রোহিঙ্গা ইস্যুতে হতাশা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, বিশ্বের যেকোনো জায়গায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে নির্যাতন হোক না কেন ইরান তা সহ্য করবে না।

এরদোগানও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতনে দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে ইরান ও তুরস্কের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তুর্কি প্রেসিডেন্ট সঙ্গে ফোনালাপে ড. রুহানি বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে কিছু দেশ তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। দুই প্রেসিডেন্ট দৃশ্যত ইরাকের কুর্দিস্তানে আসন্ন গণভোটের নামে বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপের কথা বলেছেন। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ওই গণভোট অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন ইরাকের কুর্দি নেতারা।
ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতা ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে যে সমস্যা তৈরি করা হয়েছে তা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে ইরান কখনো বিশ্বাস করে না। আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতায় দুঃখ প্রকাশ করে ড. হাসান রুহানি বলেন, এ অবস্থায় ইরান ও তুরস্কের আরো জোরালো ভূমিকা পালন করা উচিত।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী মুসলিম দেশগুলোতে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আধিপত্যকামী শক্তিগুলোর নীতি আর কর্মসূচি মুসলমানদের মধ্যে ফেতনা ও বিভেদের আগুন ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, “মুসলিম বিশ্ব আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ হলো আমাদের উদাসীনতা এবং শত্রুদের নির্দয় আক্রমণ।” তিনি আরো বলেন,আমরা কাফেরদের বিরুদ্ধে আপোশহীন হওয়ার নীতি ভুলে গেছি, আবার নিজেদের মধ্যে পরস্পরে দয়া পরবশ হওয়ার শিক্ষাও ভুলে গেছি। এর পরিণতিতে ইহুদিবাদী শত্রুরা মুসলিম বিশ্বের মানচিত্রের একেবারে হৃদয়ের মাঝে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করেই যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



