
ছবিতে একটি আহত বাচ্চাকে কোলে নিয়ে যাকে ছুটতে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন আলোকচিত্রী আবদ আলকাদার হাবাক।
সম্প্রতি সিরিয়ায় গাড়িবোমা হামলার ঘটনার ছবি তুলতে গিয়ে এই সাংবাদিক বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মতন দারুন দারুন এঙ্গেলে ছবি তুলে নিজেকে তুষ্ট রাখতে পারেন নাই বরং আহতদের জীবন রক্ষাকে নিজের পেশার থেকে বড় করে দেখেছেন।
বিরূপ কোনো পরিস্থিতিতে একজন ফটোসাংবাদিক আগে ছবি তুলবেন, নাকি দুর্গতকে সহায়তা করবেন? এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই।
হাবাক বলেন, তিনি প্রথম যে শিশুর কাছে এগিয়ে গিয়েছিলেন, সে তখন প্রায় আধমরা। এরপর তিনি দৌড় দেন আরেকজনের কাছে। শিশুটি কোনোমতে শ্বাস নিচ্ছে। প্রাণ আছে। দ্রুত তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে অ্যাম্বুলেন্সের উদ্দেশে ছোটেন। তখনো তাঁর হাতে ঝোলানো সচল ক্যামেরা এই ধ্বংসযজ্ঞ রেকর্ড করে চলেছে।
তিনি অ্যাম্বুলেন্সে যে আহত শিশুটিকে নিয়ে গেছেন, তার বয়স ছয় বা সাত বছর। তবে সে বেঁচে আছে কি না, তা তিনি জানেন না। এরপরই তিনি অন্য আহত ব্যক্তিদের সাহায্যে ছুটে যান। আরেকটি শিশুকে উদ্ধার করতে এসে দেখেন সে মৃত। এ সময় ওই শিশুর পাশে হাঁটু গেড়ে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন হাবাক।

স্যালুট জানাই জনাব হাবাককে সব সাংবাদিকের যদি আপনার মতন মানবতা বোধ থাকত তবে অধিকাংশ অসহায় লোককে রক্ষা করা সম্ভব হত।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



