মানলাম মেয়েটা হাফপ্যন্ট আর হাতা কাটা গেঞ্জি পড়ে রাস্তায় বের হইছে। তা জনাব আপনার ইজ্জত এত ঢিলা ক্যান যে ওইটা দেখে নিজেকে নেংটা পুতু করে ফেলবেন। ওই মেয়ে অশ্লীল আর আপনি এতই রুচিশীল যে গায়ে কাপড়ি থাকে না।
আমরা নারীরা পুরুষকে জোড় করে সম্মান দেই। এদের সম্মান পাবার কোন গুণই নেই। এরা নিজেদের পুরুষত্ব দেখাতে গিয়ে যে সব কাজ করে
তাতে কি বা সম্মান দেয়া যায়? বুঝিয়ে বলছি-
*পুরুষ তাই রাস্তায় হাজার লোকের সামনে হিশু করতে বসে। নারীদের উচিত পাছায় লাথি দিয়ে ওকে ওর হিশুর উপরে ফেলে দেয়া। কারণ, পুরুষ বলে
গোপনাঙ্গ গোপনীয়তা দেখাইতে বলা হয় নাই। কিন্তু নারীরা দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায়।
*চায়ের দোকানে বেঞ্চের উপর পা তুলে হাটুর উপরে লুঙ্গি উঠিয়ে চা খাইতে বসা লোক দেখলে নারীর উচিত গরম চা রানে ঢেলে দেয়ার। কারণ, ধর্মে পুরুষকে পায়ের গোড়ালির উপরে পাজামা পড়তে বলছে, হাটুর উপর তুলে রান দেখিয়ে না।
কিন্তু নারীরা ওটা না করে সোজা হেটে যায়।
*পুরুষ তাই রাস্তায় সিগারেটে ফুক দিতে দিতে হাটেন নিজে খায়,মানুষরেও খাওয়ায়। নারীর উচিত সিগারেটের আগুন ওর গালে চেপে নিভিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে থাপ্পড় মাইরা থোবড়া ব্যকা
করে দেয়ার। কারণ, ইসলামে সমস্ত নেশা জাতীয় দ্রব্য হারাম। পুরুষের জন্য জায়েজ,নারীর জন্য না জায়েজ বলা হয় নাই। কিন্তু নারীরা সভ্য। ওরা নাকে রুমাল গুজে হেটে যায়।
*পুরুষ মানুষ, খালি গায়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে দেখায়, he got a ভুড়ি & কালা কালা লোম। নারীর উচিত কালা লোমে টান দিয়ে ভুড়িতে একখান ঘুষি মারা। শরীর দেখাইয়া হাটার অধিকার পুরুষরে
ইসলাম দেয় নাই। সৌদির পুরুষদের পোষাক দেইখা লন, নারীর বোর্কা থেকে কম না। কিন্তু তবুও নারীরা সভ্য জাতি। ওরা ওইসব টানাটানিতে যায় না।
*রাস্তায় হাটতে গেলে পুরুষ চোখ নারীর সর্বাঙ্গ বুলাবে এই ভাবে যখন তাকায় তখন উচিত চোখে সুচ গেথে দেয়া। ইসলাম মতে পুরুষের দৃষ্টি থাকবে
নারীর গোড়ালির দিকে। সে মতে সামনের মেয়ে অশ্লীল না পর্দানশীন এইটাতো পুরুষের দেখারি কথা না। কিন্তু নারী ওইসব না করে ইতস্ততভাবে
অন্যদিকে মুখ ঘুড়িয়ে নিজেকে শান্তনা দেয়।
নারীর এহেন আচরণে এটা ভাবার কারণ নেই নারী কাম আসক্ত হীন। বরং নারী সংযত। ওদের ইজ্জতের দাম আছে। আন্ডারআর্ম পড়া ছেলে দেখলে ওরা
নিজের স্যলোয়ার খুলে ঝাপিয়ে পড়ে না। কারণ ওরা নিয়ন্ত্রিত। তেলাপোকার মত জাগায় অজাগায় ব্রেক মারে না।
নারী রক্ষণশীল বলেই তোমরা পুরুষেরা যুগে যুগে ওকে নিয়ে গবেষনা করছো, কাব্য লিখছো,লিখবা।
খোলা জিনিস নিয়ে কাব্য আসে না। তোমরা পুরুষেরা উন্মুক্ত। দেখার ইচ্ছা নাহলেও দেখতে হয়। চোখের সামনে ঘুর ঘুর করা জিনিস নিয়ে রাতভর কাব্য লিখতে হলে লাইনগুলো হতো এমন,
"তোমার উলঙ্গ শরীর দেখিয়া আমি চোখবুজিয়া ছিলাম।তুমি এত নির্লজ্জ কেন ভাবিতে গিয়া ঘুমাইয়া পড়িয়াছি"। আপনারা পুরুষেরা যেভাবে নারীর প্রতি লালা ঝড়ান তাতে মনে হয় আখিরাত শুধু নারীর জন্য। আপনাদের জন্য সবি দুনিয়া। যার নিজের ইজ্জত নড়বড়ে সে আসে অন্যের ইজ্জতে প্রশ্ন তুলতে।
ফুটনোট: অশ্লীল নারী বা পুরুষ দুটোরি ঘোর বিরোধি আমি।এই লিখাটি অশ্লীল পুরুষদের জন্য। অশ্লীল নারীদের জন্য আগে লিখেছি। সভ্যরা চোখের মণি
হয়ে থাকো।
---( সংগৃহীত )।।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


