somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

আবর্জনা-বিশেষজ্ঞের কানাডীয় সেমিনার

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার আগের পোস্টে কানাডা-প্রবাসী জনৈক ভিক্ষুক ব্লগার মন্তব্য ফরমাইয়াছেন -
“ব্লগে এত ঘনঘন এত আবর্জনা প্রসব করে কি আনন্দ পান?

উহার প্রশ্নটি পড়ে আমি ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেলাম!!!

উহা আমার লেখাকে আবর্জনা বলেছেন - অথচ আশ্চর্যের বিষয়, আবর্জনার প্রতি তার আগ্রহ দেখে মনে হচ্ছে তিনি বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন!

শোনা যায়, কানাডায় বসেও উক্ত ব্লগার বাংলাদেশের কিছু বিশেষ মহল্লার খবরাখবর রাখেন। বিশেষ করে কথিত 'বেগমপাড়া' নামটি শুনলেই তার স্মৃতির হার্ডডিস্ক নাকি অটোমেটিক অন হয়ে যায়।

তাই ভাবলাম, তার জন্য একটা চাকরির ব্যবস্থা করা যায়-
“আন্তর্জাতিক আবর্জনা পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যুরো”।
পদ: প্রধান আবর্জনা সমালোচক।

যোগ্যতা?

প্রথমত, প্রতিদিন ব্লগ খুলে আবর্জনা খুঁজে বের করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আবর্জনা দেখলেই মন্তব্য করতে হবে।
তৃতীয়ত, আবর্জনা যদি নিজের পছন্দের না হয়, সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করতে হবে -
“এটা আবর্জনা!”

চতুর্থত, তার সেই মন্তব্যের নিচে আরেকজন ব্লগার মন্তব্য করলে সেটাকেও আবর্জনা ঘোষণা করতে হবে।

বেতন অবশ্য খুব বেশি নয়। মাস শেষে দেওয়া হবে একটি ঝাড়ু, একটি ডাস্টবিন এবং একটি সার্টিফিকেট -
“বিশ্বস্ত আবর্জনা শনাক্তকারী”।

তবে আমার একটা ভয় আছে!!! তিনি যদি একদিন সত্যিই আমার সব পোস্টকে আবর্জনা বলে ফেলেন, তাহলে সামুর অবস্থা কী হবে? কারণ, তখন তো তাকে প্রতিদিন পোস্ট পড়তে হবে!

অর্থাৎ, আবর্জনা থেকে বাঁচতে গিয়ে তাকেই প্রতিদিন আবর্জনার কাছে হাজিরা দিতে হবে!

শেষে তাকে শুধু বলি -

ভাই, আমার লেখা আবর্জনা হলে সমস্যা নেই!
আপনি যেহেতু এত যত্ন করে প্রতিটি টুকরো পরীক্ষা করেন, সামুর ডাস্টবিনের নিরাপত্তা নিয়ে অন্তত আমরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারি!


সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৩
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাস্ততম শহরে এক ছুটির দিন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

নিউ ইয়র্ক দুনিয়ার অন্যতম ব্যাস্ততম শহর। বলা হয় The City that never sleeps! এরই মাঝে এবার মিলে গেলো এক ছুটির দিনে পিকনিকে যাওয়ার সুযোগ। শহরের সীমানা ছেড়ে প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১৭



সিরাজ ভাই বললেন, টেংরা মাছের ডিম আপনার কাছে কেমন লাগে?
আমি বললাম, ভালোই লাগে। শুধু রুই মাছের ডিম আমার ভালো লাগে না। সিরাজ ভাই বললেন, রুই মাছের ডিম সঠিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রভাষা নিয়ে জিন্নাহর বক্তব্য। কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


জিন্নাহর সেই ভাষণ
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”... ...বাকিটুকু পড়ুন

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×