
১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু সেটার জন্যই তাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও দায়ী ব্যক্তিদের অবশ্যই, অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া একান্তই প্রয়োজন। ন্যায়বিচার ও জুলুমের পুনরাবৃত্তি রোধেই এমনটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
২। নানান অপকর্মের দায়ে অভিযুক্ত লীগের শীর্ষ ও অন্যান্য নেতৃত্বের শাস্তিদানের পক্ষে থাকলেও দল হিসেবে লীগকে নিষিদ্ধ রাখার পক্ষে আমি নই। ধীরে ধীরে লীগের রাজনৈতিক কাজকর্ম নরমালাইজ করার এবং সামনের নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার পক্ষে আমি। কেননা, দেশের লংটার্ম রাজনীতির হিসাব করলে 'পরিশুদ্ধ' লীগের উপস্থিতির প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করি।
৩। লীগের উচিত তাদের ব্যর্থ ও ক*লুষিত শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে খারিজ করে, বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্বের হাতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তুলে দেওয়া...সেটা এমনকি যদি সজিব ওয়াজেদ জয়, সাবের, আইভি, বা যে কারো মাধ্যমে হলেও হতে পারে...এতে তাদের প্রতি দেশের বিপুল অংশের মানুষের সমর্থন বাড়বে বৈ কমবে না। হাসিনা, কাদেরসহ লীগের বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বেরও সেটা বুঝতে হবে। স্বয়ং শেখ হাসিনাকেই নতুন শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়ে লীগের ভবিষ্যতকে সুগম করতে হবে। গোঁ ধরে পদ আঁকড়ে থাকা কোনো কাজের কথা হবে না দীর্ঘমেয়াদে দলের অস্তিত্বের কথা চিন্তা করলে। নতুন ও পরিশুদ্ধ নেতৃত্বের হাতেই লীগের দায়িত্ব তুলে দিলেই কেবল তাদের রাজনীতিকে নরমালাইজ ও নির্বাকচনে অংশ নিতে দেওয়ার কাজটা করতে দেওয়া সহজ হবে খোদ বিএনপি সরকারেরও।
(*এই তিনটি পয়েন্টে কারো কোনো দ্বিমত/ভিন্নমত থাকলে জানিয়েন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

