somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন ভাল হয়ে যায়।

২১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




হোটেল। অচেনা কোন শহরে একজন পথিকের একটু বিশ্রামের, একটু নিদ্রার জায়গা। হোটেল সর্ম্পকে ছোট থেকে শুনেছি আর বাংলায় সিনেমায় তো প্রায় দেখতাম, বিশেষ করে বাংলায় সিনেমায় ভিলেনদের অবৈধ হীরার লেনদেন করার একটি অবধারিত স্থান ছিল হোটেল।
কিন্তু আমার হোটেল বাস করার সুযোগ আসল অনেক পরে। অষ্টম শ্রেণীতে বৃত্তি দেওয়ার জন্য খুলনা শহরে আসতে হল, শহরে তখন অসংখ্যা আত্নীয় থাকলেও স্যারের অনুরোধে আমার বাবা স্যারের সাথে হোটেলে থাকার অনুমতি দিলেন, স্যারের মেয়েও সে বছর আমাদের সাথে বৃত্তি দিতে এসেছিল। কোহিনুর নামে এক হোটেলে আমরা ছিলাম। তিন দিন-দুই রাতে সেই হোটেল বাস এক চরম অভিজ্ঞতা!! অন্য একদিন হয়তো লিখব।

এরপর কক্সবাজার হোটেলই বেশি থাকা হয়েছে, অন্য অন্য স্থানে খুব কম। কক্সবাজারের কথা বলি, সিজনে এরা গলাকাটা ভাড়া রাখে এই ধরুন গত বছর ১৬ই ডিসেম্বর আমরা একটি কর্টেজে রুম নেই ভাড়া রাখে ৩০০০ টাকা তাও আগে বুকিং দিয়ে ছিলাম বলে, গিয়ে দেখি ৫০০০ পর্যন্ত উঠেছে কিন্তু এই রুমের স্বাভাবিক ভাড়া হল ১০০০-১২০০ মধ্যে। আরো কমেও পাওয়া যায়।

এতক্ষন হোটেল নিয়ে এক কথা বলার কারণ আমার প্রাণের খুলনা শহরের এক হোটেলের জনকল্যামূখী সেবা দেখে সত্যি মনটা ভাল হয়ে গেল। এমনিতেই দেশের কোন ভাল খবর দেখলে চোখে জল চলে আসে তার উপর নিজের শহর হলেতো কথাই নেই।

"হোটেল টাইগার গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল" তিন তারকা হোটেল, টানা পাঁচ বছর ধরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ভর্তি হতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের তারা বিনা মূল্যে থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা করে আসছে। শুধু খাওয়া বা ফ্রি থাকার ব্যবস্থা না হোটেল থেকে নিজেদের পরিবহনে পরীক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছেও দেয় তারা।

খবরটি শুনে সত্যিই মনটা ভরে গেল। বাংলাদেশের প্রতিটি ব্যাবসায়ী যদি এরকম একটু চিন্তা করত! আমরা সত্যি সত্যি মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর হয়ে যেতাম খুব তাড়াতাড়ি, রসিকতা করে বলতে হতো না।

কৃতজ্ঞতা প্রথম আলোর প্রতি, যাদের মাধ্যমে আমার প্রাণের শহরের একটি ভাললাগার বিষয় জানতে পারলাম।



সর্বশেষ এডিট : ২১ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:৩২
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে হেরে যাচ্ছি ০২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪


কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×