
অনেক দিন হল মামার বাড়ি য়াই নি, মামা বার বার বাড়িতে এসে যেতে বলেছেন
মামাতো ভাই এর বিয়ের মধ্যও আমি যাই নি
ঈদের ছুটিতে এসে বাড়িতে এসে শান্তি মত ঘুমাবো সেই ভাগ্য আর হল না
সকাল বেলা মায়ের ডাকে ঘুম থেকে উঠে রওনা হলাম মামার বাড়ি
বাসের জন্য অপেক্ষা করছি, বাস আর আসে না
ভাবলাম একটা সিগারেট টেনে তারপর দেখা যাবে
দোকান থেকে সিগারেট নিয়ে ধরাতেই একটা বাস আসল কিন্তু প্রচুর ভির ভাবলাম পরে যাই
কিন্তু চোখ আটকে গেল এক জোরা গভীর কালো চোখে
কি আপরুপ মায়াবী চেহারা তার ওপর নীল টিপ আর নীল ড্রেস আপরুপ সুন্দরী
আমি মন্ত্রমূগ্ধের মত তাকিয়ে আছি,
যখনি ভাবলাম এই বাস টাতই যাবো ব্যাস বাস টা চলে গেল
পরের বাসে উঠলাম সার রাস্তা সেই মেয়েটির কথা ভাবতে ভাবতে চলে গেলাম
কখন যে এত বাস্তা পার হয়ে এলাম বুঝতেই পারলাম না
বাস থেকে নেমে এক মিনিট লাগে মামার বাড়ি
কলিং বেল চাপতেই একজন দরজা খুলে দিল
আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম এতো সেই মেয়েটি যাকে আমি বাসে দেখেছি
এর ই মধ্য মামি চলে এল
- কিরে বাইরেই দাড়িয়ে থাকবি
- না
- এত দিন পরে মনে পড়ল
- না সময় পাই না তো
- মামি কে ঐ মেয়েটা চিনলাম নাতো
- চিনবি কি করে ওটা তোর ভাই এর শালি, যা তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে খাবার ঘরে আয়
- ঠিক আছে
খাবার ঘরে ঢুকতেই মামা আমাকে তার পাশে বসতে বলল
আমার ঠিক সামনের চেয়ারে মেয়েটা
মামি এক এক করে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে লাগল
জানতে পালাম মেয়েটির নাম অানিকা
আর মামা শুরু করল আমার প্রসংসা
ছেলে খুবই ভাল, সে বর্তমান ছেলেদের মত নয় , কোনো খারাপ অভ্যাস নাই
আর এখন কার ছেলেরা তো বিড়ি, সিগারেট, মদ , গাজা কত কিছু খায় আবলা আবলা
আনিকার দিকে তাকাতেই দেখি সে কেমন অন্য রকম দৃষ্টিতে দেখছে
চোখে চোখ পড়তেই চোখ সরিয়ে নিল
বিকালে ভাইয়ের শ্বশুর বাড়ির সবাই চলে গেল শুধু আনিকা ছাড়া
বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্য়ন্ত ভাই,ভাবী, আনিকা, মামা, আমি সবাই মিলে অনেক কথা হল
আমি বেশ কয়েক বার লক্ষ্য করলাম আনিকা আমার দিকে তাকিয়ে আছে
সন্ধ্যার পর আমি ছাদে উঠলাম দেখি আনিকা ছাদের এক কোণে দারিয়ে আছে
চাদের আলো তে আনিকা কে কি সুন্দর দেখাচ্ছে ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না
যেন আকাশ থেকে নীল পরী নেমে এসেছে
আমি অন্য এক কোণে গিয়ে দাড়ালাম
ও আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার কাছে এসে বলল
- কি সিগারেট খেতে এসেছেন
[ আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম, কি কয় , জানল কেমনে]
- না না তা কেন আমি তো সিগারেট খাই না
- মিথ্যা বলবেন না আমি আপনাকে সিগারেট খেতে দেখেছি
- কোথায়
- ইন্দিরা রোড়ে
- প্লিজ কাউকে বলবে না
- কেন
- বুঝতে তো পারছো, দু:খিত আপনাকে তুমি করে বললাম
- না না কোন সমস্যা নেই আপনি তো আমার থেকে বড়
- তোমাকে আমি তুমি বলতে পারি তবে একট শর্ত আছে
- কি ?
- তোমাকেউ তুমি বলতে হবে
- আচ্ছা ঠিক আছে
এভাবে অনেকক্ষন কথা হল, অনেক ফ্রি হয়ে গেলাম
মামির ডাক পড়ল রাতের খাওয়ার জন্য ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ৯;৪৫ বাজে আমি অবাক হয়ে গেলাম
প্রায় দুই ঘন্টা ত্রিশ মিনিট কথা বললাম আর এত তাড়াতাড়ি সময় কেটে গেল বুঝতে পারলাম না
এর মধ্য ওর ফেসবুক আইডি টা জেনে নিলাম,আর ওর ইউনিভারসিটি আমার অফিস থেকে দুই মিনিটের পথ
তারপর আস্তে আস্তে ভালো একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল
পরিশিষ্ট : ব্যপক ভাবে চ্যাট ফোনআলাপ শুরু হয়ে গেল এবং এক সময় বলেই ফেল্লাম ভালোবাসি তোমায়
আমাকে যা বলল আমি শুনেই থ
গাধা আমি তোমাকে ইন্দিরা রোড়ে প্রথম দেখেই প্রমে পড়ে গেছিলাম
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




