আইএস/আইএসাইএল সন্ত্রাসীদের উৎপত্তি হয়েছিল সিরিয়া থেকে বাসার আল-আসাদকে উৎখাত করার জন্য। সেখানে প্রায় ৩ বছর সিরিয়ান বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে এই সন্ত্রাসী গোষ্টিটি যা এখনও চলছে। জি সি সি এর অন্তর্গত সৌদি-আরব, কুয়েত,আরব-আমিরাত এছাড়াও ফ্রান্স, তুরস্কসহ ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলি অ্যামেরিকা,অস্ট্রেলিয়া এসময় ফ্রেন্ডস অফ সিরিয়ার নামে এদের সহায়তা দিতে শুরু করে। এক্ষেত্রে তারা তুরস্কে সন্ত্রাসীদের সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য সামরিক প্রশিক্ষক পাঠায়, আর্থিক সুবিধা, আস্ত্র, জিবানু অস্ত্র, ভারী অস্ত্রের বদবস্ত করে, এমনকি এসব দেশ থেকে বেকার যুবকদের ১৫০০ ডলার মাসিক বেতনে এই মিশনে যুক্ত করা হয়। কিন্তু রাশিয়া আর চীনের বাঁধায় নিজেরা সামরিক অভিযানে যেতে পারে না। সিরিয়া সরকার ইরান, রাশিয়া আর হিজবুল্লাহদের সহায়তায় এই সন্ত্রাসীদের দমন করে। প্রায় ২ লক্ষের বেশী মানুষ মারা যায় এই সংঘাতে।
বর্তমানে আইএস/আইএসাইএল সন্ত্রাসীরা সিরিয়াতে তেমন সুবিধা করতে না পেরে ইরাকে ঢুকে পরে। ইরাকে ঢুকেও তাদের বর্বরতা শুরু করে দেয়।এমনকি ইরাকের ২য় বৃহত্তর শহর মসুল দখল নেয় তারা ইরাকি জেনারেলদের হাত করে প্রায় বিনা যুদ্ধে। এর পর একে একে এরা ইরাকের তেল ক্ষেত্রগুলোর দখল নিতে শুরু করে। যা তাদের আর্থিক সাক্ষমতা অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়। কিছুদিন পর ইসলামী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠা ঘোষণার মাধ্যমে নওমুসলিমদের বিভ্রান্ত করে তাদের দলের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে। এদিকে অ্যামেরিকা ইরাকে তাদের প্রভাব বজায় রাখার জন্য লোক দেখানও বিমান হামলা শুরু করলে এই সন্ত্রাসীরা আমেরিকান নাগরিক সহ খ্রিস্টান ও অন্য ধর্মের অনুসারীদেরও হত্যা করতে শুরু করে, যা পশ্চিমা বিশ্বের জন্যও হুমকির কারন হয়ে দেখা দেয়। এই মুহূর্তে আইএস/আইএসাইএল সন্ত্রাসীদের দমনের জন্য তাদের জন্মদাতা শক্তিরাই কৌশল নির্ধারণে বেস্ত হয়ে পরেছে যেহেতু এই সন্ত্রাসীরা এখন তাদের লাগামের বাহিরে চলে গিয়েছে। হয়ত কিছু দিনের মধ্যে আইএস /আইএসাইএল সন্ত্রাসীদের দমন সম্ভব হবে কিন্তু 2 টি দেশের প্রায় 20 লক্ষ মানুষ যে হতাহতের শিকার হল বা হচ্ছে তার দায়ভার কি কেউ নিবে ? নাকি নতুন কোন সংঘাতে অস্ত্র ব্যাবসায়িদের এই ঘৃণ্য ব্যাবসায় আরও অনেক প্রান অকালে ঝরে যাবে?????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




