আজ আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন জঙ্গি কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম
রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নেবে সরকার। একই সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে।
আচ্ছা যখন আমাদের কথিত বন্ধু দেশে হামলা হয়েছিল তখন কি তারা আমাদের
সাহায্য নিয়েছিল? তারা যদি আমাদের সাহায্য না পছন্দ করে তবে কেন তাদের
বাহিনীকে আমরা আমন্ত্রন জানাচ্ছি!
এখন আমরা কি ধারনা করতে পারছি কি হতে চলছে! অ্যামেরিকান ড্রোন অথবা
ইন্ডিয়ান আর্মি আমাদের দেশে যখন তখন কথিত সহায়তার নামে যেকোন স্থানে
হামলা চালানোর অনুমতি পেতে যাচ্ছে। আর অন্যদিকে গুলজার আহাম্মেদ আর
বাবুল আক্তারদের মতন সৎ জঙ্গি বিরোধী অফিসারদের জন্য শুধুই এক বুক হতাশা!
আমি মনে করি এর থেকে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ টীমের সহায়তায় বরং জঙ্গিবাদ
প্রতিরোধে সেল গঠন করলে বরং আমাদের ভাল হবে। কারন খোদ আমেরিকার
সেনারা যখন গড়ে ৯ ঘণ্টা সময় নেয় জিম্মি উদ্ধারে তখন আমাদের সেনাদের সময়
লাগে মাত্র ১৩ মিনিট। সুতরাং আমাদের সেনাবাহিনী তাদের থেকে সেরা।
আর অহেতুক খাল কেটে কুমির ডেকে আনবার কোন কারন দেখি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

