নাহয়, একটু ধরেছিলামই বা তোমার হাত।
ছুঁয়েছিল তোমার আঙ্গুলে আমার আঙ্গুল।
এক ঝটকায় হাত সরিয়ে আমায় বললে, “অসভ্য কোথাকার”।
নাহয়, বৃষ্টিভেজা তোমার চুল দেখে হচ্ছিল খুব লোভ।
তোমার ভেজা চুলের ঘ্রাণ নিতে চেয়েছিলাম।
তবুও, তুমি আমায় বললে, “অসভ্য কোথাকার”।
নাহয়, তোমার পায়ে দিতে চেয়েছিলাম সুড়সুড়ি।
পায়েরও তো তৃষ্ণা আছে, নাকি? কিন্তু, তা বুঝলে না।
হিল দিয়ে উলটো আমার পায়ে গুতো দিয়ে বললে, “অসভ্য কোথাকার”।
নাহয়, লেকচারের মাঝে তোমার দিকে ছুড়ে দিয়েছিলাম আমার ফ্লাইং কিস।
স্যার তো দেখিনি, নাকি? আর দেখলেও কি? একচুয়াল কিস তো আর না।
সে আশা তো দুরাশাই রয়ে গেল। দীর্ঘশ্বাস...
তবুও, তৎক্ষণাৎ আমাকে এসএমএস দিলে “অসভ্য কোথাকার”।
নাহয়, হাত দিয়ে মুছতে গিয়েছিলাম ঠোঁটের কোণায় লেগে থাকা সস।
মুছতে গিয়ে না হয় সিঁদুরের মত লেপেটে দিলাম আরো ভুলে।
অদ্ভুত!! মুছতে চেয়েছি, এটাও দোষ হল??
চোখ রাঙ্গিয়ে বললে আমায় “অসভ্য কোথাকার”।
নাহয়, তোমার হাতে চেয়েছিলামই বা একটু খেতে।
খাওয়ার মাঝে খুনসুটির ছলে দিলামই বা আঙ্গুলে একটু কামড়।
কী জ্বালা!! বলে উঠলে তুমি “অসভ্য কোথাকার”।
আচ্ছা, তা না নয় হলাম।
ছাড়লাম এই সভ্যতা। শুনলাম বকুনি,
অসভ্য হলাম তোমার প্রেমের। খেলাম চোখরাঙ্গানি।
আপত্তি নেই এই প্রেমে বন্য হতেও। তবুও তো দিল খুশ,
তোমার জন্য হব নাহয় ‘অসভ্যতা’র প্রেমিকপুরুষ...
৫ মে, ২০১৪
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মে, ২০১৪ রাত ৮:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



