somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

কোরআনের আয়াত মেনে না চলা মুসলমানরাই নির্বোধ, জালিম, পশুর চেয়ে অধম, নাপাক এবং সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব

১৩ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



শ্রদ্ধেয় ব্লগার অগ্নিবেশ,

আশা করি ভালো আছেন। এই পোষ্টটা শুধু আপনার জন্যে। অন্য কেউ কমেন্ট করবেন না এতে। যাহোক, আপনি আমাকে অনেক বড় চিন্তায় ফেলে দিয়েছিলেন। আপনি কমেন্টে লিখেছেন যে, আল্লাহ কোরআনের আয়াতে বলেছেন- "অমুসলিমরা নির্বোধ" (সূরা বাকারাহঃ ১৭১), "অমুসলিমরা জালিম" (সূরা বাকারাহঃ ২৫৪), "অমুসলিমরা পশুর চেয়ে অধম" (সূরা আল-ফুরক্বানঃ ৪৪), "অমুসলিমরা নাপাক" (সূরা আত-তাওবাহঃ ২৮), "অমুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব" (সূরা আল-আনফালঃ ৫৫)।

সত্যিই কি আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তেমনটা বলেছেন যেভাবে আপনি 'ব্যাখ্যা' করেছেন? আমি একটু স্টাডি করে যা পাচ্ছি, আসলে আল্লাহ তেমনটা বলেন নাই। আল্লাহ অমুসলিমদের নির্বোধ, জালিম, পশুর চেয়ে অধম, নাপাক এবং সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব বলেন নাই।

যদি আল্লাহ এমনটা বলে না থাকেন, তাহলে কাদেরকে আল্লাহ এমনটা বলেছেন??? উত্তর হলো- আল্লাহ মুসলমানদেরকে নির্বোধ, জালিম, পশুর চেয়ে অধম, নাপাক এবং সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মনে রাখবেন, আল্লাহ বলেছেন-

"হুদাল্লিল মুত্তাকিন।" [সূরা আল-বাকারাহ]
অর্থ- ''এই কোরআন মুত্তাকিনদের জন্যে পথপ্রদর্শক।"

আর, মুত্তাকি তো তাঁরাই যারা মুসলমান। অর্থাৎ, মুসলমানদের জন্যেই এই কোরআনের আয়াতগুলো। কোরআনের আদেশ-নির্দেশগুলোও তাই মুসলমানদের উদ্দেশ্যেই।

যখন মুসলমানরা আল্লাহর আদেশ-নির্দেশ মানে না, তখন তারা হয়ে যায় নির্বোধ, জালিম, পশুর চেয়ে অধম, নাপাক এবং সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব।

আপনাকে মনে রাখতে হবে- আমাদের দ্বীন বা জীবন-ব্যবস্থা পূর্ণ করে দেওয়ার পরে, অমুসলিমদের উদ্দেশ্যে এই আয়াতগুলো আর প্রযোজ্য নয়। আশা করি আমি বুঝাতে পেরেছি।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০২৩ দুপুর ১:১৪
১৪টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×