১২. ১২. ১২ এর শুভেচ্ছা সবাইকে, এই বিশেষ মুহুর্তটির জন্য আপনাদের উদ্দেশ্যে একটি চরম মজার গল্প, সবাই পড়বেন মন দিয়ে তাহলে ১২. ১২. ১২ মজা দ্বিগুন হয়ে যাবে,
একদা এক ব্রাজিলিয়ান এবং একজন আর্জেন্টাইন
জগতের সৌন্দর্য অবলোকন করিতে করিতে আমাজন বনে এক ফুটবলপ্রেমি আদিবাসিদের নিকট ধরা খাইয়া গেল। তাদেরকে বাঁধিয়া রাখিয়া অনেক নৃত্যকেলি হইল। অত:পর তাহাদের মৃত্যুকাল ঘনিয়া আসিল। আদিবাসী রাজা দয়ার সাগর হওয়ায় নির্দেশ দিলেন একজনকে বেঁচে থাকার সুযোগ
দেয়া হউক। অনেক ভাবিয়া আদিবাসী সেনাপতি এক খেলার আয়োজন করিলেন।
বন্দী দুজনকে ডাকিয়া কহিলেন
"শুনিয়াছি লাতিন আমেরিকায় উন্নত মানের ফুটবল চর্চা হয়,তোমরা গাছের শিকড় দিয়ে মাটিতে তোমার দেশের পাঁচজন ফুটবল কিংবদন্তীর নাম লিখো। যে আগে শেষ করতে পারবে সে বেঁচে যাবে। "
প্রতিযোগিতা শুরু হলো।ব্রাজিলিয়ান প্রথমেই লিখিল পেলে।
আর্জেন্টাইন আড় চোখে তাকাইয়া কাঁধ ঝাকাইয়া লিখিলো ম্যারাডোনা।
ব্রাজিলিয়ান লিখিলো রোমারিও। আর্জেন্টাইন মুখ ঝামটা দিয়া লিখিলো মেসি। ব্রাজিলিয়ান লিখিল রোনালদিনহো।
আর্জেন্টাইন খানিক ভাবিয়া লিখিল বাতিস্তুতা।
এমতাবস্থায় আদিবাসী সেনাপতি ভুরু কুঁচকে তাকালো, ব্যাটা আর্জেন্টাইন জোচ্চুরি করিতেছে। শুধু কিংবদন্তীদের নাম লিখিতে বলা হইয়াছে। যা হোক,ব্রাজিলিয়ান এবার লিখিল রোনালদো। আর্জেন্টাইন চোরা দৃষ্টি দিয়া লিখিল ওর্তেগা।
সেনাপতি ক্ষেপিয়া গেল।
আর্জেন্টাইন জোচ্চুরি করিতেই আছে।
কারন হিসাবে সে লিখিয়া গিয়াছে যে এই পাঁচ নম্বর স্থানের জন্য তাহার দেশে বহু কিংবদন্তী বিদ্যমান।
কাউকে অপমান করিতে অপারগতা প্রকাশ
করিয়া সে আত্মহুতি দিয়াছে।
সেনাপতি দু:খ প্রকাশ করিলেন আর ভাবিলেন " ব্যাটা জিততে পারত ইচ্ছা করলেই"।
ওদিকে আর্জেন্টাইন ভাবিয়াই চলিয়াছে, কাহার নাম লিখিবে?
সেনাপতি এগিয়ে যাইতেছিলেন শিরোচ্ছেদকরিতে। ব্যাটা ইতোমধ্যেই দুইজন অকিংবিদন্তীর নাম লিখিয়া ফেলিয়াছে।
এমতাবস্থায় প্রানের ভয়ে আর্জেন্টাইন পঞ্চম ঘরে লিখিল
"হাভিয়ের মাচেরানো" !!!
আমাজনবাসী কয়েক মুহূর্ত নিরব কাটাইয়া গলা ফাটিয়ে শরীর দুলিয়ে হাসতে শুরু করল।
সেনাপতিও হাসিলেন।
এবং তার জনগোষ্ঠীকে অনেকদিন বাদ হাসানোর উপহার হিসাবে আর্জেন্টাইনকে ছাড়িয়া দিলেন।
.............
কৃতজ্ঞতায়ঃ ব্রাজিল
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



