somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এটা পতিতাবৃত্তি না হলে ক্যামন পেশাবৃত্তি

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখাটা লেখার সময় কিছুটা দ্বিধা এবং সঙ্কোচ আমাকে পেয়ে বসে। কারন আমাদের সমাজের পাঠকসমাজ এখনো পরিপূর্ণ ভাবে কনো খবর বা ব্লগ মূল্যায়ন করতে পারেন না। তারা সব কিছুকেই সহজে সরলীকরণ ও সমীকরণ করে ফেলে। তাছাড়া এই লেখাটা লেখার আগে আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা শূন্য ছিলো বললেই চলে।
এখন অভিজ্ঞতার সাথে বাস্তবতার একটা সমীকরণ করা যাক। ২৩-০১-১৬ সকাল ৮.৩৫ হবে আমার বন্ধু সঞ্জয় ফোন করলো। সাত সকালে ফোন পেয়ে মেজাজ বেজায় খারাপ হলো।কয় একবার রিং বাজার পর রিসিভ করলাম।তবে ওর সাথে কথা বলার পর আর রাগকরে থাকতে পারলাম না,তখন নিজের উপরই রাগ হলো। আমাকে কেন ফোন করতে হবে?? সঞ্জয়ের অ্যান্টি খুব অসুস্ত তাকে নিয়ে হসপিটালে আসছে ওরা,আমাকেও যেতে হবে। এমনিতে ইচ্ছা বা অনিচ্ছাই হোক হসপিটালে যেতে আমার মধ্য বিন্দুমাত্র ভালোলাগা কাজ করেনা। যাইহোক গোসল না করেই রউনা দিলাম। হসপিটালের গেটে যেতেই মনে হলো এখানে মানুষ রূপী ভগবানদের দেখতে পাবো সাথে তাদের সুন্দরী কিছু সেবিকা,আর কি চাই??
১০.১৫ অ্যান্টিকে একটা ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হলো,তারপর অল্প বয়সী এক ডাক্তার এসে কি যেন পরীক্ষা করে বললেন এতক্ষণ আনেন নি কেন??তাকে জিজ্ঞাসা করলাম স্যার মেজর কিছু??কনো উত্তর নেই।কিছুক্ষণ পর এক সিনিয়র আসলো ১-২মিনিট দেখেই বললেন পাঁচ থেকে ছয়টা পরীক্ষা করতে হবে।সঙ্গয় তখন আগের পরীক্ষার রিপোর্ট দেখাতে গেলে ডাক্তার মহাশয় বললেন এখানে অন্য হসপিটালের রিপোর্ট চলে না। কি আর করার পরীক্ষা করতে হলো।আজব ব্যাপার হচ্ছে আগের রিপোর্টের সাথে এই রিপোর্ট গুলর হুবহু মিল পেলাম।তাহলে উনার সমস্যা কোথায় ছিল এই রিপোর্ট গুলো দেখতে?? ও হ্যাঁ তাহলে তিনার কমিশন!!! রিপোর্ট হাতে পাবার পর ডাক্তার সাহেব বললেন অপারেশন করতে হবে,কাউন্তার থেকে জেনে নিবেন কতো টাকা লাগবে।ঘণ্টা খানেক পর ৪৫০০০ হাজার টাকা জমা দিলাম,তারপর অপারেশন শুরু হলো। অপারেশন শেষে রুগীকে তার বেডে আনতে ওয়ার্ড বয়কে দেওয়া লাগলো ২০০টাকা। নার্সকে দেওয়া লাগলো ৪৫০ টাকা। প্রতিদিনের বেড ভাড়া ১২০০ টাকা।
পরেরদিন সকাল হসপিটালে যেয়ে শুনলাম রুগীকে বাইরের কনো খাবার খেতে দেওয়া হবেনা।প্রতি বেলার খাবার ৩৫০ টাকা। ডাক্তারের ভিজিট ১০০০ টাকা। অ্যান্টির জন্য যে ওষুধ গুলো আনতে হবে সেটাও তাদের ফার্মেসী থেকে,আবার ডাক্তার মহাশয়ের লিখে দেওয়া কোম্পানির হতেই হবে।এখানেও কমিশন!!! হাইরে কমিশন!!!এরাকি নিজের মায়ের কাছ থেকেও কি কমিশন খাই???


আমি এটা বলতেছিনা যে সব ডাক্তাররা খারাপ তবে ভালোর থেকে আজ খারাপের সংখ্যাই বেশি। বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালের যে দুরবস্তা তার থেকে পাবলিক টয়লেট অনেক ভালো। দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নতি বলতে উঁচু উঁচু দালানে মানুষ নামের কিছু জানোয়ার বসিয়ে রাখা। যারা সাধারণ মানুষের রক্তদিয়ে নিজেদের পিয়াস মেটায়।
আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কাছে ডাক্তারদের হাতের ছুরিই সব থেকে বিশ্বস্ত।আর এখনতো সরকারি মেডিকেল কলেজ গুলর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে কিছু উচ্চবিত্ত মেধাশুন্য কসায় বসানো হচ্ছে। আর সমাজের এই সব সুশীল ব্যাক্তি বলে না না বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার মান অনেক উন্নত,তাহলে তারা সর্দি কাশির জন্য বিদেশের হাসপাতালে দৌড়ায় কেন??কয়জন সুশীল আছে যারা আমাদের দেশ থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে?? এদের থেকে নিষিদ্ধ পল্লীর বিশুদ্ধ ফুল গুলাও ভাল,তাদেরও সেখানে থাকতে হলে রূপ যৌবন থাকতে হয় ।এই সব মেয়েদের অন্তত ডাক্তারদের মতো ঢং নাই,টাকা দেও শরীর ভোগ করো চলে যাও। একজন পতিতার মধ্যও নুন্যতম যে মানবিকতা থাকে তা আমাদের দেশের অধিকাংশ ডাক্তারদের মধ্য নেই। তাদের কাছে ডাক্তারি কনো সেবা না এটা একটা পেশা যাহা আমার কাছে পতিতাবৃত্তি থেকেও জঘন্য।

##কিন্তু আমি এয়ো বিশ্বাস করি ডা.এড্রিক বেকার এর মতো মহান এই সব মানুষ আবারো আমাদের মধ্য ফিরে আসবেন,আমারা আবারো বলবো এরা মানুষ নয় এরা মানুষ রূপে ভগবান ##
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কারখানা বাঁচাতে পারিনি, তাই মানুষকে অটো চালাতে হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৪


বাংলাদেশে এখন এমন এক অদ্ভুত অর্থনৈতিক সংকট চলছে, যেখানে একজন শ্রমিক কারখানায় বিদ্যুৎ না পেয়ে চাকরি হারিয়ে অটো রিকশা চালাচ্ছেন। সেই অটো আবার চার্জ দিতে বিদ্যুৎ খাচ্ছে। যে বিদ্যুৎ... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা কে রাখলে এমনি হবে...দাদা, যতদিন পারেন রাখেন

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২



২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানটি ভারতের দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে (Hindon Air... ...বাকিটুকু পড়ুন

খারাপটা কোথায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪


বিশ্বখাতায় নাম লিখিলাম পাগল
কবিতারা হেসেই মাঠে হয়ে যায় ছাগল;
ঘাস খাওয়া আনন্দটা অন্যরকম
তবু পাগল বলে কথা, পূর্ণিমায় যুগল;
আজ কাল হাঁটবাজারে হিংসাটা
কম মূ্ল্যেই বিক্রয় হচ্ছে! যোগোপযোগি
সময়টা পাগল ছাড়া চলেই না
লেখার খাতার দামটাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম্লিগ যদি আসে তাহলে ....... :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৬



বিএনপি। আপনারা ১৭ বছর ঘরে থাকতে পারেন নাই কিন্তু এখন যদি আবার আম্লিগ ফিরে আনেন তাহলে আপনারা তো দূরের কথা আপনার বাড়ির মাটিও থাকবে না। আপনার ঘর-দরজা থাকবেনা। শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরকাল কেন পাই না?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২

বিল গেটস এর নামে একটা কথা প্রচলতি আছে; জানি না কথাটা বিল বলেছে কি না, তবে আমার কাছে মাঝে মাঝে কথাটা সত্য মনে হয়। কথাটা এমনঃ আমি কোন কাজ করবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×