somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

গল্প । অ-মানব @ ২১ পর্ব

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

: নাদিয়া কে বলল আপনার ভাই কোথায় উনার তো আসার কথা ছিল । বাহিরে দারিয়ে আছে । আপনার সাথে ফোনে কথা সেরে নিবে । নাদিয়া হাসপাতালের সামনে এসে দেখে অনেক মানুষের ভীর । নাদিয়া ভাবল তার ভাইয়ার সাথে কিছু হয়েছে । না একজন মানুষ কে মারছে কিন্তু ভাইয়া কোথায় । পিছন থেকে নাদিয়া কে বলল চা খাচ্ছি ।

ও ভাইয়া ! আমি ভাবলাম তোমার জন্য বুঝি এই ভীর । চল বাসায় । এই নাও টাকা । দোকান দার কে দাও । দোকান দার এক গাল হেসে বলল আমাকে লজ্জা দিয়েন না মা জননী । পাগল বলল টাকা নিবে না নাদিয়া । ভীরের মধ্য প্রবেশ করে যেই লোকটাকে মানুষ মারছিল । তাঁকে ফিরালো । রাত বলে লোকটা মার কম খেল । পাগল বলল- যারা মেরেছেন এই লোকটাকে তাদের ধন্যবাদ । ওকে এখন ছেরে দেই । জীবনের শিক্ষা হবে কি বলেন । লোকটাকে ছেরে দিয়ে নাদিয়ার সাথে রিক্সায় ওঠে বসল ।
— ভাইয়া ঘটনা কি ?
— পকেট মেরেছে । চায়ের দোকানের সামনে থেকে । গ্রাম থেকে আসা
মানুষ । কেউ হয়ত হাসপাতালে ভর্তি আছে । লোকটা চা খাচ্ছিল । আমি
হাতে নাতে ধরলাম । মানুষ যখন মানুষ কে মারে তখন একটা বিষয় আমি
উপ ভোগ করি ।
— মানুষ কে মানুষ মারলে তুমি উপভোগ ভাইয়া ।
— আসলে তা না । এই দেশে পকেট মারের খুব কঠিন বিচার হয় । আর
তোমারা যাকে ভোট দাও । সে কোটি কোটি টাকা দেশ নামের এই মায়ের
কাপড় খুলে নিয়ে যায় । আমরা তাদের ফুলের মালা দেই । আমি এই জন্য
উপভোগ করি এটা একটা আজব দেশ । একটা মানুষ অভাবে চুরি করে ।
আর একটা মানুষ স্বভাব দোষে চুরি করে । অভাবের চোরের বিচার হয় ।
স্বভাবের চোর নেতা হয় । হা হা হা।
— আমি কি একটা কথা বলতে পারি ভাইয়া ।
— সব মানুষ একটা কথা বলে কিন্তু একটা কথা এত লম্বা হয় বলা চলে গীতাঞ্জলী ।
— ভাইয়া আমি কিন্তু ফান করছি না
— আমি জানি তুমি ফান করছ না। তুমি শিমুল গাছটা বাচবে কি মরবে জানতে
চাচ্ছ । সময় হউক দেখবে ।
— আচ্ছা ভাইয়া নাজ যে ছেলেটা কে পছন্দ করে ঐ ছেলে কে নাজ কে বিয়ে করবে ।
— নাদিয়া অল্প বয়সের প্রেম গুলো একটা বাংলা সিনেমার মত । এই কাহিনী ভাষা
রাগ অনুরাগ । সব বাংলা ছবির মত । সব নায়ক বড় হয়ে পিতা হত্যার বিচার ।
বা প্রেমের জন্য বাপ মা কে অস্বীকার করা । আসলে আমাদের সন্তানদের নষ্ট
করার জন্য এরাই দায়ি । কারণ এরা যারা সিনেমা বানায় তারা সিনেমা কি জানে
না।
— ভাইয়া আমি নাজের কথা বলছি ।
— নাজ কে যদি না বল তখন সে বেশি জড়াবে । আবার যদি হ্যা বল তাহলে লাজ
শরম সব নষ্ট করবে ।
— তাহলে কি করব ।
— নাজ কে বল তোমাকে বিয়ে দিব । ছেলে কে বাসায় ডাকাও । ছেলে কে ডেকে
বল আজকেই বিয়ে করতে হবে । পঞ্চাশ লাখ টাকার কাবিন । যদি নাজ কে
ভাল বাসে তবে ছেলে বিয়ে করতে রাজি হবে । আর যদি অন্য মতলব থাকে
তবে বলবে , মা বাবা কে রাজি করিয়ে । না হয় পরীক্ষা আছে । বা বলবে
একদিন সময় দিন । যদি একদিন সময় চায় । তবে পালাবে । মা বাবার রাজির
কথা বললে মুলা ঝুলাবে । এতে মেয়ের চরিত্র নষ্ট হতে পারে । তোমরা তো
আর বিয়ে দিবা না এখন । যদি এখন রাজি হয় । তখন সর্ত আরেপ হবে ।
শুধু কাবিন হবে । তবে বিয়ে হবে না। পরীক্ষার পর বিয়ে হবে । বা রাজি
হলে তাদের অভিবাবক কে ডাকা যেতে পারে ।।
— আচ্ছা দুলা ভাই এর বাড়ি ভাগ হয়ে যাবে কেন ।
— এটা গোপন কথা তোমার না জানাই ভাল । তবে যদি তোমার দুলা ভাই জানতে
চায় তবে বলব । কারণ তার চাচা কেন মারা গেল এটা কি তার তিন সন্তানের
জন্য না অন্য করন এটা তোমার দুলা ভাই , মানে শিলার বাবা জানতে চাইলে
বলব ।
— ঠিক আছে । আমাকে নিয়ে কিছু বলুন ।
— নাদিয়া তুমি আসলে কোন কারনে মানসিক কষ্টে আছ । তোমাকে দেখে
বুঝা যায় না। ভাবছ বোনের বাড়িতে আছ । তোমার বিয়ে হলে এত খরচ
আর না হলে বোন জামাই এর বোঝা তাই না ।
— হ্যা ভাইয়া । তুমি তো আই এ পাস তাই না।
— হ্যা
— কাল সকালে মনে করে আমাকে বলবে । যে তুমি আই এ পাস । ওকে ।
আমার তখন মনে হবে তোমার জন্য কি করা যায় ।
— জী ভাইয়া ।
পাগল আর নাদিয়া বাসায় এসে দেখে শিলা কাদছে । পাগল কাছে গিয়ে বলে
কান্না করা ভাল । তবে নকল কান্না করলে মাথার চুল পেকে যায় । শিলা মাথায়
হাত দিয়ে বলে । আমার চুল পাকলে মামা তুমি খুশি হও ।
— না খুশি হব না।
— কিন্তু তুমি কান্না করছ কেন ।
— তোমরা বাসা থেকে যাওয়ার পর মা ছোট খালা মনি কে অনেক মেরেছে ।
— ইস তাই কান্না করছ ।
— হ্যা মামা ।
— আচ্ছা মা মনি অনেক ভাল কান্না কর ।
— নাদিয়া বলল ভাইয়া দেখলেন ।
— আপা ঠিক করেছে । রাতে ওকে ঘরে তালা দিয়ে রাখ ।
সকালে মাথার ভুত নামিয়ে দিব ।
রাত তিনটা নাদিয়ার ঘুম । নাজ কে তালা দেয় নাই । নাজ তার কাপড় নিয়ে খুব
গোপনে ঘর হতে বের হবে এমন সময় দেখে গেইটের সামনে পাগল দাঁড়ানো । গেইটের বাহিরে দু জন অচেনা মানুষ । অনেক দূরে একটা লাইটাস মাইক্রো । পাগল যেন না দেখে তাই চুপ করে গাছে উঠে দেয়াল দিয়ে পালাতে চেষ্টা করে নাজ । দেয়ালে উঠা মাত্র পাগল নাজের পায়ে শক্ত করে ধরে বলে উঠে আপা চোর চোর । নাদিয়া নাজু দুলা ভাই ঘুম থেকে উঠে গেইটের সামনে এসে দেখে নাজ কে ধরে রেখেছে ।
–নাদিয়া বলে ভাই ও তো নাজ ।
— হ্যা আমি জানি নাজ । দুলা ভাই ওকে আপনি নামান । আমি আসছি বলে গেইটের বাহিরে গিয়ে দু জন কে সার্টের কলার ধরে গেইটের ভিতরে নিয়ে আসে ।
নাদিয়া আর নাজু মিলে নাজ কে আবার চর ও থাপ্পড় দিয়ে ঘরে নেয় । ছেলে কে নাদিয়া দেখে অবাক হয়ে বলে দুলা ভাই এটা মাঝি বাড়ির ছেলে ।
— পাগল বলে পাগল বলে মাঝি বাড়ি মানে ।
— নাদিয়া বলে ওদের সাথে আমাদের অনেক পুরবের শত্রুতা ।
নাজু আপু বলতে লাগলো । আমার বোন তো ছোট ও জানে না। এই ছেলের চাচার কাছে আমার ফুফু বিয়ে ঠিক হয় । আমার ফুফু ঐ কোন এক কারনে ঐ ছেলে কে বিয়ে না করে আমার খালার বাসায় যায় । পড়ে ঐ খানে আমার খালার দেবরের ছেলে কাছে বিয়ে হয় সেই ফুফুর । আমার ফুফু কে নিতে না পেরে তারা অনেক বিচার শালিস বসায় । আমাদের পরিবারের সাথে ঐ পরিবারের আর কোন সম্পর্ক নাই । তারা ওয়াদা করে আমাদের পরিবারের যে কোন মেয়ে কে তারা নিয়ে বিয়ে করে ছেরে দিবে ।
শিলার বাবা ওদের মারতে গেলে পাগল বলে ওদের মারার দরকার নাই । পুলিশ ডেকে দিয়ে দিন রাতে চুরি করতে বাসায় আসছিল বলে । অন্যের মেয়ে কে যারা প্রেম ভালবাসার কথা বলে ঘর থেকে নিয়ে যায় আসলেই এরা চোর ডাকাত । আর সব কিছু জানার পড় নাজ কে বলুন ওদের সাথে যাবে কি না।
আমি তিনটা কথা বলব তার পড় নাজ সিদান্ত নিবে। নাদিয়া নাজ কে সামনে আনে
পাগল বলে
— তুমি কাকে পছন্দ কর এই দুজন থেকে ।
— নাদিয়া মাঝির ছেলে কে দেখায় ।
— তুমি কি জান এদের সাথে আগের কি কি ঘটনা ।
— না , জানি না,
— এখন তুমি বল । তোমার যদি একটা নিজের পেটের মেয়ে থাকত । আর তুমি
মা হতে তাহলে কি তোমার মেয়ে কে যেতে দিতে ?
— না ।
— এখন কি তুমি যেতে চাও ওদের সাথে
— না ।
— আর কোন দিন যাবে
— না।
— আচ্ছা ঠিক আছে তুমি যাও ।
— দুলা ভাই । ওদের অভিবাবক কে খবর দিন ।
ভোর চারটায় ওদের অভিবাবক রা আসে । এই বিষয় টার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ।
পাগল বলে দেখুন বাচ্চাদের প্রতিহিংসা পরায়ণ না করে । নিজেদের ভুল গুলো তাদের
সামনে তুলে ধরুন । আপনাদের মাঝি পরিবারে নাদিয়ার ফুফু এমন কিছু দেখে ছিল
যার জন্য সে বিয়ে করতে চায় নাই । আজ আবার আপনাদের সন্তান রা সে রকম ভুল
করছে । পাগল বলল দুলা ভাই মেয়ে আমাদের তাই লজ্জাও আমাদের । আমাদের সমাজে শুধু নারীর ভুল গুলো নিয়ে ওয়াজ হয় । নারী কেন টিপ পড়ে । নেল পলিস পড়ে । কিন্তু নারী দের এ সব পড়তে কিন্তু পুরুষরাই শিখিয়েছে । তাই বলি কি ওদের
ছেরে দেন । ওরা যদি মনে করে আমাদের সাথে সব ভুলে আত্মীয়তা করবে । তাহলে আমাদের মামা রইস মিয়ার সাথে আগে হউক । সবাই বলল সুন্দর কথা । এটা নিয়ে আমরা পড়ে বসব । নাদিয়া সবাইকে চা করে দিল । একজন বলল মা এই চায়ের সাধ টা একটু ভিন্ন । নাদিয়া হাসিয়া বলিল – এটা সিলেটের চা না । এটা দার্জিলিং এর চা ।
নাজু পাগল কে বলিল আল্লাহ কাছে আমার মা বাবা কোন নেক করেছিল যে ভাই আজ বাসায় ছিল । না হয় কাল থেকে মরা ছারা কোন গতি ছিল না।
সবাই কে বিদায় দিয়ে নাজু কে পাগল বলল – বোন আমার জীবন থেকে পালিয়ে
বাচা যায় কিন্তু সমাজ থেকে না। তাই আমাদের উচিৎ আমাদের সমাজ কে সম্মান করা । মাথায় হাত দিয়ে বলে যদি তারা রইস মামার কাছে তাদের বোন বিয়ে দেয় তাহলে আমরা আমাদের বোন কে তাদের ছেলের কাছে বিয়ে দিব । নাজ পাগলকে জরিয়ে ধরে কান্না করে বলে ভাইয়া আমাকে মাপ করে দাও । আমি তোমাদের কথার
বাহিরে কিছুই আর করব না। পাগল বলে এই বিশ্বাস আমার আমাদের বোনের প্রতি আছে ।
সকালে ঝলমলে রোদ । পুকুর পারে লেবার রা কাজ করছে । রইস মিয়া এসে
পাগল কে বলে – রাইত কিছু ঝামেলা হয়েছিল । জামাই বেটা বলল ।
— হ্যা মামা আপনার জন্য পাত্রি দেখছি ।
— আমি তো নির্বাচনের পাশ করা ছারা বিয়ে করব না।
— মামা মাঝির গোষ্ঠটি ভোট দিলে পাশ করবেন ।
— তারা দিলে আর কারো ভোট লাগে না। কিন্তু তারার সাথে আমাদের লাইগ ।
— আচ্ছা মামা এবার মীমাংসা হবে ।
নাদিয়া এসে বলে ভাইয়া আপনার ফোন –
— হ্যালো দিলরুবা
— সালাম ভাইয়া
— সকালে আমি ওকে অফিসে সার্ট ছিরে ফিলেছি । তখন রুমে কেউ ছিল না।
আমাকে বলল শান্ত হতে । আমি বলেছি তুমি অন্য মেয়ে কে বিয়ে করলে
তোমাকে আর ঐ মেয়ে কে মেরে আমি নিজে মারা যাব ।
— গুড ।
—- আর কাগজটা লিখে ওর হাতে দিয়েছি ।
— গুড কি হল বিকালে জানাও ।

চলমান——————

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:০৮
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ট্রাম্প চাচা ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৫


সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ভোট দিয়ে এসে অনেকক্ষণ ধরেই অপক্ষো করছিলাম কখন সন্ধ্যা হবে সে প্রত্যাশায়। সন্ধ্যার পর মোটামুটি বসে গিয়েছিলাম ফলাফলের উপর টেলিভিশনে বিশেষ আলোচনা দেখার জন্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্ধ দুয়ার"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪


"বন্ধ দুয়ার"

ক্লান্ত এ সপ্তাহে শুনি, আজ কারো কাজ নাই,
বন্ধ কারখানায় তালা, কোথা যাব তবে ভাই?
ছুটা বুয়া হয়ে খাটা, সে সুযোগও মেলা ভার,
তরুণী দেখিয়া মোরে, কেহ খোলে না যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

"আমেরিকাকে আবার মহান করব" বলে এসে যিনি দুনিয়ার সবাইকে বিরক্ত করলেন, ভোটাররা তাঁকে জানিয়ে দিলেন: হুমকি ধমকি আর উম্মাতাল আঁতলামির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×