প্রথমে একজন গড মাদারের কথা দিয়ে শুরু করি- আমি যে এলাকায় বর্তমানে ভাড়া থাকি সেই এলাকার এম,পি বাংলাদেশের একজন নামকরা ব্যাবসায়ী ও একটি বেসরকারী টেলিভিশনের মালিক, এলাকার অনেকে মনে করেন তিনি টাকার জোরে এম,পি নমিনেশন পেয়েছেন আর সেই টাকার জোরেই তিনি এলাকার নামকরা সন্ত্রাসীগুলো নিজের আয়ত্বে নিয়েছেন তাদের মধ্যে একজন অাছেন যিনি এলাকার গড মাদার হিসাবে পরিচিত। বর্তমানে এই মহিলা- ইউনিয়ন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য। তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি এম,পি সাহেবের খুবই কাছের লোক, এম,পি সাহেবের মিটিং-মিছিলের সিংহ ভাগ লোক সে যোগান দেয়। এলাকার তার দুইটা বাহিনী আছে- এক গ্রুপের দায়িত্বে "বাবার" বাজার নিয়ন্ত্রন করা আরেক গ্রুপের দায়িত্ব বিয়ার ও ফেনসিডিল নিয়ন্ত্রণ করা।
এলাকার কিছু লোক মাদক-নিমূল করার জন্য উঠে পড়ে লাগে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যার্থ হয়, কারণ পুলিশ দুই-একজনকে ধরলেও সপ্তাহ খানিকের মধ্যে জামিনে চলে আছে, অনেকে সকালে ধরলে দুপুরের মধ্যে এলাকায় হাজির হয়। পুলিশ কেন এমন করে এই নিয়ে আমি হালকা অনুসন্ধান করি যা উত্তর পাই তা বড় বিচিত্ত। এক পুলিশের সাথে আমার বেশ ভাল সম্পর্ক আছে তাঁর কাছে বিষয়টা নিয়ে কথা বলি- সে বলল-এই ব্যাবসার জন্য থানার বড় কর্তা মাসে দুই লাক্ষ টাকা কমিশন পায়, আমারা পাই হালকা কিছু। তবে তাঁর এক যুক্তি আমাকে খুবই ভাবনায় ফেলে- সে বলল- রাত-দিন কষ্ট করে আসামি ধরি আমরা, অনেক সময় জীবনের রিস্ক নিয়ে ধরতে হয়, ধরার পর তাদেরকে আদালতে হাজির করলে টাকার বিনিময় বিচারক তাদেরকে জামিন দিয়ে দেয়, তাহলে আমরা টাকা নিয়ে ছেড়ে দিলে দোষ কিসে?
আসলে তার উত্তর আমার জানা নেই- আমি আজও বুঝতে পারি না আমাদের সমাজ নষ্ঠের মূল কারিগর কারা---
মুখোশধারী জনপ্রতিনিধিরা, পুলিশ বাহিনী নাকি ভদ্র পোশাকের আবরণে ঢাকা বিচারক-অামলারা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



