
কি বা হবে মেয়েগুলোর বয়স। একজনের বয়স খুব বেশি হলে ২০-২১। বাকিদের বয়স খুবই কম। এই বয়সেই নিজের বাবার মৃতদেহ কাঁধে তুলে শশ্মানে নিয়ে যেতে হবে তারা কি ভেবেছিলো। বুঝতে পেরেছিলো কি আশে-পাশের প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন এভাবে দূরে সরে যাবে?
তাদের বাবা সঞ্জয় যক্ষা রোগে ভুগছিলেন। খুবই দুঃস্থ এই ব্যক্তি'র জন্যে ভারতের সরকারী হাসপাতালের ঔষধই ছিলো শেষ ভরসা। কিন্তু, লকডাউনের কারণে ঔষধের আকালে তাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, যক্ষা রোগে মৃত্যু হয় সঞ্জয়ের।
মৃত্যুর পরেও কি শান্তি মিললো তাঁর? ঠিক মতো সৎকার কি হয়েছে তাঁর দেহের? করোনা সন্দেহে যখন পাড়া-প্রতিবেশী দূরে সরে গেলো, যখন বুক ভরা আহাজারী নিয়ে মেয়েগুলো তাঁর দেহ কাঁধে তুলে নিয়েছিলো, পরপারে গিয়েও কি রেহাই মিলেছে সঞ্জয়ের?
সময়ই তার উত্তর বলে দিবে।
ছবিঃ সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




