মা দিবসে হাজার হাজার মানুষের ষ্ট্যাটস, মায়ের সাথে তোলা সেলফি দেখেছিক। কিন্তু সে অর্থে কোন অনুভূতি কাজ করেনি। ৩৬৫ দিনের মাঝ থেকে একটি দিন বিশেষ ভাবে তুলে এনে মা দিবস পালন করা- এই পশ্চাত্য বস্তুবাদী ও পুঁজিবাদী সমাজের দর্শন কোনভাবেই আমি বিশ্বাস করিনা। আমি শুধু বিশ্বাস করি বছরের ৩৬৫ দিন নয় শুধু , ৩৬৫ দিনের পরে যে কয়টি সেকেন্ড হিসাবের বাহিরে থেকে যায় সেটা শুদ্ধ গোটা জীবনটাই মায়ের জন্য-মা থেকে পাওয়ার জন্য। মায়ের কোন প্রান্তিক উপযোগ নাই। কাজেই সন্তানেরও কোন প্রান্তিক উপযোগ থাকা উচিত নয়।
মা দিবসের কোন ইভেন্টের সাথে নীতিগত ভাবে আমি একমত না হলেও আমার কিছু বন্ধুর কর্মকান্ড আমাকে দারুন ভাবে বিমোহিত করেছে। এবার মা দিবসে চট্টগ্রামের মিরসরাইতে আমার কিছু বন্ধু একটি হৃদয়ে সাড়া জাগানো ইভেন্টের জন্ম দিয়েছে। মা দিবসে তারা তাদের মা'কে নিয়ে ঘুরতে গেছে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে। আবার বাসে চড়ে নয়, রীতিমত বিমানে চড়ে। সন্তানদের কথা, " আমরা বছর জুড়ে নানা ইভেন্টে বউ সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে বের হই, কার্যত মায়েদের কে কেউ ঘুরতে নিয়ে যাইনা। মনে করি মায়ের অন্ন-বস্ত্র-চিকিৎসার খরচ বহন করলেই যথেষ্ট । কিন্তু মায়েদেরও টো একটা মন ও জীবন আছে। চার দেয়ালের সনাতনী সমাজে ওরা কাটিয়ে এসেছে রুদ্ধশ্বাস বছরের পর বছর। তাই এবার আমরা শুধু আমাদের মায়েদের কে নিয়ে ঘুরতে বের হলাম। বিমানে ছড়া প্রসঙ্গে ছেলেদের অভিমত, গ্রামের এ্ই মায়েদের কোনদিন বিমান ছড়া হয়নি-বিমান তাদের কাছে দুর আকাশে তাকিয়ে দেখা এক বিস্ময়। তাই তাদের কে সেই বিস্ময়ের সাথে সাক্ষাত করিয়ে দিলাম মা দিবসে।
অসাধারণ আইডিয়া। এই বন্ধুদের নিয়ে গর্ববোধ করছি। স্যালুট শিবলু, রাখাল, ইসমাঈল, আরিফ, টুটুল।



অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


