
১৯৮৮-৮৯ সালের কথা তখন স্বৈরাচারী এরশাদ ক্ষমতায়, আমি তখন ২য় অথবা ৩য় শ্রেণীর ছাত্র। একদিন পত্রিকার পাতায় শেখ হাসিনার ছবি দেখে বাবাকে জিজ্ঞাসা করলাম, "আব্বা ইনি কে?আমার আব্বা সেদিন আমাকে বঙ্গবন্ধুর গল্প শোনালেন,আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শোনালেন, বঙ্গবন্ধুকে কিভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল, শেখ রাসেল কিভাবে বাচার আকুতি জানিয়েছিল তাও শোনালেন এবং শেখ হাসিনা কিভাবে বেচে গিয়েছিলেন তাও জানালেন। সেই থেকেই আমি শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ ভক্ত। সেই ছোট্ট আমি সবসময় চাইতাম শেখ হাসিনা এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসুক।
৯০ সালে এরশাদের পতনের পর আমার আব্বা এবং আমি আমরা দুইজনই শিওর ছিলাম শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসবেন। কিন্তু নির্বাচনের পর আমরা খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসতে না পারায়। এটা আমাদের কাছে ছিল অবিশ্বাস্য। ৪৩% ভোট পেয়ে আওয়ামীলীগ পেল মাত্র ৯১ টা আসন আর ৩২% ভোট পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলো। এরপর বহু সংগ্রামের পর ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে শেখ হাসিনা যেদিন বিজয়ী হলেন সেই দিনটি আমাদের কাছে অন্যতম আনন্দের দিন। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশে ব্যপার উন্নয়ন সাধিত হল, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ হল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সেশনজট মুক্ত হল। তখনই শুরু হল স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র, লতিফুর ও শাহাবুদ্দীন গংদের সাজানো নির্বাচনে পরাজিত হল আওয়ামীলীগ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নেমে এল ভয়াবহ নির্যাতন, ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করে মারার চেষ্টা হল শেখ হাসিনাকে,তবুও থেমে যাননি তিনি।সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেন।
সৃষ্টিকর্তার কি অপূর্ব মহিমা! যাকে ২১বার মারার চেষ্টা করা হল, যার উপর ভয়াবহ গেনেড হামলা করা হল সেই শেখ হাসিনাই এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আর ষড়যন্ত্রকারীরা এখন বিতাড়িত।
মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী আপনি এগিয়ে যান, এদেশের কোটি কোটি মানুষের ভালবাসা আপনার সাথেই আছে।
শুভ জন্মদিন জাতির জনকের কন্যা, আপনার জন্য অন্তর থেকে দোয়া এবং ভালবাসা।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




