খালুকে কবরে রাখার পর সবাই চলে যায়। কয়েকজন হুজুর আর আমি থেকে যাই। আসলে দাফনের কোনো কাজ বাকী ছিলনা। হুজুরদেরকে ওখানে দাড়িয়ে থাকতে দেখে আমিও থেকে যাই।
এমন সময় এক জন হুজুর কিছু একটা পাঠ করতে শুরু করলেন। এবং সদ্য দেওয়া কবরের উপর হাতরেখে উনি কবরের সওয়াল জাওয়াব আওড়াতে থাকলেন।
মার রাব্বুকা ?
- রাব্বি আল্লাহ।
মা দীনুকা?
- দীন আল ইসলাম।
মান হাজার রাজুল?
- হযরত মুহাম্মদ মস্তফা (সাঃ)
এই ভাবে একবার দুইবার বহুবার উনি পাঠ করতেই থাকলেন।
এক জন হুজুরকে জিজ্ঞেস করলাম উনি কি করছেন?
হুজুর জানালেন এটা হল তালকিম। তালকিম করার মাধ্যমে মৃতের কবরের সয়াল জওয়াবে উপরথেকে জওয়াব দেওয়া হয়।
আমি আর ঐ হুজুরদের সাথে কথা বারালাম না। উনাদের অনেক কাজ কর্মই আমার অপছন্দ ।
আচ্ছা সত্তি কি মৃত ব্যক্তির কবরের সওয়াল জওয়াবে জীবিতরা সাহাজ্য করতে পারে?
নাকি আমাদের মতো দুর্বল চিত্তের ইমানদারদেরকে ঠকানোর কৌশল?
তাহলে আর আমল ইবাদাতি করার দরকার কি?
খালু তার জিবনে খুব কম তাহাজ্জুদই ছাড় দিয়েছেন। খালুকে পেলে বলতাম, আপনি খামুখা এসব আমল করেছেন।
এরচেয়ে ঢের ভালো আপনার আশ পাশের হুজুরদের ভালো করে দাওয়াত খাওয়াতেন।
তালকিম শেষ । অতপর হুজুরেরা বাড়িতে আসলেন। সবাইকে আস্বস্ত করে বলতে লাগলেন,
কবরে সওয়াল জওয়াব অনেক ভালো হয়েছে, খুব সুন্দর হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি ..……
উললেখ্য, এই মৌলোভিরা সিলেটের একটি আঞলিক মাজার পুজারি বেদাতি সম্প্রদায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


