somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালোবাসা আসলেই ভালোবাসা।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সোহেল গ্রামের ছেলে হলেও জেলা সদরের
এবং সরকারী ভারসিটির ছাত্র, জীবনে প্রেম
করেনি আর ব্যাপার টা তার কাছে সব সময়
বিরক্তিকর এবং অশ্লীলতা মনে হয়, , কারন
প্রেমের নামে অনেকে মজা নিয়ে ছেরে দেয়
এবং এটাই এ যুগের বৈশিষ্ট্য, সে জন্য
সে কোন মেয়েকে পাত্তা দেয় না,,কিন্তুু
ইদানীং মাহা চিন্তায় আছে তার ছোট বোন
নিয়ে,, এ সব ভাবতে ভাবতে BRTC টিকেট
কেটে ঢাকা ফুপুর বাসায় যাবার
উদ্দেশ্যে বাসে বসে,, সব খানেই একই সমস্যা,,
এমনিতে গরম অসহনীয় অবস্থা এবং পাশের
সারিতে তার বয়সের এক
জোড়া ছেলে মেয়ে বসে আছে,, বোঝাই
যাচ্ছে তারা স্বামী স্ত্রী না হয়তো প্রেমিক
প্রেমিকা,, এমনিতে মেজাজ খারাপ তা ও সব
খানে এ সব,, পাবলিক বাসে বসে হাত
ধরা ধরি করা টা বাংলাদেশে কমন ব্যাপার
হয়ে গেছে মনে হচ্ছে! অসহ্য! !
তার পাশে মধ্যবয়সী লোক বসা,,চিটাগাং রোড কিছু যাত্রী ওঠে কিন্তুু পর্যাপ্ত পরিমানে সিট খালি থিকে না,, পরে বৃদ্ধ মহিলাা দাড়িয়ে থাকায় সে নিজে সিট ছেরে দেয় এবং পাশে দাড়ায়,, ক্লান্তিকর গরম এবং জ্যাম ২টাই যেন এ দেশের
বাস যাতায়াতের বন্ধুু,, বিদখুটে বোমির
শব্দে পাশে ফিরে তাকায় সোহেল,,
মেয়েটি ছেলেটির উপরে বোমি করে দিয়েছে!
যদি ও জানালার পাশে বসে কিন্তুু এতক্ষণ
হয়তো হেলান দিয়ে ছিল ছেলেটির উপর! বাসের
সবার দৃষ্টি তাদের উপর চলে যায়,, সোহেল
ছেলেটির মুখের দিকে তাকায় এবং অবাক
হয়ে যায় যে তার শার্টের উপর
বোমি করেছে সে দিকে একবার ও তার
ভ্রুক্ষেপ নেই মেয়েটি দুর্বল
হয়ে গেছে মেয়েটির দিকে তার খেয়াল! ছেলেটি রুমাল দিয়ে কোন ভাবে তার শার্ট পরিষ্কার করে,, এবং মৃদু স্বরে হয়তো মেয়েটিকে কিছু বলেছে এবং মেয়েটি হয়তো অনুতপ্ত এবং লজ্জিত তবে এটা ধটেছে ২ জনের মধ্যে তেমন কিছু প্রতিক্রিয়া নেই! এবার ছেলেটি কে এক পাশ দিয়ে জড়িয়ে ধরে বসে আছে,, এ ঘটনা অবলোকন করতে করতে কখন যে ঢাকা চলে এসেছে জানা নেই,, নেমে একটা সিগারেট ধরায়,, এই প্রথম
সে বুঝতে পারে আসলেই প্রেম বলতে কিছু
আছে, , কারন বাসের ছেলেমেয়ে ২টির চোখের
চাওনি একে অপরের প্রতি ছিল অন্যরকম
এবং তাদের কথা যদি ও সে শোনেনি কিন্তুু
তাদের বন্ধন টা হয়তো শক্তিশালী, সাত পাঁচ ভেবে আবার বাড়ি যাবার রিটার্ন
টিকিট নেয়,,,কারন আদরের ছোট বোন ২ দিন
ধরে খাওয়া দাওয়া ছেরে দিয়েছে,,
মা বাবা চাচ্ছে বিয়ে দিয়ে দিতে,,কিন্তুু
হঠাং করে এক ছেলের কথা জানায়
এটা নিয়ে কয়দিন ধরেই সমস্যা চলছে বাড়িতে,,
অথচ সে ছেলেকে দেখা হয়নি এবং তার
সম্পর্কে কিছুই জানা হয়নি,, যদি মনে হয়
সে সত্যিই বোন
কে ভালোবাসে এবং সে ভালো ছেলে তবে বোনের
কথা রাখলেই ক্ষতি কি,, দরকারে কিছু সময় ও
ছেলেকে দেওয়া যায়, , এ সব
ভাবতে ভাবতে গাড়ি ছেরে দেয়,, কিন্তুু পথ
যেন ফুরায় না,, ,বোনটি না খেয়ে আছে আসার সময়
কথা বলেনি,, আসলেই ভাইরা বোনের মনের
কথা বোঝে না,,
,,
(বিদ্রুঃ প্রেম টা পরিবারে মেনে নেয় না,এবং না মেনে নেবার মত যথেষ্ট কারন ও রয়েছে সে ক্ষেত্রে কারো সাথে সম্পর্ক করার আগে বা মাঝে চিন্তা করা উচিত কি করলে বাবা মা মেনে নিবে,, ভালোবাসা খেয়ে পেট চালানো যায় না,,যদি ও প্রেম হয়ে যাওয়া একটা বিষয়,কিন্তুু বাবা মা মেনে কি নিবে সত্যিকার প্রেমই বিলুপ্ত,যতটুকু সম্ভব প্রেম না করাই উচিত আর করলে ফেবিকলের মত কিছু আছে বছরে পরিবর্তন করে এদের আর বাজারের কেনা বেচার মানুষের সাথে অমিল কিছুই নেই,,কিন্তুু এ প্রেমের কারনেই অনেক ছেলেমেয়ে মা বাবার সম্মান নষ্ট করে দেয়,বর্তমান যুগ আধুনিক হয়তো আরো আধুনিক হবে কিন্তুু পালানো,আত্মহত্যা এসব উচিত না,,,কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ)
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×