somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যেভাবে এলো পুলিশ বাহিনী!

১২ ই মে, ২০১৫ বিকাল ৪:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইংরেজি "পুলিশ" (Police) শব্দের মানে হলো এমন এক বাহিনী যাদের কাজ শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা, অপরাধের অনুসন্ধান করা আর আইন ব্যবস্হাকে চালু রাখা। এসব কাজের মধ্যে পড়ে জনজীবনের রক্ষণাবেক্ষণ।
পৃথিবীর সব দেশেই পুলিশব্যবস্হা চালু আছে।

মানব সভ্যতার আদি অবস্হায় একজন যূথপতি মানে একটি দলের অধিপতি কয়েজন বলশালী যোদ্ধাকে দলের ভেতর শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নিযুক্ত করতো। অর্থাত্ সেনাবাহিনীর লোকেরাই পুলিশের কাজ চালাতো।

রোমের সম্রাট "সিজার অগাস্টাস" তার দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি রক্ষার জন্য পৃথিবীতে প্রথম একটি পুলিশ বাহিনী তৈরি করেছিলেন। ঘটনাটি ঈসায়ী সাল আরম্ভের সমসাময়িক। এ পুলিশ বাহিনী প্রায় সাড়ে তিনশো বছর টিকেছিলো।
সেকালে পুলিশ শুনতো শুধু রাজার হুকুম।

সপ্তম শতাব্দীতে লোকের মনে দেখা দিলো পাহারাদার বাহিনীর কথা। তারা ভাবলো পাহারাদার বাহিনীর লোকেরা শুধু রাজার আদেশ অনুযায়ী না চলে তাদের উচিত জনসাধারণের নিরাপত্তার ব্যবস্হা করা, তাদের ধন-সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ করা, দেশের আইন ব্যবস্হাকে কার্যকর রাখা প্রভৃতি কাজ।

এ ধরনের চিন্তাধারা প্রথমে ইংল্যান্ডের অধিবাসীদের মনে উদয় হয় এবং পরে তা আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়ে।

ইংল্যান্ডেই প্রথম জনসাধারণের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনী দেখা দিলো। ভারতবর্ষে ইংরেজদের ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের রাজত্ব কালে ১৭ ডিসেম্বর ১৭৭২০ সালে প্রথম পুলিশ ব্যবস্হা চালু করে।
সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বড় দারোগা, ছোট দারোগা আর ১০ জন করে সেপাই মোতায়েন করা হয়।

তারপর ১৮৬১ সালে দেখা দিলো পুলিশ এক্ট। এ সময় পুলিশের পোশাক, বেতন, চাকরির শর্ত এসব তৈরি হলো আর তখনই ঠিক হলো পুলিশের অন্যান্য কার্যাবলি।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেল পাকলে কাকের কী?

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ২৫ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:১৫

বন্ধু বান্ধব বিয়ে করছে। কিন্তু তাদের মনে অনেক দুঃখ। কত আশা ছিল সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করবে অথচ জুটছে মোটা, কালো সব মেয়ে। বর্ণবৈষম্য হয়ে যাচ্ছে মনে হয়। তবে এটা কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্র রাজনিতি বন্ধ করতে হবে। বিশ্বের সভ্য কোন দেশেই ছাত্রদের লাঠিয়াল বাহিনি হিসেবে ব্যবহার করেনা।

লিখেছেন নতুন, ২৫ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২৭



দেশের ভবিষ্যত নেতা তৌরির কারখানা হিসেবে অনেকেই ছাত্ররাজনিতির দরকার আছে বলে ধারনা করে। কিন্তু বর্তমানে ছাত্ররাজনিতিকদের কাজে বোঝা যায় সময় এসেছে বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার। ছাত্ররা বর্তমানে রাজনিতিক দলের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সত্যিকারের দেশপ্রেম কী?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে মে, ২০২২ দুপুর ১:২৬


বাংলাদেশে দেশপ্রেম বলতে আওয়ামীলীগের ক্ষেত্রে ভিন্ন মতের বিষোদগার করা, মাইকে গলা ফেটে বঙ্গবন্ধু গুনকীর্তন গাওয়া, বঙ্গবন্ধু কন্যার গুনকীর্তন করা, জাতীয় দিবসগুলোত ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা করা এবং ভিন্নমতকে রাজাকার, দেশবিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিচারণঃ নজরুল

লিখেছেন জাদিদ, ২৫ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:১৮


ছবি সুত্রঃ shadow.com

নজরুলের মাহযাবঃ
আমি সাধারনত পাগল, ছাগল এবং আঁতেল এই তিন শ্রেনীর মানুষ দেখলেই সাথে সাথে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু অনেক সময় তা সম্ভব হয় না, নুন্যতম ফরমালিটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

এত বড় কবি কেন দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেলেন না?

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৫ শে মে, ২০২২ রাত ১০:৪০



বাংগালীরা পড়তে ও লিখতে জানতেন না, যারা সামান্য লেখাপড়া জানতেন, তাঁদের বড় অংশ ছিলেন দরিদ্র, যাদের সামর্থ ছিলো, তারা বই কিনতো না; এই কারণে, কবির তেমন আয় ছিলো না। তখনকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×