somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

অরন্যের কিছু অধরা কাহিনী

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অরন্যের কিছু অধরা কাহিনী আমাকে খুব হাসায় মাঝে মাঝে । এই রহস্য ময় মানুষটি আমাকে একদিন একটা চিঠি দিল তাতে লিখা ছিল তিন টা লাইন
প্রথম লাইন টা ছিল - দেখ প্রিয়া আমি আমার করে কিছুই চাইনা এমন কি আমাকে আমি চাইনা ।
দেখ আমার আপন বলে কিছুই পায় নাই এমন কি আমি ও আমার আপন না।
আমার জিবনে সব কিছু অধরা বলতে পার আমি ও আমার কাছে অধরা ।
যাই হক সে কথা - তার সাথে কোন মেয়ের পরিচয় হলে একটু ভাব হলে তাঁর নাম দিত অধরা । এই অধরা নামে মেয়েদের নিয়ে কবিতা লিখত । একেই কবিতা একেক জনকে দিত । কত জন অধরা ছিল তা সিরিয়াল বলা যাবে না তবে একটা মেয়ে কে সে ডাকত অধরা শতরূপা । আসলে মেয়েটার নাম চিল রুপা আর রুপা কে শতরূপা বলায় আমার মনে খটকা টা পরিষ্কার হল । কারন সবার নামের শেষে বা প্রথমে অধরা যোগ করত । যেমন অধরা জ্যোতি , অধরা জুই , অধরা মায়া , অধরা অশ্রু । সে যে শত তম তা বুঝতে পারলাম ।
আবার কোন মেয়ে কে সে ডাকত সারমিন অধরা , ফারজানা অধরা , রকেয়া অধরা , আসমা অধরা । এই নামের আগে বা পরে অধরা বসানোর পিছনে ও একটা কারন ছিল ।
যে মেয়ে ওর প্রেমে পাগলামি করত । ওর যে কোন কথা শুনত তাঁর নামের পরে অধরা লিখত । আর যে সকল মেয়ে কে ও কারো সাথে বাজি লেগে নিজের দলে আনত তাদের নামের আগে অধরা লিখত । কিন্তু তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ হটাৎ জানতে চাইত যে অরণ্য আসল অধরা কে । কিন্তু কেউ তাঁর অধরা কে চিনত না । কিন্তু একটা পেন্সিলের আঁকা ছবি তে শুধু লিখে ছিল অধরা আমার । ঐ ছবিটার মেয়ে কে কেউ আর চিনতো না । তবে মানি ব্যাগের রাখা একটা মেয়ের ছবির সাথে মিল থাকায় কারো চিনতে অসুবিধা হয় নাই । ঐ ছবিটার জন্য কলেজে অনেক সুনাম অর্জন করে ।..................... অরন্যের দেয়া দুই এক জন কে ফেইস বুকে পাওয়া যায় নামের আগে বা পরে এখনো অধরা লিখে ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এক কাপ চা, আর ফিরে দেখা ২০০৯-এর সেই দিনগুলো

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০১



এক কাপ চা, আর ফিরে দেখা ২০০৯-এর সেই দিনগুলো

কিছু জায়গা শুধু জায়গা নয়—সেগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আমাদের জীবনের একটি সময়, কিছু মানুষ, কিছু অভ্যাস আর অসংখ্য ছোট ছোট স্মৃতি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের স্টেশনে

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৭

রেল স্টেশনে অপেক্ষা। ট্রেন আসছে। এখনো ঐ দূরে। কিন্তু তার আগমন দেখলেই আমার ভেতরে এত কন কন করে উঠে কেন জানি না। কেন এই কষ্ট বারবার হয়?... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাথর ছুঁড়ে হত্যা করার কথা!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৯


সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের পর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁর এমপি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×