somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মগজের ডিসঅর্ডারচর্চা !!

১২ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ১২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







আমার ডিসঅর্ডারের শিকড়ে পুষ্টিগুণ ছিলো না, বিষ মাখানো ছিলো। ধীরে ধীরে বিষ পৌছে যাচ্ছে মগডালের সবুজ পল্লবে। শত চেষ্টা করেও শিকড় উপড়ে ফেলা যাচ্ছে না,পরিণত মগজের বিপ্লবী ভাবনা রুপকথার মত কাজ করছে না, চোখের সামনে বাচ্চা নিমগাছ অশরীরী হয়ে প্রকৃতিকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখছে, মধ্যদুপুরে কাকের ভোজ সীমিত আকারে আনন্দ দেয় না আগের মত। সস্তা কাগজে কলমের কালির লেপনে মগজের নিউরোকেমিক্যাল বেঈমানী করে অবলীলায়। বহুপদী রোগীর মূত্রথলির পানি শহরের রাস্তায় ভেসে ভেসে গন্ধ ছড়িয়ে ছড়িয়ে মিলিয়ে যায় বাতাসে। শহর জুড়ে ভাসতে থাকা গালিসমুহ আগের মত টানে না,আপনি অন্ধকার ঘরে নীল কালিতে আর কত সুইসাইড নোট লিখবেন?



পরিত্যক্ত নগরীর ভীড়ে অমানুষ মানুষের ভান ধরে পিশাচের হাসি দেয়। প্রতারণার শেষ সীমান্তে শিকার পরবর্তীতে প্রতারণার রাজা হয়; প্রতি সেকেন্ডে টাকার কাছে মানুষ বিক্রি হয়,ব্যক্তিত্ব বিক্রি হয়,দেহ বিক্রি হয়। সুখের প্রাইমারী লেভেলের ক্ষতে প্রলেপ পড়ে টাকার ধোয়ায়।পিরামীডের মমী থেকে মুমতাজের কবরের তাজমহল খোলস, চেঙ্গিসের অদৃশ্য কবর, আন্তঃ নগর লাশঘরের বেওয়ারিশ লাশ সুখী হয়নি কখনো,হতে চায়নি।
কর্পোরেটের গন্ধ গায়ে মাখতেই এলিটিসিজম আত্নায় ভর করে,নিষ্ঠুর মানুষ নেকড়ে থেকে হায়না হয়, দল বেধে ব্যক্তিত্ব খুবলে খায়।পরিচিত মুখে অসৎের কালো ছায়া ঠিক মত ঘুমাতে দেয় না,নেশার আশ্রয়ে সুখী হতে চায়।আজ পৃথিবীর সমস্ত অক্সিজেনের মিলিত রুপে আমি ব্যাক্তিত্ববান মানুষ ক্রয় করতে অক্ষম হয়েছি। খুবলে খেয়ে দেয়ে আঁড় চোখে তাকানো পিশাচ ঢেকুর তুলে তৃপ্তিহীনতার বার্তা দেয়।



নগরীর মোড়ে মোড়ে সবাই জয়ী হতে গিয়ে, কেড়ে নেয় মানুষের হৃদয়,মনন ও শ্রদ্ধাবোধ।বহু মানুষ বেঁচে ছিলো অসৎ হয়ে,অর্থ কষ্টে, পৃথিবীর কোনো ভ্রুক্ষেপ ছিলো না।বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ডাইনোসর থেকে প্রতিষ্ঠিত ডারউন তত্ব পৃথিবীকে টলাতে পারেনি।যীশুর শরীর থেকে ববের হওয়া রক্তের গরম ভাব ঠান্ডায় রুপান্তর হয়েছে বহু কাল পূর্বে। মানুষ আন্তঃনগর লাশঘরে বন্ধি থাকে আজীবন,কিছু মানুষ শুকুন হয়ে অপেক্ষা করে মৃতদেহ ভক্ষণের মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।হতাশ মানুষের আত্না বিলুপ্ত হয়না ; ভর করে অগণিত জীবিত মানুষের হৃদয়ের কোণায়।দুমড়ে মুচড়ে নিঃশেষ করে দেয় ধীরে ধীরে। একা থেকে একাতর হতে সময় নেয় খুব অল্প।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ১২:৫৫
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×