somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাদারীপুর জেলায় বিটিসিএল এর গ্রাহক ভোগান্তি সীমানা ছাড়িয়েছে। দেখার কেউ নেই।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণের জন্য শেয়ার করুন এব বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় কপি করে প্রচার করুন।
বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে অন্যতম জেলা মাদারীপুর। পদ্মাসেতুর পর মাদারীপুর হয়ে উঠবে ঢাকা মহানগরীর প্রধান উপশহর। অথচ অন্যতম এই জেলার আইটি সেবার প্রধান বস্তু ADSL ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে গ্রাহকরা। মাসে গড়ে ১০ দিন থাকেনা ইন্টারনেট। দিনে প্রায় ৪-৫ ঘন্টা ইন্টারনেট বন্ধ থাকে। ১৯৯৬ সালে ততকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সাহেব এখানে বৃহত এক্সচেন্জ অফিস তৈরী করলেও কাজ নেই তেমন। প্রাচীর দ্বারা ঘেরা থাকলেও মানুষ ছাড়া গরু-ছাগলের ঘোরাফেরায় বেশী লক্ষনীয় এখানে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা অফিস আওয়ার দুপুর তিনটায় অফিসের ষ্টাফ সহ সবাই লুঙ্গি পরে খোশ গল্পে মেতে আছেন। এক স্টাফকে ফোন দিয়ে সমস্যার কথা জানালে তিনি জানান তিনি বাইরে আছেন। অথচ অফিসের ভিতরে গিয়ে তাকেও লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় পাওয়া যায়। দায়িত্বপ্রাপ্ত SDO কাছে সমস্যা জানাতে গেলে দেখা যায় তিনি ফেসবুকে মেতে আছেন। সমস্যা জানালে বলে ”উফহ ডিষ্টার্ব করবেন না। যান অভিযোগ লিখান গিয়ে”। যদিও এর মধ্যে তার দায়িত্ব তিনি শেষ করেন।
গ্রাহকের সমস্যা কাকে জানাবো এই প্রশ্ন করলে তিনি বলেন “দেখেন সরকারী চাকুরী করি, এত দায় নেই আমার” বলে সাফ জানিয়ে দেন। ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ারকে অভিযোগ জানাতে গেলে তিনি এখন ভারতে আছেন বলে জানান তার স্টাফরা।
প্রতিদিনই অফিসের রেজিস্টারে স্বাক্ষর করে নিজের কাজে বেরিয়ে যান অফিসের সবাই। কেউ যান চা খেতে। কেউ যান তার কিনতে। কেউ আবার কুরবারনির গরু কিনতে যান। চারদিন পর গরু কিনতে যাওয়া লাইনম্যানকে অফিসে দেখে কোথায় ছিলেন প্রশ্ন করলে বলে “ভাই গরুর যে দাম, কেনাই যায় না। অনেক বেছে ৪০০০০ টাকা দিয়ে গরু কিনলাম।”
তো ভাই এখন চলেন আমার সমস্যাটা একটু দেখবেন বলে রিকুয়েস্ট করলে জানান “গরু কিনে ক্লান্ত। সামনের রবিবারে আসেন।”
সার্ভার রুমের মত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ অংশের নিরাপত্তা চোখে দেখার মত। দুপুর ৩ টা অথচ গেট খোলা কোন লোক নেই অফিসে। উপর তলায় গিয়ে দেখা যায় প্রায় কোটি টাকার সরকারী সমÍত্তি খোলা অবস্থা পড়ে আছে। কেউ গেট লাগিয়ে তার নিরাপত্তা বিধান করতে রাজি নয়।
সবার কথা - হারালে সরকার বুঝবে আপনার কি?
প্রথম তলায় গিয়ে দেখা গেল প্রায় চারটি কম্পিউটার মাটিতে পড়ে আছে। যতেœর অভাবে এগুলো অকেজো হয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ জানাতে গিয়ে পাওয়া যায় নি কোন ব্যাক্তিকে।
মুলত সাব-ডিভিশনাল অফিসারের স্বেচ্ছাচারে আজ এই অবস্থা। অফিসের স্টাফদের কাছে তিনি ভাল মানুষ নয় বলেই দেখা গেছে। সবাই তাকে এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করে।
জেলা প্রশাসক অবহিত করার প্রশ্নে তিনি বলে - আপনি যদি এই ব্যাপার জেলা প্রশাসককে জানান তাতে কি হবে?
আমার ইন্টারনেট আজ ১২ দিন ধরে বন্ধ। অফিসিয়াল ভাবে অনেক চেষ্টা করলাম একটু সমাধান করতে। কিন্তু গ্রাহকের সমস্যার চাইতে ফেসবুকের প্রায়রিটি আগে সাব-ডিভিশনাল অসিারের কাছে। সরকার প্রদত্ত ট্যাব নিয়ে খুশি আছেন তিনি। এতে গ্রাহকের ইন্টারনেটের কি হল তা তার থোড়ায় কেয়ার। গ্রাহকের সমস্যা দেখার কেউ নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:২০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রভাষা নিয়ে জিন্নাহর সেই ভাষণ। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


জিন্নাহর সেই ভাষণ
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”... ...বাকিটুকু পড়ুন

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×