somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজ শিল্পচার্যের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শিল্পাচার্যের সংক্ষিপ্ত জীবনী

জন্ম - ২৯ ডিসেম্বর ১৯১৪ ইং (১৩২১ বঙ্গাব্দ)
জন্ম স্থান - কিশোরগঞ্জ, ময়মনিসংহ।

শিক্ষাজীবন - পন্ডিত পাড়া পাঠশালায় শুরু, তারপর ময়মনিসংহ জিলা স্কুল এবং সর্বশেষ মৃত্যুঞ্জয় হাই ইংলিশ স্কুলে অধ্যয়ন করেন। গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস ক্যালকাটায় ভর্তি ১৯৩২ সালে। ১৯৩৮ সালে ড্রইং এ্যান্ড পেইন্টিং ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন।

স্কুল জীবনে প্রথম পুরস্কার - Bombay Cronicle পত্রিকা আয়োজিত নিখিল ভারত শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন।

ঘটনা বহুল কিছু সময় -

১৯৩৮ সালে জলরঙ-চিত্রামালার সাফল্যের জন্য সর্বভারতীয় প্রদর্শনী প্রতিযোগিতায় গভর্নরের স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।

১৯৪৩-৪৫ তেতাল্লিশে ঘটে দুর্ভিক্ষ। কালো কালি তুলির টানে অঁাকেন দুর্ভিক্ষের জীবন্ত চিত্রমালা।

১৯৪৭ সালে শুরু করেন ঢাকায় চারুকলা শিক্ষায়াতন প্রতিষ্ঠার কাজ।

১৯৪৯ সালের ১ মার্চ প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে সদ্য প্রতিষ্ঠিত গভর্নমেন্ট ইনষ্টিটিউট অব অার্টস ঢাকায় যোগদান করেন।

১৯৫৫ সালে সরকারি বৃত্তিতে ইংল্যান্ড, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য গমন করেন।

১৯৫৬-৫৭ সালে রকফেলার ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে বর্ষব্যাপী বিশ্ব পরিভ্রমণ করেন এবং জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো ও ইউরোপ যান।

১৯৫৮-৫৯ পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সম্মানিত মর্যাদায় ভূষিত হয়ে "হেলাল-ই-ইমতিয়াজ" খেতাব পান।

১৯৬১ সালে সোভিয়েত সরকারের আমন্ত্রণে সেখানে গমন এবং সে দেশের সরকার তাঁকে স্বর্ণপদক প্রদান করে সম্মানিত করেন।

১৯৭১ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে ময়মনসিংহে এক জনসভার ভাষণের মাধ্যমে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক `হেলাল-ই-ইমতিয়াজ' খেতাব বর্জন করে।

১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমীর সভাপতির পদে অধিষ্ঠিত হন।

১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জাতীয় অধ্যাপকের পদ-মর্যাদা এবং ভারতের দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সম্মানিত ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত হন।

১৯৭৫ সালে `সোনার গাঁও লোকশিল্প যাদুঘর' এবং ময়মনসিংহে `জয়নুল সংগ্রহশালা' প্রতিষ্ঠা করেন।

তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম -
দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা, ম্যাডোনা-১৯৪৩', সংগ্রাম, বিদ্রোহী, গুণটানা, মই দেয়া, মনপুরা-৭০ ইত্যাদি।

মৃত্যু - ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ৬২ বছর বয়সে ।

সমাধি - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ও চারুকলা ফ্যাকাল্টির মধ্যবর্তি স্থানে কবি নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে।

আজ চারুকলায় দিনব্যাপী চলছে জয়নুল উৎসব।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×