somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এতে কি এমন সুখ ??

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সহকর্মীকে সাথে নিয়ে নিউমার্কেট যাচ্ছিলাম। বাস থেকে ফার্মগেইট নেমে ওভার ব্রীজ দিয়ে পার হতে গিয়ে দেখলাম লোক জনের জটলা । ভাবলাম কোন অঘটন ঘটল কিনা। দুজন পুলিশকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ধরে নিলাম নিশ্চয় পকেটমার ধরা পরেছে। তাওনা, খুব সম্ভবত প্রধান মন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি আসছেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য কাউকে ব্রীজে ওঠতে দেয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য ছেলের মত উনার না যাওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া তো উপায় নেই। এর মধ্যই শুরু হয়ে গেল নানান মুখে নানা মন্তব্য। যাই হোক, উনার চলে যাবার পর দুদিক থেকে জমে থাকা লোক জন ব্রীজ দিয়ে পার হতে শুরু করল।
'বুড়া লোকটার কারবারটা দেখলেন' সহকর্মীর মুখে এই কথাটি শুনে না বুঝে ডানে বামে সেই বুড়া লোকটিকে খোজতে লাগলাম। তাকে না দেখে সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম কি করেছে। "এই যে সামনের মেয়েটার পেছনে হাত দিল" কথাটা শুনার পর খেয়াল করলাম আমাদের সামনে একটা সালোয়ার কামিজ পড়া (কলেজ পড়ুয়া হবে হয়ত) মেয়ে হাঁটছে। মেয়েটাকে দেখে খুব খারাপ লাগল। সহকর্মী বলল, আশ্চর্য এই রকম বুড়া মানুষ তার মেয়ের বয়সী একটা মেয়ের সাথে এরকম আচরণ কি ভাবে করে! আমি বললাম ব্যাটাকে ধরলা না কেন? সে বলল ধরে কি বলব ? আমি বললাম অন্তত বলতাম চরিত্রটা পাল্টান। লজ্জা থাকলে ভবিষ্যৎ এ এরকম কাজ আর করবে না। সে বলল, আমি ধরলে কি হবে, যার সাথে এরকম আচরণ করল তার তো কোন প্রতিবাদ নেই । আমি বললাম, মেয়েরা তো লজ্জায় কিছু বলতে পারবে না। চোখে পড়লে ছেলেদের উচিত এগুলোর প্রতিবাদ করা।
ভেবে পাই না মানুষ এত বিকৃত রুচির হয় কীভাবে। যারা এই কাজ গুলো করে তারা কি একবারও ভাবে না তার মা, স্ত্রী, নিজের মেয়ের কথা। যখন এধরনের ঘটনাগুলো শুনি তখন মনে হয় যদি সে সব .......বাচ্চাদের দুগালে দুটা ........ মারতে পারতাম।
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×