somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শায়লার পরকীয়া এবং কিছু কথা..........................

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকার উত্তরায় বসবাসরত প্রবাসীর স্ত্রী শায়লা আমীনকে প্রায়ই তার একমাত্র মেয়েসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে দেখা যায়। তার সারাদিনের কাজের মধ্যে অন্যতম কাজ হল, তার ৬ বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া এবং নিয়ে আসা। এই যাতায়াতের প্রাক্কালে শায়লা প্রায় লক্ষ্য করেন, একজোড়া উৎসাহি চোখ তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। প্রথম দিকে বিষয়টি তেমন আমলে না নিলেও পরবর্তিতে যখন সেই একজোড়া তাকে সর্ববস্থায় অনুসরন করতে থাকে তখন শায়লা আমীন সেই জোড়া চোখের অধিকারীর প্রতি কিছুটা বিরক্তি এবং কিছুটা কৌতূহল বোধ করতে থাকে। সেই জোড়া চোখের অধিকারী তেজদিপ্ত তরুন চেহারা তাকে মুগ্ধ করে। একদিন মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাবার সময় তাড়াহুড়ো করে একটি বাসে উঠে বসলেন। প্রচন্ড ভড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে শায়লার ভীষন অসস্থি লাগতেছিল। সেই সময় একজন আসন ছেড়ে বলে উঠল, আপনি এখানে বসুন। সেই লোকটির দিকে তাকাতেই শায়লা চমকে উঠল। এ যে সেই জোড়া চোখের অধিকারী। শায়লা আমীন তার মেয়েকে কোলে নিয়ে সেই আসনে বসে পড়ল। আর তার ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে আছে সেই মানুষটি। বাসের প্রচন্ড ভীড়ের মাঝেও লোকটি একবার শায়লার দিকে এগিয়ে এসে বলল, আমি ইশতিয়াক! উত্তরায় থাকি। ভদ্রতার খাতিরে শায়লা বলল, আমি শায়লা আমীন। আমিও উত্তরায় থাকি। সেদিন এটুকুতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

পরের সপ্তাহে মেয়েকে নিয়ে আড়ং এর শো-রুমে গেলেন কিছু কেনাকাটা করার জন্য। হঠাৎ একজন বলল, আপনি এখানে! শায়লা পিছন ফিরে দেখল সেদিনের সাহায্যকারী সেই তরুন ছেলেটি। এখনও সে কৌতূহলী চোখে শায়লার দিকে তাকিয়ে আছে। শায়লা বলল, মেয়ের জন্য কিছু কেনাকাটা করার জন্য বের হয়েছি। ইশতিয়াক নিজেই বলল, আমিও হালকা কিছু কেনার জন্য এসেছি। এরপর ইশতিয়াক বলল, চলুন না কোথাও গিয়ে বসি। শায়লা বলল, ঠিক আছে চলুন। তার নিকটবর্তি একটি কফি শপে বসল। ইশতিয়াক আগ বাড়িয়ে নিজের কথা বলতে লাগল। সে একটি কর্পোরেট অফিসে চাকরি করতেছে। উত্তরায় কয়েকজন বন্ধু মিলে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। ইশতিয়াকের স্মার্টনেস এবং উৎসুক চেহারা শোয়লাকে মুগ্ধ করে। ফেরার সময় ইশতিয়াক বলে, আমি কি আপনার মোবাইল নাম্বারটা পেতে পারি? শায়লা হেসে বলল, অবশ্যিই। শায়লা নিজের নাম্বরাট বলল, আর ইশতিয়াক নিজের মোবাইলে নাম্বারটা তুলে ডায়াল করল। শায়লার ফোনে কলার রিং বেজে উঠলে ইশতিয়াক বলে এটা আমার নাম্বার। এভাবেই তাদের প্রথম সাক্ষাতের দিনটি শেষ হয়।

এরপর প্রায়ই ইশতিয়াক শায়লাকে কল দিতে থাকে। স্বামী প্রবাসে থাকার কারণে নিঃস্বঙ্গ পুরুষহীন শায়লারও ইশতিয়াকের সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগতে শুরু করে। এভাবে প্রথমে তাদের মাঝে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর তাদের মাঝে মোবাইলে কথা বলা এবং সাক্ষাতের পরিমানও বাড়তে থাকে। এভাবে চলতে চলতে শায়লা কখন যে ইশতিয়াককে ভালোবেসে ফেলেছে সে নিজেও তা বুঝতে পারেনি। শায়লার পুরুষহীন জীবনে ইশতিয়াক নতুন প্রাণের দোলা দিতে থাকে। এক সময় তারা দু’জনে গভীর থেকে গভীরতর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ল। শায়লার মেয়ে স্কুলে চলে গেলে ইশতিয়াক শায়লার বাসায় চলে আসত। এভাবেই তাদের সম্পর্কটা পরকীয়ার দিকে এগোতে লাগল। তারা প্রায়ই যৌন সম্পর্কে জড়াত। এখন তাদের বসবাস অনেকটা স্বামী স্ত্রীর মত। আর এই সম্পর্ক তৈরী হবার পর ইশতিয়াক প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে শায়লার কাছ থেকে টাকা নিতো। শায়রা ভাবতো, ইশতিয়াক আমাকে ভালোবাসে। তাছাড়া সে আমার চাহিদা পূরণ করতেছে। তাই ওর বিপদে আমি সাহায্য করতেই পারি। এভাবে চলতে চলতে একদিন শায়লার স্বামী বিদেশ থেকে দেশে চলে আসল। আর এ কারণে শায়লার সঙ্গে ইশতিয়াকের যোগাযোগটাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। যার কারণে ইশতিয়াক সোনার ডিম পাড়া হাসের কাছেও যেতে পারছে না এবং নিজের প্রয়োজনে টাকাও নিতে পারছে না। শায়লার স্বামী প্রথমে ভেবেছিল দুই মাস পর আবারও বিদেশ চলে যাবেন। কিন্তু কী একটা ঝামেলার কারণে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। তিনি আর বিদেশ যাবেন না। এখন দেশেই ব্যবসা শুরু করবেন।

শায়লার স্বামীর এরূপ সিদ্ধান্ত পরবির্তনের কারণে শায়লা খুব চিন্তিত হয়ে পড়ল। একদিকে তার স্বামী সন্তান। আর অন্যদিকে তার প্রেমিক ইশতিয়াক। শায়লা অনেক ভেবে চিন্তে ইশতিয়াককে একদিন কফি শপে আসতে বলল। কফি শপে দেখা করে, শায়লা ইশতিয়াককে সব কথা খুলে বলল। তারপর বলল, তোমার সঙ্গে আমার আর যোগাযোগ রাখা সম্ভব নয়। ইশতিয়াক হঠাৎ করেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠল। কেন সম্ভব নয়? তোমাকে সম্পর্ক রাখতেই হবে! আর যদি সম্পর্ক না রাখো তা হলে তোমার আমার গোপন ভিডিও তোমার স্বামীর হাতে পৌছে যাবে! এ কথা শুনে শায়লার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। সে এতোদিন কাকে ভালোবেসেছে! শায়লা বলল, তুমি কি চাও? ইশতিয়াক বলল, আমার ৫০ লাখ টাকা লাগবে। শায়লা বলল, তুমি কি এই টাকার জন্যই আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেছো! ইশতিয়াক বলল, হ্যা! এখন টাকা না দিলে তোমার সংসার টিকতে দিবো না! শায়লা কাঁদতে কাঁদতে বলল, তোমার যা ইচ্ছা হয় কর! এরপর ইশতিয়াক শায়লার স্বামীকে মোবাইলে কল দিয়ে সব কথা বলে। আর এও বলে আমাকে ৫০ লক্ষ টাকা না দিলে আপনার স্ত্রীর গোপন ভিডিও আমি ইন্টারনেটে ছাড়িয়ে দিবো। শায়লার স্বামী বিষয়টা শায়লাকে জিজ্ঞেস করলেন। শায়লাও স্বীকার করে নিলো। শায়লার স্বামী ইশতিয়াককে ৫০ লক্ষ টাকা দিল সেই সঙ্গে শায়লাকেও তালাক দিয়ে দিলো। এখন শায়লার জীবন সম্পূর্ন নিঃসঙ্গ। এখন তার জীবনে না আছে ইশতিয়াক না আছে তার স্বামী আর না আছে তার মেয়ে! (একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে)

আজকে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে ভারতেরও এমনি একটি পরকীয়া সম্পর্ক চলতেছে। যে সম্পর্কে বাংলাদেশ শায়লার ভূমিকায় ভারত ইশতিয়াকের ভূমিকায় এবং বাংলাদেশের জনগণ শায়রার স্বামীর ভূমিকা পালন করে আসছে। ক্ষমতায় রাখার বদলতে ভারত একের পর সুবিধা আদায় করে নিচ্ছে। সেই পরকীয়া সম্পর্কের জোরে সমুদ্র সীমা, ট্রানজিড, টিপাইমুখ বাঁধ, নদীর পানি, সমুদ্র বন্দর এবং সর্বশেষ বেন্ডউইথ ইন্টারনেট গ্রহণ করল ভারত। কিন্তু বিনিময়ে শায়লার শুধুমাত্র জৈবিক চাহিদা পূরনের মত আওয়ামিলীগকে ক্ষমতায় বসিয়ে রেখেছে ভারত।

ভারতের সমস্ত টিভি চ্যানেল বাংলাদেশের ক্যাবল সিষ্টেমে চললেও বাংলাদেশের একটি চ্যানেলও ভারতের আকাশসীমায় ছাড়পত্র পায় না। এতে করে সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছে বলে এক শ্রেণীর আবালরা বললেও কিন্তু প্রায়ই শাহবাগের মোড় অথবা টিএসসি চত্বরে হাতে প্ল্যাকাড নিয়ে কোন কোন মধ্যবয়সী তরুনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। যেখানে লেখা থাকে, ষ্টার জলসা,জি বাংলা বন্ধ কর বাংলাদেশের পরিবার রক্ষা কর। সবাই বলে লাভ নেই! কে শুনবে কার কথা! নাহ! এবার মনে হয় কথা শুনবে! কারণ এবার ষ্টার জলসা নয় জঙ্গিবাদের ধোঁয়া তুলে ভারতীয় ইসলামীক চ্যানেল পিস টিভি বন্ধ করার পায়তারা চলছে। অবস্থাটা মাথা ব্যথার কারণে পুরো মাথাটাকেই কেটে ফেলা

আমাদের পাশ্ববর্তি রাষ্ট্র নেপাল যেখানে সমস্ত ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ করে দিতে পারে, সেখানে বাংলাদেশ কেন সেই কথা ভাবতেও পারে না? নেপাল যে বাংলাদেশের তুলনায় খুব বেশি সমৃদ্ধ তা নয়। সমরেশ মজুমদারের “আট কুঠুরি নয় দরজা” উপন্যাসটি পড়লে নেপালের রাজনীতি সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা পেয়ে যাবেন। আজকে যদি জঙ্গিবাদের ধোঁয়া তুলে পিস টিভির সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ করাই হয় তাহলে ভারতের সমস্ত চ্যানেলের সম্প্রচারও বাংলাদেশে বন্ধ করে দিতে হবে! আজকে পিস টিভির সম্প্রচার বন্ধের কথা উঠতে একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। ভিক্টোরিয়া যুগের বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী মিঃ গ্লাডষ্টোন একটি কুরআন হাতে নিয়ে নিয়ে House of Commoons এর সদস্য গণকে বলেন, “মুসলিমদের নিকট যতদিন এই গ্রন্থ বর্তমান থাকবে ততদিন পৃথিবীর বুকে আমরা আধিপত্য ও নিরাপত্তার সাথে থাকতে পারবো না। পিস টিভি বন্ধ করার কথা বলে সরকার যেন সেই কথারই পূর্নবতারনা করছেন।

পরকীয়াটা যে এক পাক্ষিক তা ক্রিকেটের দিকে তাকালেই বোঝা যায়! বাংলাদেশ টেষ্ট ষ্ট্যাটাস পাওয়ার ১৫ বছর হয়ে গেল কিন্তু আজ অবধি ভারতে বাংলাদেশকে নিজের দেশে খেলার জন্য আমন্ত্রন জানালো না। আগামী পাঁচ বছরেও সেই সম্ভাবনা নেই। আর বাংলাদেশের টেষ্ট ষ্ট্যাটাসের পাওয়ার বিরোধীতা করে যারা গলাবাজি করেছিল তাদের মধ্যে কিন্তু এই ভারতই অন্যতম। বাংলাদেশে চলছে বিপিএল। যেখানে ক্রিস গেইল, তিলকারাত্নে দিলশান, কুমার সাঙ্গাকারার মত তারকা ক্রিকেটাররা খেললেও ভারতের দ্বিতীয় ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদেরকেও বাংলাদেশের লীগে খেলার ছাড়পত্র দেয়া হয় না।

শায়লার মত অন্ধভাবে পরকীয়া করে গেলে শেষ পর্যন্ত সরকারকে শায়লার পরিনতিই বরণ করতে হবে। নিজের অধিকারটুকু আদায় না করে সব দিয়ে দিলে পরবর্তিতে দেবার মত আর কিছুই থাকবে না। তখন ভারতও আজকের ক্ষমতাধরদের ডাষ্টবিনের সর্বনিম্নে ছুড়ে দিতে কুন্ঠাবোধ করবে না। যেখানে থাকবে না ক্ষমতা, থাকবে না প্রটোকল, থাকবে না ক্ষমতার বাহাদূরি!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৫০
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৫ আগস্ট-পরবর্তী ৩ দিনের বাংলাদেশ-

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯



৫ আগস্ট-পরবর্তী ৩ দিনের বাংলাদেশ-

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর বাংলাদেশ জুড়ে যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, তার ক্ষয়ক্ষতি ছিল ব্যাপক ও বহুমাত্রিক। সংবাদমাধ্যম ও তদন্তকারী সংস্থাগুলোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি।

লিখেছেন সুম১৪৩২, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




আমি আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি।

সিদ্ধান্তটা গতকাল নিইনি। অনেক দিন ধরে একটু একটু করে নিয়েছি।

আজ শুধু বাস্তবায়ন করতে বের হয়েছি।

ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বিদ্যুৎ ছিল না।

আমি এমন এক জায়গায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×