somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাচ্চাদের সাইকোলজি নিয়ে আগ্রহ জন্মেছে কিছুটা।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





আমার খুব পরিচিত আত্নীয়ের সন্তানের বয়স ৫/৬ বছর হবে, ছেলে সন্তান। ফিন্যানসিয়্যাল অবস্থা এত আহামরি না হলেও, ছেলের বাবা/মা নিজের জীবনের ছোটবেলার অপূর্নতা ঘুচতে ছেলের জন্য খেলনার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। সর্ব্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার খেলনা থেকে শুরু করে সম্ভবত ১০/২০ টাকার খেলনাও আছে ;খেলনার জন্য একটা রুম বরাদ্দ করা। যাই হোক,আমার কিছু ব্যক্তিগত কারণে উনাদের বাসায় থাকতে হয়েছিলো অনেক দিন,তাই মাঝে মধ্যে আমি উনাদের ছেলে মানুষ করার বিদ্যা বুঝতে চাইতাম, তবে কখনো কিছু বলার প্রয়োজন মনে করতাম না।


গতকাল ছেলেটি ১০/২০ পদের খেলনা সাজিয়ে নেড়েচেড়ে দেখছে, আমি গিয়ে পাশে বসলাম। সাথে ওর বাবাও ছিলো, আমি বললাম ' তোমার অনেক খেলনা আমার তোমার মত অনেক বন্ধু আছে ওদের কোনো খেলনা নেই, তুমি যদি কিছু খেলনা শেয়ার করো ওরা খুব খুশি হবে। তুমি কি দিবে??সে কাঁদো কাঁদো হয়ে ২/৩ মিনিট টোটালি না করলো, এগুলো আমার দেয়া যাবে না, ওরা কিনে নিবে।পরে ওর বাবা কিছু একটা বলাতে সে চিন্তা করতে লাগলো, কত পুরোনো, এখন তেমন পছন্দ নয়, এমন খেলনা দেয়া যায় কিনা। সে কিছু খেলনা দিলো, যেগুলো তেমন খেলার উপযোগী ছিলো না। পরে আমি বললাম, তুমি যদি তোমার পছন্দ থেকে কিছু খেলনা দাও তাহলে ওরা আরও বেশি খুশি হবে, তারপর সে না দেবার জন্য অনেক কথা বলতে লাগলো, যেমন- ওদের বাবা ভালো হলে কিনে দিবে,আমার খেলনা ভেঙে গেলে আমার খারাপ লাগবে এমন টাইপ। সে নিজের কিছু পছন্দের খেলনা বের করে সাজালো, তবুও সেখান থেকে কিছু দিলো না, আম্মু নাকি কিছু বলবে,আম্মুকে জিঙ্গেস করতে হবে।


আম্মু থেকে পারমিশন নিয়ে এসে, কিছুটা খেলার উপযোগী খেলনা দিয়ে বললো , ওদের দিও এবং খেলা শেষে রাতে নিয়ে আসবে।আমি তো বললাম,এগুলো দিয়ে দিলে আনা যাবে না এবং সে বললো "আম্মু আমাকে বকা দিবে। আমার যতটুকু মনে পড়ে, একবার এক বাচ্চা ওর সাথে খেলতে আসায় ওর আম্মু খেলনা লুকিয়ে রাখতো,কারণ বাচ্চাটি নাকি নিজের বাসায় নিয়ে যায়,পুরোনা ভাঙা খেলনা বের করতো এবং পরে বাচ্চাটির আম্মুর কাছে গিয়ে গল্প করতো ওরা খুব ভালোমত খেলনা দিয়ে খেলে, নতুন খেলনা পেলে উৎসাহী হয়,;তবে বাস্তবতা তেমন ছিলো না মোটেও। কিন্তু আমি গতকাল উনাদের প্যারেন্টিং স্কিল সম্পর্কে একটু ধারণা পাওয়া গেলো, যা ৫/৬ বছরের পরিশ্রমের ফল।







সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১০:৫৫
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একে একে নিভিছে দেউটি.......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০০

একে একে নিভিছে দেউটি.......

আমার পিতৃ-মাতৃকূল এর প্রথম-দ্বিতীয় প্রজন্মের অর্থাৎ, দাদা-দাদী, মা-বাবা, চাচা-চাচী, ফুফা ফুফু এবং নানা-নানি, মামা-মামী, খালা-খালু কেউ বেঁচে নেই। মায়ের একজন চাচাতো ভাই খলিলুর রহমান(চান্দু) স্বাধীনতা যুদ্ধের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুরের বাঁধনে গড়া মানুষের মন

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮

সঙ্গীতের কোন ধারাতেই আমার কোন প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেই। অনেক ছোটবেলায় আম্মা আমাদেরকে কিছু কিছু কবিতা সুর করে মুখস্থ শোনাতেন। আমরা সেগুলো শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে যেতাম। এখনও সেসব সুর করে গাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইন প্রয়োগ নাকি অপব্যবহার? রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ ঘিরে বিতর্ক

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪২

আইন প্রয়োগ নাকি অপব্যবহার? রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ ঘিরে বিতর্ক

ইমেজ আপলোড ব্লক করে রেখেছে বিধায় এই ব্যবস্থায়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও একটি জটিল প্রশ্ন সামনে এসেছ- আইন কি তার স্বাভাবিক গতিতে চলছে, নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুদ্ধের মাঝেই আম্মানে তিন রাত দুই দিন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২২

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে এয়ারলাইন্স তাদের সময়সূচি পরিবর্তন করায় আমাদের জর্ডানের আম্মানে অনেকটা বিনা পরিকল্পনায় তিন রাত অবস্থান করতে হয়। আমরা যখন কুইন আলিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছাই, তখন প্রায় মধ্যরাত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

নারীর ক্ষমতায়নের নামে বাঙালিকে স্রেফ টুপি পরানো হয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৩


বাংলাদেশে চেয়ার একটি আধ্যাত্মিক বস্তু। শুধু বসার জন্য নয়, এটি পরিচয়ের প্রমাণ, অস্তিত্বের স্বীকৃতি, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে জীবনের চূড়ান্ত অর্জন। গাড়ি থাকুক না থাকুক, বেতন আসুক না আসুক,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×