somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অবশেষে 'রুস্কাইয়া ব্লুদা' বই আকারে প্রকাশ পেল!!!

০৫ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


২৮শে জুলাই ২০২০
দীর্ঘ কয়েক বছর পর ফের লেখালেখি শুরু করার প্রক্কালে সামুর পাঠকদের জন্য 'ফের আলকাশ শুরুর আগে কিছু কথা' শিরোনামে একটা
লেখা দিয়েছিলাম।সেই লেখার এক অংশে লিখেছিলাম;
লেখালেখির ব্যাপারে আমি ভীষণ রকম স্পর্শ-কাতর। নিজেকে খুব সযতনে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছি। এমনকি আমার অতি ঘনিষ্ঠ অনেক আপনজন-ও জানেনা আমি লেখালেখি করি। আমার নিক বন্ধু আত্মীয়দের প্রায় সবার-ই অজানা! এর কারণ ভয় নয়, দ্বিধা ও সঙ্কোচ! কারণ আমার লেখার- মান ও ভাষা-গত দুর্বলতার! সেজন্য খুব কম ব্লগার-ই আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনে।
এর মাঝে এক ছোট ভাই নব্য প্রকাশক ফেসবুকে যোগাযোগ করে লেখা চাইল। আমি কিছুদিন টাল-বাহানা করে বললাম; সামুতে কয়েকটা সিরিজ আছে দেখেন ওখান থেকে কোনটা নিয়ে করা যায়? সে একটা পছন্দ করল। তার সাথে আমার চুক্তি ছিল; বইতে আমার কোন শর্ট বায়োগ্রাফি ও ছবি দেয়া যাবেনা। আর আমি বইয়ের প্রচারণায় জন্য কোন রকমের সহযোগিতা করব না। বেচারা নতুন প্রকাশন- আর আমি অখ্যাত লেখক! এত বড় রিস্ক নেয়া কি উচিত হবে এই নিয়ে দুই বছর ধরে চিন্তা করছে! আমি যদিও খোঁচাখুঁচি করি কম- কিন্তু সে আমাকে কথা দিয়ে বিপদে পড়ে গেছে।

অবশেষে তিনি তার কথা রেখেছেন, আমিও খুঁচিয়েছি আচ্ছামতন- সেই সাথে খানিকটা খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে লেখক পরিচিতি আর সামুর পুরনো ছবিটা দিয়ে দিলাম।

বই পরিচিতি(ফ্লাপে লেখা অংশ)
সাল ১৯৯১।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে টুকরো টুকরো হওয়ার পরও দুনিয়ার বৃহত্তম দেশ হয়ে বিশ্ব মানচিত্রে অবস্থান নিয়েছে রাশিয়া।

দীর্ঘ কমিউনিস্ট শাসনকালে দশকের পর দশক রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিতে ব্যবসা করতে ভুলে যাওয়া সাধারণ রাশিয়ানরা চড়ে বসেছে পুঁজিবাদের ট্রেনে। এই ট্রেন তাদের কোথায় নিয়ে যাবে? এক অস্থির সময়, ততোধিক অস্থির মানুষের ভবিতব্য।

সময়ের এমন সন্ধিক্ষণে তারুণ্যের সকল রোমান্টিকতা, সকল দ্রোহ, অনুভূতির সকল প্রাবল্য নিয়ে এক বাঙালি তরুণ হাজির হলো খোদ রাশিয়ায়। সদ্য তারুণ্যের চোখ দিয়ে দেখা সেই অস্থির সময়ের রাশিয়া তার মনে দাগ কাটে। সেই দাগ এতটাই গভীর যে আরও ৩০ বছর পরেও স্মৃতিতে রয়ে গেছে।

পুঁজিবাদ বনাম সমাজতন্ত্রের মাঠের লড়াই আর ঠান্ডা লড়াই দুনিয়া দেখেছে দীর্ঘদিন। এই নিয়ে তত্ত্ব, পরিসংখ্যান, গবেষণার অভাব নেই। হাজার মাইল দূরে থেকেও আমরা টের পাই এই বিষয়ে তর্ক-বিতর্কের উত্তাপ। এই বই সেই বিতর্কের ধারে-কাছে দিয়েও যায়নি।

এখানে লেখক তার প্রথম তারুণ্যের সেই রাশিয়াকে উঠিয়ে এনেছেন স্মৃতি থেকে। এতদিন ধরে তাবৎ দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষের বয়ান শুনে একটা ধারণা ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে আমাদের। সদ্য গঠিত সেই সময়ের জনতার রাশিয়া কেমন ছিল, কেমন ছিল সেখানকার সংস্কৃতি, দৈনন্দিন জীবন, জীবনাচরণ এসব কথা আমাদের বাংলাদেশের আলো-বাতাসে বড় হওয়া একজনের মাধ্যমে জানতে পারা পাঠকের কাছে বেশ সুস্বাদু হবে তা আশা করাই যায়।

স্বাগতম রুস্কাইয়া ব্লুদার জগতে।

রুস্কাইয়া ব্লুদা
RUSSIAN DISH

বইটি এপ্রিলের ২ তারিখ থেকে বইমেলার ৩১৯ নাম্বার স্টলে পাওয়া যাবে। সাথে পাওয়া যাবে সকল অনলাইন বুক শপ এবং স্বরে অ এর ফেসবুক পেজ মারফতও
পেইজ লিংক- স্বরে 'অ' - Swore 'O'
অর্ডার লিংক ;
https://www.rokomari.com/book/213216/ruskaia-bluda---russian-dish?fbclid=IwAR0qFLwJY_nodYQ7f3itqecfcenL6OdTqMmrWGEzgXMjfR_-w-YNuIC-9Jc

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:৪৭
৩০টি মন্তব্য ২৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×