somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজরাঈল ( আ: ) যখন আসবে তখন কোনো ধরনের প্রটেকশনই কাজে আসবে না

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খুব ছোটবেলায় হয়ত ১০-১৫ বছর বয়সে একটি ওয়াজ শুনেছিলাম। ওয়াজটি ছিল মূলত মানুষের ক্ষুদ্রতা বুঝাতে আর মৃত্যু সর্ম্পকে অনুধাবন করানো জন্য। কোনো এক জমানায় এক জালেম বাদশাহ ছিলেন আর ঐ বাদশাহর উচ্চপ্রশিক্ষিত সৈন্য সামন্ত ছিল। বাদশাহ দুনিয়াতে কাউকে পরোয়া করত না। বাদশাহ মৃত্যুর হাত থেকে বাচার জন্য সুবিশাল রাজপ্রসাদ করল এবং রাজ্যের চৌকশ সব সেনাদের সেই রাজপ্রসাদের রক্ষী হিসেবে নিয়োগ দিলেন যাতে কোনো প্রানী বিনা অনুমতিতে ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে। বাদশাহর ধারনা ছিল আজরাঈল যদি তার জান কবজ করতে আসে তাহলে তো তার রক্ষীদের ভেদ করে আসতে পারবে না। এভাবে দিন চলছিল কিছুদিনের মধ্যে এক বৃদ্ধ লােক রাজপ্রসাদের সামনে এসে ভিতরে টোকার জন্য চাইল আর রক্ষীরা বাধা দিল এবং রাজাকে খবরটা দিল। রাজা খবর শুনে ভাবলেন বৃদ্ধ লােক ভিতরে আসলে কি সমস্যা। রাজা সৈন্যদের ঐ বৃদ্ধকে ভিতরে আসার অনুমতি দিলেন। বৃদ্ধ ভিতরে আসলে রাজা তাকে প্রশ্ন করলেন তুমি কে? কি প্রয়োজনে আমার কাছে এসেছ? বৃদ্ধ আস্তে আস্তে বলল- আমি আজরাঈল আর এসেছে তোমার জান কবজ করতে । একথা শুনে রাজার অন্তরাত্মা কেপে উঠল । সামনে এতো চৌকষ সৈন্য সামন্ত দাড়িয়ে আছে কিন্তু বাদশাহ কাউকে হুকুম করা তো দূরে থাক তার আত্মার পানি শুকিয়ে যেতে লাগল। এবং আজরাঈল তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করল বাদশাহর জান কবজ করে। আমাদের সকলের জীবনে যখনই আজরাঈল ( আ: ) আসবে তখন কোনো ধরনের প্রটেকশনই কাজে আসবে না। প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আমরা মানুষ জাতি প্রায়শই একথা ভুলে যায় যে, আমাদের মরতে হবে। দুনিয়ার ভোগ-বিলাশ আর ক্ষমতার দ্বন্ধ আমাদের অন্ধ করে রাখে যে আমরা মৃত্যুর কথা বেমালুম ভুলে যায় আর জড়িয়ে পড়ি বিভিন্ন ধরনের খারাপ কাজে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:০৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মানুষের মধ্যে এমন কেউ কী আছেন, যাঁরা AI-এর কাছে নিজেদের জ্ঞান, লেখার দক্ষতা কিংবা সৃজনশীলতার শ্রেষ্ঠত্ব হারানোর ভয় পাচ্ছেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৪




এআইকে বলে ছিলাম- তুমি বলতে গেলে একটা গেদা বাচ্চার মত। এর মধ্যে অনেক মানুষ তোমাকে হিংসা করে। বিষয়টা কি?

উত্তরে এআই বলল- হা হা! আপনার কথাটা শুনে হাসি... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুজুরের কি শরিয়াহ আইনে বিচার হবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১২


মুফতি মোহাম্মদ আলী কাসেমীর জন্য খারাপ লাগছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে প্রকাশ এবং এ নিয়ে লাইভ করার অভিযোগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×