somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় উন্নয়নের লক্ষে : ময়মনসিংহ ঘোষণা ১৪২১

০৬ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৩:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
২৪, ২৫, ২৬ এপ্রিল ২০১৪
তিন দিনব্যাপী সাহিত্য বাজার সাহিত্য উৎসব
উদযাপন পর্ষদ এর প থেকে
শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির েেত্র জাতীয় উন্নয়নের লক্ষে
ময়মনসিংহ ঘোষণা ১৪২১


জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনের এক যুগসন্ধিণ, চুলচেরা বিশ্লেষণে-যা ক্রান্তিকাল- সেই সমকালে দাঁড়িয়ে মানুষকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে এক সমূহ ও সর্বাত্মক পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে। এই এগিয়ে যাওয়া জীবনের অনমনীয় প্রয়োজন। বৈশ্বিক মানব প্রজাতির এই পথযাত্রা মূলত: সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রা।
সংস্কৃতি, জীবন জিজ্ঞাসা, জীবনবোধ, জীবন দর্শন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, চিন্তা, জ্ঞান ও বুদ্ধির মুক্তি, সমাজ প্রগতি, প্রকৃতি ও পার্থিব অনুষঙ্গ নিয়ে মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে পথ চলছে। কৃষ্টি ও সভ্যতার উন্মেষলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত এবং সামনে অনন্ত ভবিষ্যৎ পর্যন্ত, পৃথিবীতে যা থাকবে সেটা হচ্ছে মানুষ। সবার উপরে যে মানুষ সত্য। সেই মানুষের নিরন্তর যাপিত জীবন, স্বপ্ন, ইচ্ছা ও অভিব্যক্তি যে কাঠামোয় ভাস্বর তা শিল্প-সাহিত্য; সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ; যা সত্য ও সুন্দরের বিনির্মাণে কালজ কিন্তু সেটাই হয়ে যায় কালোর্ত্তীণ।
পৃথিবীর সময় বাস্তবতা, বর্তমান ও ইতিহাসের ইতিবৃত্ত, মানুষের জ্ঞান বিকাশের প্রয়োজনেই শিল্প ও সাহিত্য বিধৃত হয়। সময়ের অনেক কিছুই হারিয়ে যায়, অনাদিকালের এই বিস্মৃতির মধ্যেও যা থেকে যায় তা শিল্প-সাহিত্য। বাংলা ভাষা-শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিরসেই সমৃদ্ধ অধ্যায় যা অতীতকে বর্তমানে, বর্তমানকে ভবিষ্যতে নিত্যবৃত্ত করে রাখে। সেই অমর কালজয়ী সাহিত্য যা আমাদের সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্যকে বাঁচিয়ে রাখে, তার চর্চা, গবেষণা, বিশ্লেষণ, উৎসাহ ও প্রেরণার েেত্র সাহিত্য উৎসব এক আনুষ্ঠানিকতা মাত্র নয়, তা প্রাণবন্ত সাহিত্যসেবী ও সংস্কৃতিজনের মিলনমেলায়।


ব্রহ্মপুত্রনদের তীরে কবি ও কবিতার শহর, আশ্চর্য শিল্পের, শিল্পাচার্যের শহর, সংস্কৃতি নগরী ময়মনসিংহ- মৈমনসিং গীতিকার পটভূমি ময়মনসিংহ। হাজার বছরের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির সুবর্ণরেখা ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় এই জনপদ বাংলা ভাষা ও বাঙালির সংস্কৃতির এক ঐতিহাসিক পটভূমির বিশাল ক্যানভ্যাস। বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীর সন্তানেরা এখানে কাব্য প্রান্তরে সমবেত এক যুগ-যুগান্তের কিংবদন্তি।
১৪২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখে ময়মনসিংহে আজকের এই উৎসব অনুষ্ঠানে সমবেত সুধী;
সাহিত্য বাজার সাহিত্য উৎসব এর এই মিলন মেলায় ৩দিন ৩ রাতের কথামালা, কবিতা ও কাহিনীতে আপনাদের চিন্তা ও চেতনার মননশীলতা ও প্রজ্ঞার যে শৈল্পিক উচ্চারণ তার সমীকরণ থেকেই আজ আমরা বিনির্মাণ করছি – ময়মনসিংহ ঘোষণা ১৪২১।
ময়মনসিংহ ঘোষণা ১৪২১ শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক সম্মেলনের প্রস্তাবনা; যা সমবেত কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পী ও সংস্কৃতিজনের আশা-আকাঙ্খার অভিব্যক্তি। এ ঘোষণা করতে পেরে আমরা আনন্দিত, গর্বিত কেননা এর মাধ্যমে আমরা সম্মিলিতভাবে বিনির্মাণ করেছি আমাদের চেতনার সনদ। যা ময়মনসিংহ ঘোষণা নামে আখ্যায়িত। যা ময়মনসিংহ অঞ্চলের শিল্প-সংস্কৃতি-সাহিত্যের দিগন্তে অনিবার্য এক উচ্চারণমালা; যার দ্যুতি আমাদেরকে করবে আলোর পথযাত্রী। অন্ধকারের বিরুদ্ধে, অনিশ্চয়তা, অসুন্দর ও অমঙ্গলের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ ঘোষণা – কবি সাহিত্যিক সংস্কৃতিজনদের আন্দোলন। যা সংস্কৃতির অগ্রযাত্রাকে অবারিত করার এক অঙ্গিকার।
ময়মনসিংহ ঘোষণা শুধু ময়মনসিংহের নয়, এটি জাতীয় শিল্প-সাহিত্যের জন্য সব মানুষের সার্বজনীন অঙ্গিকার। জাতীয় মূল্যবোধ থেকে বিচার্য, রাষ্ট্রীয়ভাবে যা বিবেচনার এক ব্যাপকতম দাবি। যা কাঙ্খিত নীতির প্রতি সর্বোচ্চ তাগিদ এবং রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের প্রতি এক আহবান। ময়মনসিংহ ঘোষণা এক প্রত্যাশা, এক নির্দেশনা যা শিল্প-সাহিত্যের জন্য এক অনিবার্য প্রয়োজনীয়তা।
সমাজ-রাষ্ট্র-রাজনীতির সাথে শিল্প-সাহিত্যের সম্পর্ক হচ্ছে – শিল্প-সাহিত্যই সময়কে ধারণ করে, মননকে লালন করে এবং ইতিহাসকে সঞ্চালিত করে। শিল্প-সাহিত্যকে উপো করা সম্ভব নয়। এর প্রতি উদাসীনতাও অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্খিত। তাই শিল্প-সাহিত্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব স্বীকার করতে হবে।
সমবেত সৃজন ও মননশীল সমাবেশ; আপনাদের সকলের অংশগ্রহণ, সুচিন্তিত বক্তব্য, চিন্তা ও প্রস্তাবনা থেকে এই ঘোষণা – তাই আপনারা এই ঐতিহাসিক ঘোষণার ধারক, বাহক, সম্প্রচারক। ময়মনসিংহ এই প্রথম এক ঘোষণাপত্র প্রকাশ করলো যা জাতির সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ময়মনসিংহ ঘোষণার মূলকথা বা সিদ্ধান্ত প্রস্তাব হচ্ছে – শিল্প-সাহিত্যকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্ব প্রদান করার জন্য সংবিধিবদ্ধ উদ্যোগ গ্রহণ। যা জরুরি ও জনগুরুত্বপূর্ণ।


এক্ষেত্রে -
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে শিল্প-সাহিত্যের জন্য স্বকীয় অধিদপ্তর খুলতে হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বাজেটে শিল্প সাহিত্যের জন্য সুস্পষ্ট অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে।
দেশের শিল্প-সাহিত্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা েেত্র উপেতি। এই মাধ্যমে সম্পৃক্তদের জন্য প্রণোদনা নিশ্চিত করতে হবে এবং শিল্প-সাহিত্যের উন্নয়ন ও বিকাশে যথাযথ কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
দেশব্যাপী সাহিত্য ও শিল্পকলা চর্চায় সরকারী উদ্যোগকে সম্প্রসারিত করতে হবে। সাহিত্য ও জাতীয় ইতিহাস চর্চার উপর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বারোপ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রত্যেক উপজেলায় একজন করে সংস্কৃতি কর্মী/সংগঠক পর্যায়ের ব্যক্তিত্বকে উপজেলা সংস্কৃতি কর্মকর্তা পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
প্রত্যেক উপজেলায় গণগ্রন্থাগার স্থাপন করে সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে – বইপড়া ও লাইব্রেরি বিকাশকে সামাজিক আন্দোলনে ছড়িয়ে দিতে হবে। তথ্য-প্রযুক্তির সাথে লাইব্রেরী আন্দোলন ও শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির সমন্বয় ও যোগসূত্র স্থাপন করা জরুরি। নতুন প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও জ্ঞানবিকাশে শিল্প-সাহিত্য চর্চা ও বইপড়াকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। গ্রন্থালোকিত জীবন, আলোকিত মানুষ গড়ার পূর্বশর্ত। শহর ছাড়াও গ্রামপর্যন্ত বইপড়া আন্দোলনের ব্যাপ্তিকে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং স্কুল-কলেজের শিার্থীদের প্রত্যেকের দেশ ও মানবিক চেতনার ১০টি গান, কবিতা, ৩টি উপন্যাস, ৩টি গল্প গ্রন্থ ও ৫টি প্রবন্ধ পাঠের অভিজ্ঞতা ও দতাকে মূল্যায়ন করতে হবে। একে একটি আন্দোলনে রূপ দিতে হবেÑ দেশব্যাপী তা মডেল হিসাবে ছড়িয়ে দিতে হবে।
সংস্কৃতির মৌল-মানবিক ও প্রগতির চেতনাকে ছড়িয়ে দিতে সারাদেশে গ্রামভিত্তিক সাংস্কৃতিক গণসংগঠন তৈরিতে সহায়ক উদ্যোগ ও ভূমিকা পালন প্রয়োজন।
ঐতিহ্যিক, ঐতিহাসিক শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির উল্লেখ্যযোগ্য অর্জনকে স্বীকৃতি প্রদান, সংরণ, ধারণ করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ আবশ্যক।
সারাদেশের জাতীয় আলোচনা অনুষ্ঠান বা মঞ্চে কবি-সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক কর্মীদের মতামত প্রকাশের অবকাশ প্রয়োজন। জাতীয় পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যন্ত/তৃণমুল পর্যন্ত এই অন্তর্ভূক্তিকে বাধ্যতামূলক করা। বিভিন্ন কমিটিতে কবি-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
প্রত্যেক জেলায় রাইটার্স বিল্ডিং নির্মাণ করে কবি-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিকর্মীদের মিলনস্থল হিসেবে গড়ে তোলা।
তৃণমূলে সাহিত্যের ও গবেষণার সংকলন, বা অন্যান্য প্রকাশনায় সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রকাশনা শিল্পের জন্য উৎসাহ প্রদান প্রয়োজন।
দুস্থ-বঞ্চিত লেখক-শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীদের প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা প্রদান এবং সরকারী উদ্যোগে তাদের গ্রন্থ প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালকে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় কলা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ের তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
বাংলা সাহিত্যের অমর আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশ এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বরিশালে শিল্প-সংস্কৃতি কেন্দ্রিক একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক।
রাষ্ট্রীয়ভাবে ময়মনসিংহকে শিল্প-সংস্কৃতির রাজধানী ঘোষণা করে ময়মনসিংহ কেন্দ্রিক শিল্প-সংস্কৃতির চর্চার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এই জনপদে জন্মগ্রহণকারী বাংলাকাব্যের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীসহ সাহিত্যের কালজয়ীদের স্মৃতি সংরণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
ময়মনসিংহ শহরের কাজী নজরুল ইসলাম সড়কটিকে সংস্কৃতিপল্লী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে; এই সড়কে অবস্থিত ময়মনসিংহ সাহিত্য সংসদ ভবন ও জায়গার সংকট সমাধান করতে হবে।
ময়মনসিংহে লোককৃষ্টি গবেষণা ও ফোকলোর একাডেমী করতে হবে।
সাহিত্যের সাথে জীবনধারা সম্পৃক্ত, জীবনের সাথে প্রকৃতি। ময়মনসিংহের প্রকৃতিকে বাঁচাতে আশু পদপে গ্রহণ করতে হবে ‘ব্রহ্মপুত্র বাঁচাবার’।
সাহিত্যে জীবন উঠে আসে। জীবনে প্রভাব ফেলে সাহিত্য। সাহিত্য মানুষের অমর সৃষ্টি। রাজনীতি ও মানুষের মুক্তির প্রেেিত সাহিত্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রসদায়িক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম বিকাশে সাহিত্যই হচ্ছে অনমনীয় হাতিয়ার। তাই মানুষকে জাগিয়ে তুলতে সাহিত্যের আলোকে হতে হবে অবারিত। বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ বিকাশে সাহিত্য আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে সাংস্কৃতিক বিপ্লব প্রয়োজন, কারণ সংস্কৃতিই হচ্ছে মানুষের ল্য। সে লে পৌঁছাতে উপল্য হিসেবে শুদ্ধ রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে সমাজকে বিকশিত করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে শিল্প-সাহিত্যের কোন বিকল্প নেই। তাই জাতীয় পর্যায়ে শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা ও বিকাশের অন্তরায়ের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম জোরদার করে কবি, সাহিত্যিক, লেখক, পাঠক, বুদ্ধিজীবি, সংস্কৃতিজন সবার সামনে এক সুন্দর আগামীর স্বপ্নবুননের েেত্র রয়েছে যে দায় – সমাগত সুধি, ময়মনসিংহ ঘোষণা সেেেত্র হয়ে উঠুক শুভবুদ্ধি ও উদ্যোগের সূচনা।

ময়মনসিংহ ঘোষণায় আমরা সাহিত্য উৎসবকে সফল করতে যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদেরকে সাহিত্যবান্ধব খেতাব প্রদান করছি। যাদের অংশগ্রহণে এ উৎসব সফল হয়েছে তাদের প্রশংসা করছি। আর সাহিত্য বিদ্বেষী যারা এ উৎসবকে অসহযোগিতা করছেন তাদের জন্যও শুভ কামনা জানাচ্ছি। এ ঘোষণা সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি খসড়া যার পূর্ণতায় আপনার ভূমিকা ও চিন্তাও সম্পূরক। সাহিত্য উৎসব উদযাপন পর্ষদ সকল ক্রটি-বিচ্যুতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে আর উৎসবের সাফল্য উৎসর্গ করছে আপনাদের প্রতি যারা এই ঘোষণার প্রতিটি উচ্চারণের নেপথ্যে রেখেছেন বিমূর্ত কণ্ঠস্বর। আবার দেখা হবে বারবার সাহিত্য উৎসবে, ময়মনসিংহে কিংবা অন্য কোথাও।
ধন্যবাদ।

স্বাধীন চৌধুরী
সমন্বয়ক
সাহিত্য বাজার উৎসব উদযাপন পর্ষদ ২০১৪
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৩:২৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×