এতদিন আপনারা ভারতীয় সিরিয়ালে পরকিয়া দেখে এসেছেন। এবার জানুন রিয়েল লাইফের পরকিয়া। যেই সেই ব্যক্তি নয়, রীতিমত হ্যাভিওয়েটেড ব্যক্তির। যিনি আবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। জী রেলমন্ত্রী মুজিবলের কথাই বলছি। আপনারা জানেন তিনি দীর্ঘ তিন বছর প্রেম করে চান্দিনার হনুফাকে বিয়ে করতেছেন, আসলে এটা শুধু প্রেমই নয় রীতিমত পরকিয়া প্রেম। অবাক হবেন না, এই বুড়া মিয়ার পরকিয়ার প্রেমের কাহিনী এখানেই শেষ নয়।
অনেকে ইতোমধ্যেই জেনেগেছেন রেল মন্ত্রীর প্রেমিকা সেকেন্ড হ্যান্ড, মানে হনুফার আগেও একবার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু আপনি কি জানেন আগের ডিভোর্সটা কেন হয়েছিল?? জি, এই ডিভোর্সটা ঘটিয়েছেন বুড়া রেল মন্ত্রী মুজিবুল হক নিজেই। হনুফাকে নিজের করে পাওয়ার জন্য। এবার শুনুন বিস্তারিত।
রেল ইঞ্জিনের নব বগির সাথে সুদীর্ঘকাল প্রেম ছিল তারই আপন মামাত ভাইয়ের সাথে। হনুফাদের আর্থিক অবস্থা তেমন ভাল নয়, কিন্তু তার মামাদের অবস্থা অনেক ভাল, বিশেষ করে তা মামাত ভাইরা বিদেশে থাকার কারণ। হনুফার প্রেমিক মামাত ভাই থাকতেন মিডেল ইস্টে। যেহেতু তার সাথে হনুফার প্রেম ছিল সেহেতু সে সেখান থেকে হনুফার জন্য প্রচুর টাকা পাঠাত। ধরতে গেলে হনুফা তার টাকাই স্কুল লাইফ থেকেই ভার্সিটি লাইফ পর্যন্ত তারা লেখা পড়া শেষ করে। এইছাড়া সে হনুফার পিছনে প্রচুর টাকা ব্যয় করে।
এর মধ্যে হনুফার সাথে তার বিয়ে হয় তবে আনুষ্ঠানিক নয় । বিয়ের পর তারা অনেক সময় এক সাথেও ছিল। এরপর তার মামাত ভাই, বিদেশ চলে যায়। এদিকে হনুফা আক্তার সরকারি চাকরির জন্য এলাকার এক ব্যক্তির সাথে বুড়া রেল মন্ত্রী মজিবুল হকের সাথে দেখা করেন। সেখানেই তাদের পরিচয়, ফোনে কথা বলা, প্রনয়, এরপর প্রতিদিন বিকালের গাড়ি নিয়ে ঘুরাঘুরি। এরমধ্যে মুজিবল হকের চাপে হনুফা তার স্বামীর একটা সন্তান নষ্ট করে, পরে ফাইনালি স্বামী মামাত ভাইকেও ডিভোর্স দিয়ে দেয় বছর দেড়েক আগে।
হনুফা আমাদেরকে বলত সে মন্ত্রনালয়ে চাকরি করত, আসলে সে চাকরি করত হামদর্দে।
গত কিছুদিন আগে হনুফার সাবেক প্রেমিক স্বামীর সাথে কথা হয়েছিল। হনুফার কথা উঠতেই সে সারা সময় ধরেই গালি দিয়েগেলেন। মেয়েটা নাকি তার বিদেশ জীবনের পুরো অর্থটাই মেরে দিয়েছে। তার সংসার শেষ করে দিয়েছে, জীবনটাও শেষ করে দিয়েছে। প্রচুর কান্নাকাটি করছিল তখন সে।
সে যায় হোক, আসল কথা সেটা নয়, আসলটা হচ্ছে এই বুড়া মজিবুল হক কি করে পরকিয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে অন্যের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে আসল???
তাকে সত্যি সেলুট জানাতে হয়, সে আসলেই একজন সফল প্রেমিক। ইঞ্জিন পুরনো হতে পারে বাট বগি টানার মত যথেষ্ট এনার্জি কিন্তু একখনো তার আছে। যার প্রমাণ হনুফা আক্তার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




