somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২০১২ এর সত্যি ব্যাখ্যা।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


২০১২ নিয়ে আমার দুটি কাল্পনিক মত আর একটি ভৌতিক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। প্রথম মত, মায়া সভ্যতার কিছু আধুনিক পাগল ঠিক করলো ভবিষ্যৎ কিছু আধুনিক পাগল কে ভয় দেখাতে হবে, আমরা ওদের সাথে একটু মজা করি। দ্বিতীয় মত, মায়া সভ্যতার কিছু আধুনিক পাগল হিসাব করে দেখল ঘটনা সত্য ভবিষ্যৎ কিছু আধুনিক পাগল ভাইদের সাবধান করতে হবে। যেই ভাবা সেই কাজ তাঁরা এমন একটা পঞ্জিকা বানাল যেটা আমাদের সময়ে হিসেব করলে ২০১২ এর পর আর নেই। এরপর এক সময় মায়া সভ্যতা ধ্বংস হল। মানুষের বর্তমান সভ্যতা এল সভ্য মানুষ মায়া সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ পেল। এখানেই পঞ্জিকাটি পাওয়া গেল। এটাই মায়া সভ্যতার দিয়ে যাওয়া দিয়ে যাওয়া নিদর্শন। তারা মনে করেছিল ২০১২ এর পরে যখন ভবিষ্যৎ এর কিছু আধুনিক পাগল জিজ্ঞাসা করবে এর পরে আর নেই কেন? কেন নেই? এর পিছনে কি কারন থাকতে পারে। স্বীকার করুন আর নাই করুন, এই ভেবে কিন্তু পৃথিবীর অনেক মানুষ দুশ্চিন্তা করছে। অনলাইন এ ২০১২ লিখে সার্চ দিলেই হোল, পারলে অসীম ফলাফল চলে আসে। এর মানে কিছু মানুষ এটা নিয়ে অবশ্যই ভাবছে। একটু গভীরভাবে ভাবলে রোমাঞ্চকর অনুভূতি হয়। যদি দ্বিতীয় মত সঠিক হয়, তবে ঘটনা সাংঘাতিক, ভয় আপনাকে পেতেই হবে। ২০১২ এর সপক্ষে যত ব্যাখ্যা আছে সেটা নিয়ে একজন মানুষ তার সারা জীবন পার করে দিতে পারে এবং ব্যাখ্যা আরও বাড়াতেও পারে এবং সব ব্যাখ্যা যৌক্তিক। তাই ঘটনা যদি ঘটেই যায় কারো তো রক্ষা নাই তাই সবার উচিত ওই দিনটিতেই প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা যাতে আসল প্রকৃতিরঙ টা বোঝা যায়। এইবার ভৌতিক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী বলি। অনেক অনেক দিন পরের কথা আমদের এই মানুষ সভ্যতা মায়া সভ্যতার মতো তখন ধ্বংস হয়ে গেছে। পৃথিবীতে তখন ভুত-পেত্নীদের সভ্যতা। পৃথিবীর সব থেকে ধনী ভূত-পেত্নীরা ঢাকা ইয়র্ক এ থাকে। তারা মুভি দেখে, ইউটিউব এ ভিডিও দেখে, ফেসবুক এ শেয়ার করে। অর্থাৎ সব প্রযুক্তি ই আছে বরং আমাদের এই ২০১২ থেকে বেশি উন্নত । এই উন্নত জাতীর মধ্যে একটা পেত্নী, হ্যাঁ মেয়ে, আপনি ঠিক ই ধরেছেন উনি নারী। এটা তার গল্প। আমার নিজের নিরাপত্তার জন্য আমি ওনার নাম প্রকাশ করতে পারছিনা বলে দুঃখিত। ঘাড় মটকে দিতে পারে। ধরে নিলাম নামঃ পেত্নী এক্স। অন্যান্য সত্যি তথ্য, পেশাঃ নৃতত্ত্ববিদ। জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী। বয়সঃ ১৬। উচ্চতাঃ ৩.৯মিটার। ওজনঃ ১১৭গ্রাম। এক লাফে ২ মিনিট সতের সেকেন্ড উড়তে পারে হিপ হপ মুভমেন্টে । সর্বোচ্চ গতি ৬০ কিমিঃ। মাত্র বার বছর বয়সে ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকা ইয়র্ক থেকে পড়ালেখা শেষ করেছে। বলে রাখা ভালো তখন ভূত-পেত্নীদের গড় আয়ু হচ্ছে ৩৯ বছর। পেত্নীর এই সব যোগ্যতা শুনে মনে হতে পারে অসাধারন কোন পেত্নী আসলে সেটা না। কারন অন্যান্য ভূত-পেত্নীদের যোগ্যতা এই পেত্নী এক্স এর থেকে অনেক বেশি। গড়ে অন্য পেত্নীরা এক লাফে ৫ মিনিট এর বেশি উড়তে পারে। পেত্নী এক্স এর সব যোগ্যতা গড় যোগ্যতা থেকে কম, মানে স্পোর্টি পেত্নী না, কিন্তু সে একজন বিখ্যাত নৃতত্ত্ববিদ। । এই সভ্যতার ভূত পেত্নীরা রাতের বেলা পৃথিবীর আন্ডারগ্রাউণ্ড এ থাকে এবং তাদের কাজকর্ম করে। উপরিভাগের বাতাস দুষিত হয়ে গেছে অক্সিজেন এর সিলিন্ডার নিয়ে যেতে হয় আর তখনি উড়াউড়ির কাজটা বেশি হয় বিশেষ কাজ ছাড়া উপরে যাওয়া হয়না। ততদিনে পৃথিবীর আন্ডারগ্রাউণ্ড এর প্রাকৃতিক সম্পদ শেষ। তারা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য আয়না বসিয়ে দিয়েছে যার মাধ্যমে সূর্যের আলো পৃথিবীর কেন্দ্রে যেয়ে জমা হচ্ছে। আর সেখান থেকেই এনার্জি নিয়ে পৃথিবীর সব ভূত-পেত্নীরা প্রযুক্তিতে ব্যাবহার করছে। পৃথিবীর প্রধান যোগাযোগ ব্যাবস্থার নাম তখন গ্র্যাভিটেশন এলিভেটর সিস্টেম। পৃথিবীর মাঝখান দিয়ে ট্র্যাক তৈরি করা, ওই ট্র্যাক দিয়ে এলিভেটর চলাচল করে। এলিভেটর এর মধ্যে ডেসটিনেশন বাটন গুলোতে শহর এবং দেশের নাম দেয়া আছে। কাঙ্ক্ষিত বাটন চাপলেই সেখানে নিয়ে যাবে। মাত্র ৪২ মিনিট এ ঢাকা ইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন পাড়ায় চলে যাওয়া যায়। পেত্নী এক্স কে ওয়াশিংটন এ ডেকে পাঠানো হয়েছিল একটি সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে সেটা দেখে আসার জন্য। এক্স একমাস ধরে ওই জায়গা টি খুড়ে খুড়ে দেখে কিছু জিনিস খুজে পেয়েছে এখন সে দেশে ফিরছে। ওয়াশিংটন পাড়া থেকে ১৫ মিনিট আগে ওইরকম একটি এলিভেটর এ উঠেছে এখনও ২৭ মিনিট লাগবে ঢাকা ইয়র্ক এ পৌছাতে। হটাৎ এলিভেটর টি থেমে গেল। একটি লেজার থেকে খুব সুক্ষ আলো বের হয়ে একটি টিভির মতো পর্দা হয়ে গেল এরপর কালো ধোয়া দিয়ে লিখা ব্রেকিং নিউজ দেখাচ্ছে এলিভেটর ইসরায়েল ভেগাস এবং এলিভেটর ইউএসএ গাজা মুখোমুখি সংঘর্ষে এগারো জন ভূত পেত্নী নিহত, আহত ২৭ জন। যাত্রায় সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। পেত্নী এক্স এর মেজাজ খারাপ হচ্ছে, পকেট থেকে পাইপটা বের করে কিছুটা তামাক বানিয়ে পাইপ টানা শুরু করলো। পাইপ টি দেড় ফুট এর মতো লম্বা ছোট ছোট খোদাই করে লিখা মেড ফ্রম অরিজিনাল হিউম্যানস বোন। পেত্নী এক্স ওই ধ্বংসাবশেষ এ একটি ডিভাইস পেয়েছে যার থেকে এখনো কিছু বের করতে পারেনি। ওটা নিয়েই নাড়াচাড়া করছিল। এখনো ব্যাপারটা মাথা থেকে বের হচ্ছে না। কি এটা? দেশে যেয়েই ওই ডিভাইস টি চালু করতে হবে। কিছুক্ষণ পর এলিভেটর আবার চলতে শুরু করলো। ঠিক ২৭ মিনিট পর পেত্নী এক্স ঢাকায় পৌঁছে গেল। বাসায় ঢুকেই সে ডিভাইসটিকে ঠিক করে চার্জ করলো। মানুষ সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার করা শেষ প্রযুক্তি। এটা ওপেন করতে পারলে অনেক কিছু জানা যাবে। কিছুদিন গবেষণার পর পেত্নী এক্স দুটি তথ্য বের করতে পারল।
এক। ডিভাইসটির নাম NOKIA E72.
দুই। ডিভাইসটি তে একটি ফাইল পাওয়া গেছে দেখে মনে হচ্ছে ফাইলটি মানুষ সভ্যতার পঞ্জিকা হিসেবে ব্যাবহার করা হতো। সমস্যা হচ্ছে ওই পঞ্জিকার শেষ তারিখ ৩১/১২/২০৬০/ কোন ভাবেই ৬১ সাল ইনপুট করা যাচ্ছেনা।
এরপর পেত্নী ওই পঞ্জিকা টি নিজেদের পঞ্জিকার সাথে মিলিয়ে দেখল ভূত পেত্নীদের সভ্যতার পঞ্জিকায় ওই তারিখ আসতে আর বেশি দেরি নেই।
এখান থেকেই গল্পের শুরু।
অপেক্ষা কর...............।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৩৪
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৬


৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

টাই চাই

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩১

সরকারি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: অদ্য হইতে কোনো সরকারি বা বেসরকারি কার্যালয়ে ও সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত স্থানে টাই ও বেল্ট পরিধান দণ্ডনীয় অপরাধ। কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে একবাক্যে: "কর্মক্ষেত্র ও যত্রতত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×