somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

'নারী নেতৃত্ব হারাম' - হাদিসটির ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে কি?

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার আজকের পোস্টের উদ্দেশ্য কারো জীবনী আলোচনা করা নয়। গুগল মামার কাছে জিজ্ঞাসা করলেই মুসলমানদের ভূমিতে মহান নারী ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে আরও ভালো ভাবে জানা যাবে। বরং, আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই, কেন বাংলাদেশের জনগণকে ঐ দলগুলো এইসব ইতিহাস থেকে অন্ধকারে রেখেছে? কোন উদ্দেশ্যে? এতে কি মুসলমানদের ভালো হচ্ছে? 'ইসলাম লিঙ্গ-নিরপেক্ষ নয়'- এই অপবাদ থেকে তারা কি আমাদের ধর্মকে রক্ষা করতে পারছেন?

কিছু ইসলামী দল প্রচার করে থাকে যে, ইসলামে নারী নেতৃত্ব হারাম। অথচ, ইতিহাস কিন্তু ভিন্ন কথা বলে! ইসলামি শাসনের মধ্যযুগেও নারী খলিফা ছিলেন। এমনকি তাঁদের নামে জুম্মা নামাজের খুৎবাও পাঠ করা হতো।
.
এমনই দুজন নারী ইমাম বা খলিফা হলেন- সৈয়দা আসমা বিনতে শিহাব আল-সুলাহিইয়াহ এবং সৈয়দা আরওয়া আল-সুলাইহি। এছাড়া, ১২৩৬ সালে দিল্লীর কুমারী রানি সুলতানা রাজিয়ার ইতিহাসও সবার অজানা নয়। ইরানের তুরকান অঞ্চলের রানি তুরকান খাতুন, ১২৫৭ থেকে ১২৮২ পর্যন্ত একটানা ২৫ বছর যার নামে মসজিদে খুতবা পড়া হতো। তাঁর কন্যা পাদিশা খাতুনও রাজ্য শাসন করেন। ইরানের সিরাজ অঞ্চলে আবশ খাতুন একটানা ৩৪ বছর রাজ শাসন করেছিলেন। তাঁর নামে খুতবা পাঠ করা হতো, ছিলো তাঁর নামাঙ্কিৎ মুদ্রা। ১৩৪৭ থেকে ১৩৮৮ সাল পর্যন্ত একটানা ৪১ বছর মালদ্বীপের সুলতানা ছিলেন খাদিজা, মরিয়ম ও ফাতিমা। তাঁদের সময়ে ইবনে বতুতা সরকারী কাজী হিসেবে নিয়োগ পান। মিসরের রানি সাজারাত আল দুরের নামে খুতবা পাঠ হতো। ইন্দোনেশিয়ায় ১৬৪১ থেকে ১৬৯৯ পর্যন্ত একটানা ৫৮ বছর ধরে শাসন করেছেন সুলতানা শাফিয়া, সুলতানা নুর নাকিয়া, সুলতানা জাকিয়া, ও সুলতানা কামালাত শাহ।

অনেকেই বলবেন। এই নারীদের খলিফা হওয়াটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিলো। তাহলে, প্রশ্ন থেকে যাবে, এমন স্বনামধন্য মুসলমান এবং তাঁদের আশেপাশের মানুষেরা কি ভুল করেছিলেন? তা কি করে হয়!


ছবিসূত্রঃ https://rb.gy/fhrits
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৪
১২টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গরমে নিউইয়র্কের লোকজন ক্রেংককি হয়ে যায়।

লিখেছেন সোনাগাজী, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৯



ঐতিহাসিক ঘটনা, আমি তখনো চাকুরীতে ছিলাম; আগষ্ট মাসের সন্ধ্যায় ঘরে ফিরছি সাবওয়ে ট্রেনে; এই সময় সাবওয়ের ষ্টেশনগুলো দোযখের মত গরম, ডিজাইনে সমস্যা থাকার সম্ভাবনা; ব্লগার হাসান কালবৈশাখী... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাহ সাহেবের ডায়রি ।। কবিতা-স্পর্ধিত মিলন

লিখেছেন শাহ আজিজ, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:১৭



কখনো সখনো নকল মলিন
হয় মনে এই জীবনবেলা
ধুসর বিকেলবেলা
শুধাই অস্ফুট স্বরে ‘হ্যাগা’
বাটপাড়ি অথবা জোচ্চুরি
কিছুইকি হয়নি শেখা লেকাজোকা
জীবন নামক অন্ধকুঠরিতে
গামছা দিয়ে চোখ দুটো বাঁধা
অথবা
তমসা ঘেরা চাঁদহীন নধর রাতে
প্রহরী ঘোরে নিঃশব্দে... ...বাকিটুকু পড়ুন

টেলস ফ্রম দ্য ক্যাফেঃ যে ক্যাফে আপনাকে নিয়ে যাবে অতীত ভ্রমনে

লিখেছেন অপু তানভীর, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৩১

যদি আপনি জানতে পারেন যে আপনার শহরেই এমন এমন একটা ক্যাফে আছে যেখানে গিয়ে আমি অতীতে গিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন তাহলে আপনার মনভাব কেমন হবে? এমন যদি কিছু সম্ভব হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেয়েরা বেবি বাম্পের ছবি দিলে তোমাদের জ্বলবে কেন???

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৬



- ছবিতে - আরমিনা।

আমরা যখন কোন স্পেশাল মুহূর্ত সেলিব্রেট করি তখন ফেসবুক ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করি। এটা এখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কেউ প্রিয় মানুষের সাথে রেস্টুরেন্টে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুখ মুরালি

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৫৬


ফুলটি দেখতে যে,ন সুন্দর তার নামটিওচমৎকার "সুখ মুরালি"।
২০১৮ সালের কথা, বৃক্ষকথা গ্রুপের বেশ কয়েকজন বৃক্ষপ্রেমির সাথে আমি গিয়েছিলাম মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে। হাঁটতে হাঁটতে দেখতে দেখতে একসময় গার্ডেনের পশ্চিম-উত্তর কোনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×