somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অনুগল্প : আনিকা এবং আমার সম্ভাব্য প্রেমের গল্প

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


অনেক দিন হল মামার বাড়ি য়াই নি, মামা বার বার বাড়িতে এসে যেতে বলেছেন
মামাতো ভাই এর বিয়ের মধ্যও আমি যাই নি
ঈদের ছুটিতে এসে বাড়িতে এসে শান্তি মত ঘুমাবো সেই ভাগ্য আর হল না
সকাল বেলা মায়ের ডাকে ঘুম থেকে উঠে রওনা হলাম মামার বাড়ি
বাসের জন্য অপেক্ষা করছি, বাস আর আসে না
ভাবলাম একটা সিগারেট টেনে তারপর দেখা যাবে
দোকান থেকে সিগারেট নিয়ে ধরাতেই একটা বাস আসল কিন্তু প্রচুর ভির ভাবলাম পরে যাই
কিন্তু চোখ আটকে গেল এক জোরা গভীর কালো চোখে
কি আপরুপ মায়াবী চেহারা তার ওপর নীল টিপ আর নীল ড্রেস আপরুপ সুন্দরী
আমি মন্ত্রমূগ্ধের মত তাকিয়ে আছি,
যখনি ভাবলাম এই বাস টাতই যাবো ব্যাস বাস টা চলে গেল
পরের বাসে উঠলাম সার রাস্তা সেই মেয়েটির কথা ভাবতে ভাবতে চলে গেলাম
কখন যে এত বাস্তা পার হয়ে এলাম বুঝতেই পারলাম না
বাস থেকে নেমে এক মিনিট লাগে মামার বাড়ি
কলিং বেল চাপতেই একজন দরজা খুলে দিল
আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম এতো সেই মেয়েটি যাকে আমি বাসে দেখেছি
এর ই মধ্য মামি চলে এল
- কিরে বাইরেই দাড়িয়ে থাকবি
- না
- এত দিন পরে মনে পড়ল
- না সময় পাই না তো
- মামি কে ঐ মেয়েটা চিনলাম নাতো
- চিনবি কি করে ওটা তোর ভাই এর শালি, যা তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে খাবার ঘরে আয়
- ঠিক আছে
খাবার ঘরে ঢুকতেই মামা আমাকে তার পাশে বসতে বলল
আমার ঠিক সামনের চেয়ারে মেয়েটা
মামি এক এক করে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে লাগল
জানতে পালাম মেয়েটির নাম অানিকা
আর মামা শুরু করল আমার প্রসংসা
ছেলে খুবই ভাল, সে বর্তমান ছেলেদের মত নয় , কোনো খারাপ অভ্যাস নাই
আর এখন কার ছেলেরা তো বিড়ি, সিগারেট, মদ , গাজা কত কিছু খায় আবলা আবলা
আনিকার দিকে তাকাতেই দেখি সে কেমন অন্য রকম দৃষ্টিতে দেখছে
চোখে চোখ পড়তেই চোখ সরিয়ে নিল
বিকালে ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ির সবাই চলে গেল শুধু আনিকা ছাড়া
বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্য়ন্ত ভাই,ভাবী, আনিকা, মামা, আমি সবাই মিলে অনেক কথা হল
আমি বেশ কয়েক বার লক্ষ্য করলাম আনিকা আমার দিকে তাকিয়ে আছে
সন্ধ্যার পর আমি ছাদে উঠলাম দেখি আনিকা ছাদের এক কোণে দারিয়ে আছে
চাদের আলো তে আনিকা কে কি সুন্দর দেখাচ্ছে ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না
যেন আকাশ থেকে নীল পরী নেমে এসেছে
আমি অন্য এক কোণে গিয়ে দাড়ালাম
ও আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার কাছে এসে বলল
- কি সিগারেট খেতে এসেছেন
[ আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, কি কয় , জানল কেমনে]
- না না তা কেন আমি তো সিগারেট খাই না
- মিথ্যা বলবেন না আমি আপনাকে সিগারেট খেতে দেখেছি
- কোথায়
- ইন্দিরা রোড়ে
- প্লিজ কাউকে বলবে না
- কেন
- বুঝতে তো পারছো, দু:খিত আপনাকে তুমি করে বললাম
- না না কোন সমস্যা নেই আপনি তো আমার থেকে বড়
- তোমাকে আমি তুমি বলতে পারি তবে একট শর্ত আছে
- কি ?
- তোমাকেউ তুমি বলতে হবে
- আচ্ছা ঠিক আছে
এভাবে অনেকক্ষন কথা হল, অনেক ফ্রি হয়ে গেলাম
মামির ডাক পড়ল রাতের খাওয়ার জন্য ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ৯;৪৫ বাজে আমি অবাক হয়ে গেলাম
প্রায় দুই ঘন্টা ত্রিশ মিনিট কথা বললাম আর এত তাড়াতাড়ি সময় কেটে গেল বুঝতে পারলাম না
এর মধ্য ওর ফেসবুক আইডি টা জেনে নিলাম,আর ওর ইউনিভারসিটি আমার অফিস থেকে দুই মিনিটের পথ
তারপর আস্তে আস্তে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল



পরিশিষ্ট : ব্যপক ভাবে চ্যাট ফোনআলাপ শুরু হয়ে গেল এবং এক সময় বলেই ফেল্লাম ভালোবাসি তোমায়
আমাকে যা বলল আমি শুনেই থ
গাধা আমি তোমাকে ইন্দিরা রোড়ে প্রথম দেখেই প্রমে পড়ে গেছিলাম
:) :) :)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৩৮
৭টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×