এই মূহুর্তে ফিঙ্ড টেলিফোন লাইনের জন্য ঢাকার উত্তরাঞ্চল থেকে কমপক্ষে 30,000 আবেদনপত্র বিটিটিবি -তে জমা পড়ে আছে। বিটিটিবি তাদের চাহিদা পূরণে ব্যার্থ হয়েছে। অন্যদিকে, এখন পর্যনত্দ বেসরকারী ল্যান্ড লাইন টেলিফোন অপারেটররা ঢাকাতে কাজ শুরম্ন করার অনুমতি পায়নি। তারা সেন্ট্রাল জোনে কাজ করতে এখনও বিটিআরসি-এর অনুমতির জন্য ব্যাগ্রভাবে অপেক্ষা করছে। উক্ত জোনের অনত্দর্ভূক্ত হচ্ছে: ঢাকা শহর, জিনজিরা, সাভার, নারায়নগঞ্জ, গাজীপুর ও টঙ্গি। বেসরকারী ল্যান্ড লাইনগুলো জানিয়েছে যে, দেশের 70 শতাংশ গ্রাহকই ঢাকার। কর্তৃপক্ষ তাদেরকে উচ্চ গতির বাজারে প্রবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে না বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। অথচ এরই মধ্যে বাজারে পাঁচটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানী কাজ করে যাচ্ছে।
একটি বিটিটিবি লাইন পেতে গ্রাহককে 10,000 টাকা প্রদান করতে হয়। একজন ভূক্তভোগী গ্রাহক জানিয়েছেন, এখানেই নাকি শেষ নয়; সেই সাথে বিটিটিবির ষ্টাফদেরকেও কমপক্ষে 2,500 টাকা করে ঘুষ দিতে হয় যদি কোন নতুন টেলিফোন লাইন কানেকশন নেয়ার ইচ্ছে থাকে! এত কিছুর পরেও গ্রাহককে অপেক্ষা করতে হয় মাসের পর মাস কিংবা বছর!
অন্যদিকে, আনত্দর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন জানিয়েছে যে, দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই টেলিফোন সুবিধা সবচেয়ে কম। এদেশে প্রতি 100 জনের মধ্যে 1.56 জন টেলিকমিউনিকেশন সুবিধা পেয়ে থাকে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




