চলচ্চিত্র সমাজ জীবনের কথা বলে, মিডিয়া সৃষ্টির শুরু থেকে চলচ্চিত্র সমাজের রুপরেখা ফুটিয়ে তুলেছে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে বাস্তব জীবনের গল্প বলে আসছে। চলচ্চিত্র বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধি নিয়েও কথা বলেছে তার মধ্যে নারী পুরুষের ভেদাভেদ নিয়ে নারীর অধিকার ও বিভিন্ন চলচ্চিত্রর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। চলচ্চিত্র শুরুর আদি থেকে যদিও মহিলাদের অভিনয়েই শুধুমাত্র অংশগ্রহণ ছিলো কিন্তু যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নারীরাও ক্যামেরার পিছনে কাজ করে যাচ্ছেন।নারী পরিচালক হয়ে নারী পুরুষের চরিত্রে কি রুপরেখা রেখেছেন নারী পরিচালকেরা সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেননা সিনেমা নির্মানে খুবই কম নারী পরিচালক রয়েছেন ভারতীয় উপমহাদেশের কয়েকজন হাতে গোনা নারী পরিচালকের মধ্যে অপর্না সেন সফল একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। যিনি অভিনয় থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র সম্পাদনা চলচ্চিত্র নির্মান এবং তাছাড়া নারী বিষয়ক একটি পত্রিকার সম্পাদিকা হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অপর্না সেন তার চলচ্চিত্র নারী কে নারী নয় মানুষ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। অপর্না সেন এর আরশি নগর সিনেমায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সাথে সাথে এখানে নারী সমাজের অবস্থান ও তুলে ধরা হয়েছে, ছবির শুরুতেই দেখানো নায়িকার পিঠে ট্যাটু করানো নারীরা যে এখনো কিছু বেড়াজালে বন্দী সেটাই পরিলক্ষিত হয় এটার মাধ্যমে তাছাড়া, নায়িকার বাবার অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে হজ্বে যেতে চাওয়াও নারীদের সমাজে দাবিয়ে রাখার প্রতিচ্ছবি। মুসলনান নারীরা কিভাবে পুরুষের দাসত্ব মেনে নেয় সেটিও তুলে ধরেছেন। যদিও এই সিনেমায় পুরুষ চরিত্রকে নারীবাদী অপর্না সেনের অপর মুভি জাপানিজ ওয়াইফ মুভিটা যদিও ভৌগলিক প্রেক্ষাপটককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তাও এই মুভিতে রাহুল বোসের চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের পুরুষদের নারীদের প্রতি শেয়ারিং কেয়ারিং জিনিসটা ফুটিয়ে তুলেছেন, সমাজে এমনো পুরুষ আছেন যারা তাদের স্ত্রীর প্রতি এতটা নমনীয় দূরে থাকলেও স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা, তার প্রতিটি পদক্ষেপেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, এর মাধ্যমে অপর্না সেন পুরুষদের নারীবাদী হয়ে উঠাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাছাড়া অপরদিকে রাইমা রায় এর চরিত্রের মধ্যদিয়ে সমাজের বিধবা নারীদের কে তুলে ধরেছেন, অল্প বয়সে বিধবা হলে মেয়েদের স্বামীর বাড়ি অস্তিত্ব থাকেনা পরগাছার মতো জীবনযাপন করতে হয়। রাইমা সেন এর চরিত্রের মধ্য দিয়ে নারীদের লাজুকতা কিভাবে পুরুষদের থেকে আড়াল করে জর্জরিততা নিয়ে কিভাবে বিধবা একজন মহিলা সমাজে বেচে থাকেন। অপর্না সেন সমাজে নারী পুরুষ ভেদাভেদ কে তুঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তার সব মুভিতে তার স্পষ্টতা দেখা যায় পারমিতার একদিন সিনেমার অপর্না সেনের পরিচালিত পারমিতার একদিন মুভিতে একটি হিন্দু নারীর একাগ্রতাকে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন, এই চলচিত্রের প্রধান চরিত্র ঋতুপর্ণা সেনের চরিত্রকে মুভির প্রথমদিকে একটি প্রাচীন ভারতের বউয়ের রুপ দিয়েছিলেন, সেখানে ঋতুপর্নার প্রথম স্বামীর সেচ্ছাচারীতা সহ্য করা ফুটিয়ে তুলেছেন, সমাজে পুরুষের সেচ্ছাচারীতা কে দেখিয়েছেন যে পুরুষরা নারীদের কিভাবে বশ করে রাখতো এমনকি বিয়ের রাতে প্রথমদিনেই কি আচরন করেছে, প্রতিরাতে মদ খেয়ে বাড়ি ফিরে বউয়ের সাথে আচরনের ছবিও ফুটিয়ে তুলেছেন। সন্তান হবে এজন্য আবার বউকে আদর ও করেছে। আবার প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম দেওয়ায় কিভাবে স্ত্রীকে দোষারোপ ও করা হয়েছে অপবাদ দেওয়া হয়ে থাকে সেই চিত্র ও ফুটে উঠেছে, আবার একটি অংশে ঋতুপর্নার দ্বিতীয় স্বামীর একটি আদর্শ চরিত্র ও ফুটিয়ে তুলেছেন যে পুরুষরা কিভাবে সমাজে নারীদের প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য এবং উৎসাহিত করেন। স্ত্রীর খেয়াল ভালোবাসা এবং কিভাবে নারী জাতিকে সম্মান করেন। অপর্না সেন এই মুভির মধ্যবর্তী সময়ে দেখিয়েছেন একজন নারী কিভাবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়, একজন নারী সমাজের হেও নয় বরং পুরুষের সমান অবদান রাখেন। পারমিতার একদিন মুভিতে ঋঋতুপর্ণার শাশুড়িকে নারী হয়ে কিভাবে তার ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা বিসর্জন দেয় সমাজে নারীরা কিভাবে আত্মাহুতি দেয় সেটা দেখিয়েছেন। পারমিতার একদিন মুভিতে অপর্না সেন সমাজে নারীরা কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তারাও পুরুষের সমান অবদান রাখেন সেটি তুলে ধরেছেন অন্যদিকে পুরুষরাও নারীবাদী হয়ে ওঠে নারীদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করে সেটি উপস্থাপন করেছেন। চলচ্চিত্র জগতে মিডিয়ার মাধ্যমেই সমাজে নারী পুরুষের একাগ্রতা সফলতা বিফলতা দেখানো হয়ে থাকে। চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তনে বিরাট ভুমিকা পালন করে আসছে যেখানে সমাজের ভালো মন্দ তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন কুসংস্কার সমাজের গোড়ামী নারীদের নারী থেকে মানুষ হিসেবে তুলে ধরতে চলচ্চিত্র কাজ করে যাচ্ছে। নারী পরিচাল অপর্না সেন তার মুভি গুলোতে সমাজে নারীদের ভুমিকা কিভাবে নারীরা এগিয়ে যেতে পারে এবং নারীবাদী পুরুষরা যারা নারীদের পাশে এসে দাড়িয়েছেন তাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে তুলে ধরেছেন তাদের ও তুলে ধরেছেন।
সমাজে নারী-পুরুষের উপস্থাপন (নারী পরিচালক) ২
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে
গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।