না অরন্য এভাবে অপেক্ষা করা সম্ভব না ! তুমি তো জানো আমার কলেজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ।
হ্যা জানি কবিতা কিন্তু আমার পক্ষে কোন সিদান্ত নেয়া ঠিক হবে না। কেন প্রেম করার সময় সেটা ভেবে প্রেম করতে । শুন কবিতা প্রেম প্রেম শীত কাল না যে বলে কয়ে বছরের সেস সময় আসবে । তাহালে অরন্য আর দেখা হবে না আমি উঠলাম - এই বলে কবিতা বিদায় নিবে আর শুরু হল মুসুল ধারে বৃষ্টি । অরন্য মাত্রই সাবেক হয়ে যাওয়া প্রেমিকার সামনে বসে আছে ।
রেস্টুরেন্ট এর বাইরে ঝুম বৃস্টি।কবিতা আর অরন্য টেবিলের দুই পাশে দু জন বসা কেউ কাউকে চেনে না । কবিতা এই মূহুর্তে অসহায়।অসহায়ত্বের কারণ অরন্য নয় ,বাইরের বৃস্টি।
যাই হোক,আরন্যের সাহায্য তার দরকার।অথচ বলতে পারছেনা।
কারণ, অরন্য তার সদ্য সাবেক প্রেমিক।
বাইরের বৃস্টি সহজে থামবার নয়।অর্থাৎ,আরো কিছুটা সময় অরন্য কবিতার নীরব সঙ্গ সে পাচ্ছে । বাইরের বৃস্টি,অষ্টাদশী কণ্যার চেহারায় নারী সুলভ অসহায়ত্ব....অরন্য কে আবারো বলছে প্রেমে পড়তে। বলছে আবারো কবিতাকে ভাল বাসতে , । শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি শেষ কবিতা কিছু না বলেই টেবিল থেকে উঠলো ।রেস্টুরেন্টর গেইটের সামনে রিক্সা ডাকতে লাগলো কবিতা । পিছু পিছু অরন্য গিয়ে ঠিক পিছনে চুপ করে দাঁড়ালো । কবিতা ঠিক বুঝতে পারলো অরন্য তার পিছনে । এমন সময় হটাৎ আকাশের মেঘ প্রচণ্ড গর্জন করে উঠলো - কবিতা ভয়ে অরন্য কে ঝাপটে্ ধরল । মুহূর্তে যেন কবিতার সব ভয় কেটে গেল । অরন্য খুব আস্তে করে বলল ভালোবাসি কবিতা তোমাকে । আবার এক সাথে রিক্সায় হাঁসতে হাঁসতে কবিতা বলল পালাবো না দু জনেই অপেক্ষা করব । রসিক রিক্সা চালক বলে উঠল সবুরে আপা মেওয়া ফলে ।।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


