গতকাল ইরানের হজযাত্রীদের প্রথম দল পবিত্র মদীনা শহরে পৌঁছায় এবং বিমানবন্দরে তাদেরকে ফুল ও তাজা খেজুর দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিজাভি-সহ ইরান এবং সৌদি আরবের হজ বিষয়ক কর্মকর্তারা। এ সময় সৌদি কিশোররা ফুলের তোড়া ও খেজুর দিয়ে ইরানি হজযাত্রীদেরকে স্বাগত জানায়।
সৌদি মন্ত্রী বিজাভি বলেন, ইরানি হজযাত্রীদের দেখে তিনি খুশি এবং তিনি আশা করেন, ইরানের লোকজন ওমরাতেও ফিরবেন।
কয়েকদিন আগে তেহরান ঘোষণা করেছে, এ বছর ইরান থেকে ৮৬ হাজার ৫০০ ব্যক্তি হজে যাবেন এবং তাদেরকে বহন করবে বিমানের ৩৩৫টি ফ্লাইট। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হজ বিষয়ক প্রতিনিধি আলী কাজী আসগর বলেছেন, হজ বিষয়ক চুক্তির প্রতি সৌদি আরবের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে বলে তিনি আশা করছেন।
গত বছর যখন সৌদি ইরান দন্দে ইরানী কোন নাগরিক হজে যেতে পারেন নাই। সেই ইরানিরা এবার সৌদি প্রশাসনের কাছ থেকে সংবর্ধনা পাচ্ছেন। বিষয়টি বেশ ভালো কিছুর ইঙ্গিত বহন করে। না এবার শিয়া বা সুন্নি কোন প্রসঙ্গ আসে নাই। এক মুসলিম দেশে অন্য একটি মুসলিম দেশের ভাইয়েরা পবিত্র হজ পালন করতে এসেছেন একে অপরকে আপন করে নিচ্ছেন এর থেকে সুন্দর দৃশ্য আর কি হতে পারে।
আজকের আরও একটি খবর "সৌদি দূতাবাসে হামলাকারীদের আপিল আবেদন খারিজ করেছে ইরানের আদালত।" ইরানের রাজধানী তেহরানের সৌদি দূতাবাসে হামলার দায়ে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ ব্যক্তির আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইরানের একটি আদালত।
ওই ১০ ব্যক্তির পাঁচজনকে ছয় মাসের এবং বাকি পাঁচজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল একটি মেজিস্ট্রেট আদালত। সোমবার একটি আপিল আদালত এসব অভিযুক্ত ব্যক্তির দণ্ড মওকুফ করার আবেদন খারিজ করে দেয়। এই রায় ইরান সৌদির মধ্যে একধরনের মীমাংসা বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে ইরানী জেনারেল দাবী করেছেন তারা কখনোই সুন্নি হওয়ার জন্য কোন দেশকে হামলা চালায় নাই বরং তারা সুন্নিদের রক্ষা করতে চায়।

এখনো বিশ্বাস করি ইরান-সৌদিআরব-মিসর-তুরস্ক-পাকিস্তান এক হলে বিশ্বের সব দেশ মুসলিমদের স্যালুট দিতে বাধ্য থাকবে।
কিন্তু ইহুদি- মার্কিন চক্র কখনোই মুসলিমদেশগুলোকে শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চায় না তাই তারা আমাদের এক দেশকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে রেখেছে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১৭ ভোর ৬:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



