কাল অথবা পরশু থেকেই আমাদের ঈদ। সুতরাং এই বিষয়ের বাহিরে আর কিছুই আপাতত
ভাবতে চাইছিলাম না। কিন্তু পারলাম না। সকাল থেকেই একটি ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে একজন ব্যাক্তি আমাদের জাতীয় পতাকার ওপর নামাজ পরছেন। ঘটনার
সময়কাল ও স্থান হল দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে বাংলাদেশের খেলা চলাকালিন সময়ে স্টেডিয়াম।
বিষয়টি এখানেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারত কিন্তু না নাস্তিক ভাবধারার অনুসারী ও বামপন্থী কুলাঙ্গার
বাপ্পাদিত্য বসু ওই ছবি ফেসবুকে দিয়ে ওই লোকের ফাসি দাবি করেছে।

একটি বিষয় লক্ষণীয় স্টেডিয়ামে নাম না জানা বাক্তিটি কিন্তু খোলা জায়গায় কোন জায়নামাজ না পেয়ে
তার কাছে থাকা জাতীয় পতাকাকেই সব থেকে পবিত্র মনে করে নামাজ আদায় করেছে। নামাজ পড়ার
প্রধান সর্ত হল নামাজ পড়ার স্থান পবিত্র হতে হবে। সুতারাং এখানে জাতীয় পতাকাকে কোন ভাবেই
অসন্মানিত করা তো দুরের কথা বরং পবিত্র হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
কিন্তু নাস্তিক কুলাঙ্গার বাপ্পাদিত্য বসু পবিত্র আর অপবিত্র জিনিসের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারারই কথা।
একজন ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকের কখনোই একজন মসুলমানকে নামাজরত অবস্থায় দেখতে পেরে ভালো
লাগবে না সেটাই স্বাভাবিক। মজার লজিক খেয়াল করুন জাতীয় পতাকাকে কুকুরের গায়ে জড়ালে এদের
খারাপ লাগে না



কিন্তু পবিত্র জায়নামাজ হিসাবে ব্যাবহার করলে এদের সহ্য হয় না!! পরিশেষে একটি উক্তি
দিয়ে শেষ করি “কুকুরের পেটে ঘি সহ্য হয় না।”
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




