছর পূর্ন করেছিল।
আমাদের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সিনহা সাহেব যেভাবে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য লড়ছে তাতে তাকে স্যালুট জানাই, জানিনা তিনি "কথিত গণতন্ত্রের" দেশে পারবেন কিনা। যদিও বিচারকদের অপসারণ রায় সরকারের বিপক্ষে দিয়ে এখনও টিকে আছে।
"যেখানে পাইবে ছাঁই উড়িয়া দেখ তাই, পাইলে পাইতে পার অমূল্য রতন" কবির কবিতার মত করে আমাদের সরকারের উচিত বর্বর পাকিস্তানের মধ্যে থেকে বিচার বিভাগ নামক রত্নটা তুলে নেওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



